Tag Archives: সেক্স

সেক্স বা যৌনমিলনের ক্ষেত্রে Stop and Go পদ্ধতি কি?

উত্তরঃ কারো কারো দ্রুত বীর্যস্খলন হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটা বদলে যায়। এতদিন অপেক্ষা না করেও কাজটি সারা যায়। মেয়েটার সাথে মিলে একসাথে চেষ্টা করতে হবে। যখনই বীর্যপাত হওয়ার সম্ভাবনা তখনই থেমে যান। দেখবেন বীর্যপাত হচ্ছে না। এভাবে বারেবারে করতে থাকুন দেখবেন বীর্যস্খলন পেছাতে পারবেন। একে ‘Stop and go’ পদ্ধতি বলে।

বিষয়বস্তু:

মেয়েদের শরীরের কোথায় স্পর্শ করলে দ্রুত সেক্স ওঠে?

উত্তরঃ

মেয়েদের শরীরের যে সমস্ত স্থানে স্পর্শ করলে দ্রুত সেক্স অনুভুত হয় তা হল
১. বাম স্তন
২. কানের নিচের অংশ
৩. ঠোটে চুম্বন করা
৪. নাভির চার পাশে।

বিষয়বস্তু:

গভর্বতী অবস্থায় সেক্স বা যৌন সঙ্গম করা যায়?

উত্তরঃ হ্যাঁ যায় এতে কোন সমস্যা হয় না। তবে, সাবধানে করতে হবে যাতে করে পেটের উপর বেশি চাপ না পড়ে।

বিষয়বস্তু:

সেফ পিরিয়ড কখন শুরু হয়?

উত্তরঃ সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না।

বিষয়বস্তু:

মাসিক বা পিরিয়ড এর সময় সঙ্গম করলে কি বাচ্চা বা গর্ভধারন করার সম্ভাবনা থাকে?

উত্তরঃ থাকে আবার অনেক ক্ষেত্রেই থাকে না। তবে, পিরিয়ড এর সময় সঙ্গম না করাই ভাল, এটা উভয়ের স্বাস্হের জন্য ক্ষতিকর। সাধারণত মাসিকের পর এক সপ্তাহের মাঝে জন্ম নিরোধক ছাড়া পূর্ণ সহবাস করলে এবং মাসিকের পূবে’র এক সপ্তাহ জন্ম নিরোধক ছাড়া পূর্ণ সহবাস করলে সন্তান ধারন করার সম্ভাবনা থাকে না।

বিষয়বস্তু: