Tag Archives: দুধ

স্ত্রীর বুকের দুধ চোষা বা চুমু খাওয়া কি হারাম না হালাল?

উত্তরঃ ইসলামে স্ত্রীর দুধ চোষা বা চুমু খাওয়া হারাম নয় তবে, দুধ পান করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আছে।

বিষয়বস্তু:

মেয়েদের বুকের দুধ কমে গেলে কি করনীয়?

উত্তরঃ অনেক সময় মায়ের বুকের দুধ কম হলে বা একদম না হলে অভিভাবকগন ভীষন দুশ্চিন্তায় পরে যান। এমনটি হবার কোনো কারন নেই বরং ধৈর্য্য ধরে এই সমস্যাটিকে সমাধান করতে হবে। যেমন –

১- উভয় স্তনের বোটা কে শিশুর জন্য পাচ মিনিট করে চুষতে দিতে হবে, একেবারে একফোটা দুধ না আসলেই এই কাজটা নিয়মিত করেই যেতে হবে।

২- এই সময়ে শিশুর পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য শিশুকে প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ বা গরুর দুধ খাওয়ানো যেতে পারে কিন্ত লক্ষ্য রাখতে হবে কোনো অবস্থাতেই তা ফিডার বোতলে খাওয়ানো যাবেনা।

অবশ্যই বাটিতে করে ছোট্ট চামচে করে তুলে খাওয়াতে হবে। মনে রাখতে হবে ক্ষুধার্ত শিশুকে প্রথমে স্তন বোটার সাথেই ধরতে হবে এবং মিনিট পাচেক চুষবার পরে বাটি ও চামচ দিয়ে অন্য দুধ খাওয়াতে হবে। এভাবে প্রসুতি মা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক দুগ্ধ উৎপাদন করে শিশুর সকল চাহিদা মেটাতে পারবে।

৩- শিশু স্তন চুষবার সময় ম’কে অবশ্যই নিরুদ্বিগ্ন এবং চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।

৪-মা এর নিজের মনে অবশ্যই এই আস্থা থাকা বাঞ্ছনীয় যে এই প্রক্রিয়ায় দুগ্ধ নিঃসরণ বাড়বে, মা’কে সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা অভিভাবক দের দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে। তাকে কখনোই তিরস্কার বা হতাশ করা যাবেনা, তাহলে এটা ফলপ্রসু নাও হতে পারে।

৫- মা’কে পর্যাপ্ত আহার করতে হবে, তার নিদ্রা বা বিশ্রামের ও ব্যাঘাত ঘটা যাবেনা। স্তন্য দানের ১৫ মিনিট পূর্বে মা’ দুই গ্লাশ পানি পান করে নিলে স্তন্য দান সহজ হবে।

৬- এই মুহুর্তগুলিতে শিশুকে সবসময় মায়ের সংস্পর্শে রাখতে হবে। মা’ এবং শিশুর মধ্যে এক নিবিড় সম্পর্ক হওয়া এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

৭- উপরোক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের ১৫ দিন থেকে ২০ দিনের মধ্যেও যদি মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ না আসে বা কম আসে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দুধ বাড়ার অসুধ গ্রহন করা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে এর আগে দুই থেকে তিন সপ্তাহ ধৈর্য্য ধরলে এম্নিতেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

৮- কখনো মায়ের দুধ কম হবার কারনে শিশুকে প্রক্রিয়াজাত অন্য দুধ খাওয়াতে হলে মনে রাখতে হবে শিশু প্রথমে মায়ের দুধ টুকু গ্রহন করবে এর পর তার বাড়তি প্রয়োজন অন্য কিছু দিয়ে পূরণ করতে হবে। এ অবস্থাকে ঝামেলাপুর্ন মনে হওয়ায় মায়ের দুধ বন্ধ করে দেয়া যাবেনা, কারণ মায়ের দুধের কোনোই বিকল্প নাই।

সূত্রঃ susastho.com

বিষয়বস্তু:

হালকা গরম দুধ ঘুমের জন্য ভালো কেন?

উত্তরঃ আসলে ঘুমের আগে হালকা দুধ খেলে ঘুমের জন্য সুবিধা হয় কি না, তা এখনো প্রমাণিত হয়নি। দুধের ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে সেরোটনিনের সূত্রপাত ঘটে। এটা মস্তিষ্কে যে সংকেত পাঠায়, তা স্নায়বিক উত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করে। হয়তো এ কারণে দুধ খেলে সহজে ঘুম আসে। কিন্তু ঘুম আনার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ ট্রিপটোফ্যান গরুর দুধে আছে কি না, তা এখনো প্রমাণিত হয়নি। প্রায় আড়াই লিটার দুধ খেলে হয়তো ঘুমের জন্য পর্যাপ্ত ট্রিপটোফ্যান পাওয়া যাবে। রাতে শোয়ার আগে এত বেশি তরল পান করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বড়জোর এক কাপ দুধ খাওয়া চলে। এতে কিছু উপকার হয়। কিন্তু গরম দুধই হতে হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। কারও কারও অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ঠান্ডা দুধও ঘুমের জন্য উপকারী।

বিষয়বস্তু:

আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে কি হয়?

উত্তরঃ সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ধারণা রয়েছে আনারস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। এতে শারীরিক সমস্যা হয়। বিশেষ করে মায়েরা তাদের সন্তানকে কখনই দুধ এবং আনারস খেতে দেন না। এমনকি লেবুও দুধ একসঙ্গে দেওয়া হয় না। এসব ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, অনেক বাড়িতে ও হোটেলে বিভিন্ন ফল দিয়ে যেসব ডেজার্ট তৈরি হয় তাতে মওসুমি ফল হিসেবে আনারস থাকে। একই সঙ্গে রাখা হয় দুধে তৈরি নানা উপাদেয় খাবার। দুগ্ধজাত খাবার এবং আনারস একসঙ্গে আহারে যদি অসুবিধা না হয় তাহলে দুধ ও আনারস একসঙ্গে খেলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। প্রকৃতপক্ষে এটি এক ধরনের কুসংস্কার। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বিষয়বস্তু: