বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.7k টি উত্তর

5.8k টি মন্তব্য

6.5k জন নিবন্ধিত

+2 টি ভোট
342 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

5 উত্তর

+1 টি ভোট

ইসলামে শুকর নামক পশুর যাবতীয় সনস্পর্স নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুকর অ্যাঁর মাংস খাওয়া হারাম তো বটেই এমন কি হাদীস এ বলেছে ঐ প্রাণীটির নামও উচররন করলে ৪০ দিন পর্যন্ত মুখ নাপাক থাকে।

উত্তর প্রদান করেছেন New User (12 পয়েন্ট)

ধন্যবাদ। আজকালকার পোলাপাইন বা অনেকেই আছে যারা শুয়ো... বাচ্চা বলে গালি দেয় কথাই কথাই। তাদের কি অবস্থা হবে?

কোন হাদীসে আছে নাম বললে ৪০ দিন মুখ নাপাক থাকে? হাদীসের নামটা বলুন || আর যদি না থাকে তবে মনে রাখুন, রাসুল [সঃ] বলেছেন, যে আমার নামে এমন কথা বলে যা আমি বলিনি, তবে সে তার জায়গা জাহান্নামে ঠিক করে নিল [বুখারী] **** Neelovi

গালি দেওয়া হারাম | সুরা হুমাজাহ এর ১ম আয়াত দেখুন * ধ্বংস তার জন্য যে অপরকে সামনাসামনি গালি দেয় ও পেছনে নিন্দা করতে অভ্যস্হ * এই আয়াত দ্বারা কাওকে গালি দেয়া হারাম করা হয়েছে | এবং কাউকে গালি দিলে তার হক নষ্ট করা হয় | আর বান্দাহর হক নষ্টকারীকে বান্দাহ ক্ষমা না করলে ও তাওবা ছাড়া আল্লাহ ক্ষমা করেন না #অজ্ঞাত সদস্য |

বললেন যে শুকরের নাম উচ্চারণ করলে ৪০ দিন মুখ নাপাক থাকে।কোরানে পাকে বেশ কয়েক যায়গায় খিনজির মানে শুকর শব্দটি আছে। যা আমাদের পড়তে হয় উচ্চারণ করতে হয়।৪০ দিন মুখ নাপাকের হাদিস দেখান না পারলে লেখা উড্রো করেন।
+1 টি ভোট

ইসলামে শুঁকরের চামড়ার তৈরি পন্য ব্যবহার করা বা বস্ত্র পরিধান করা হারাম হওয়াই উচিত।
নিচে কাছাকাছি একটা হাদিস দিলাম।

ক্রয় ও বিক্রয় অধ্যায় ::

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৩ :: অধ্যায় ৩৪ :: হাদিস ৪৩৮

হযরত কুতায়বা (রঃ) ........ হযরত জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, তিনি রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) কে মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় অবস্থানকালে বলতে শুনেছেন: মহান আল্লাহ্ তা’আলা ও তাঁর রাসূল শরাব, মৃত জন্তু, শুকর ও মূর্তি কেনা-বেচা হারাম করে দিয়েছেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, ইয়া রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ), মৃত জন্তুর চর্বি সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তা দিয়ে তো নৌকায় প্রলেপ দেওয়া হয় এং চামড়া তৈলাক্ত করা হয়, আর লোকে তা দ্বারা চেরাগ জ্বালিয়ে থাকে। তিনি বললেন, না, তাও হারাম। তারপর রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) বললেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলা ইহুদীদের বিনাশ করুন। মহান আল্লাহ্ তা’আলা যখন তাদের জন্য মৃতের চর্বি হারাম করে দেন, তখন তারা তা গলিয়ে বিক্রি করে মূল্য ভোগ করে। আবু আসিম (রঃ) ....... আতা (রঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি হযরত জাবির (রাঃ) কে (হাদীসটি) রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) থেকে বর্ননা করতে শুনেছি।

 

 

Signature:

মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান শরীফ mahfuz08@yahoo.com
উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (179 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট

ইসলামে শুঁকরের চামড়ার তৈরি পন্য ব্যবহার করা বা বস্ত্র পরিধান করা হারাম.
দলিলঃ
হানাফি মাযহাবের প্রশিদ্ধ কিতাব "কুদূরী" গ্রন্থে উল্লেখ আছে
وكل إهاب دبغ فقد ظهر وجازت الصلاة فيه والوضوء منه إلا جلد الخنزير والآدمي
অর্থঃ প্রত্যেক প্রক্রিয়াজাতকৃত চামড়া পবিত্র যার উপর নামাজ জায়েয, উহার পাত্র দ্বারা উযু করা বৈধ, তবে শুকর ও মানুষের চামড়া ব্যতিত।
সাধারণ নিয়মঃ যেসব প্রাণির গোস্ত হারাম, সেসবের চামড়াও হারাম, তবে এতে মতভেদ আছে।
“এমন কি হাদীস এ বলেছে ঐ প্রাণীটির নামও উচররন করলে ৪০ দিন পর্যন্ত মুখ নাপাক থাকে” – কথটি সঠিক নয়। কারণ খোদ কুর-আনে প্রাণীটির নাম ৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে, যা নামাজে তেলাওয়াত করা হয়, হাফিজগণ তারাবির নামাযেও পড়ে থাকেনঃ
১। إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ [٢:١٧٣]
তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহান ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু। (২; ১৭৩)

২। حُرِّمَتْ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ وَالْمُنْخَنِقَةُ وَالْمَوْقُوذَةُ وَالْمُتَرَدِّيَةُ وَالنَّطِيحَةُ وَمَا أَكَلَ السَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيْتُمْ وَمَا ذُبِحَ عَلَى النُّصُبِ وَأَن تَسْتَقْسِمُوا بِالْأَزْلَامِ ۚ ذَٰلِكُمْ فِسْقٌ ۗ الْيَوْمَ يَئِسَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن دِينِكُمْ فَلَا تَخْشَوْهُمْ وَاخْشَوْنِ ۚ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا ۚ فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لِّإِثْمٍ ۙ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ [٥:٣]
তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব জন্তু আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। এসব গোনাহর কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীন থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল। (৫; ৩)

৩। قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ ۚ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ وَعَبَدَ الطَّاغُوتَ ۚ أُولَٰئِكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَأَضَلُّ عَن سَوَاءِ السَّبِيلِ [٥:٦٠]
বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহর কাছে? যাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।

৪। قُل لَّا أَجِدُ فِي مَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَىٰ طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلَّا أَن يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًا مَّسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنزِيرٍ فَإِنَّهُ رِجْسٌ أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ ۚ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَإِنَّ رَبَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ [٦:١٤٥]
আপনি বলে দিনঃ যা কিছু বিধান ওহীর মাধ্যমে আমার কাছে পৌঁছেছে, তন্মধ্যে আমি কোন হারাম খাদ্য পাই না কোন ভক্ষণকারীর জন্যে, যা সে ভক্ষণ করে; কিন্তু মৃত অথবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের মাংস এটা অপবিত্র অথবা অবৈধ; যবেহ করা জন্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়। অতপর যে ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে এমতাবস্থায় যে অবাধ্যতা করে না এবং সীমালঙ্গন করে না, নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা ক্ষমাশীল দয়ালু। (৬; ১৪৫)

৫। إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ [١٦:١١٥]
অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন রক্ত, শুকরের মাংস এবং যা জবাই কালে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে। অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘন কারী না হয়ে নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (১৬; ১১৫)

 

 

Signature:

মোঃ ফজলুল হক www.mfhaq77.blogspot.com ও www.quickestwaytoquran.blogspot.com
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (870 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
হারাম, হারাম হারাম।
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.4k পয়েন্ট)

কোন যুক্তিতে হারাম বললেন একটু জানাবেন কি? রেফারেন্স কই? নাকি নিজের ব্যক্তিগত মতামত দিলেন ভাই?

0 টি ভোট

অবশ্যই হালাল। ইসলামে শুকরের গোশত খাওয়ার কথা নিষেধ করা হয়েছে কিন্তু শুকর কে সব কিছুর জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়নি।

উত্তর প্রদান করেছেন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
20 জুন 2013 "কম্পিউটার ও ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
+1 টি ভোট
5 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...