বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15k টি প্রশ্ন

16.7k টি উত্তর

5.8k টি মন্তব্য

6.3k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
1.2k বার প্রদর্শিত

ইসলামের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ কতটুকু গ্রহণযোগ্য? এটা পালন করা হালাল নাকি হারাম?

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

3 উত্তর

+1 টি ভোট

পহেলা বৈশাখ পালন করার সাথে হালাল বা হারামের সম্পর্ক নাই। যা কিছু হারাম তা আল্লাহ, কুরআন-হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন। যা কিছু হারাম তা পহেলা বৈশাখের দিন করা হারাম। যা কিছু হালাল তা পহেলা বৈশাখের দিন করা হালাল।

পহেলা বৈশাখ বাংলা সালের প্রথম তারিখ। 

"আমাদের জাতির পিতা ইব্রাহিম আঃ কে এই দিনে আগুনে ফালান হইছিল। আর সেই থেকেই এই অনুষ্ঠানের সুরু। " এই কথাটির সাথে একমত হতে পারলাম না। তবে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স দিলে তা পড়ে দেখতাম।

আপনি যদি আপনার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন প্রতি বছর স্বরণ করেন, এতে হালাল বা হারামের কিছু নেই।

তবে এখন পহেলা বৈশাখ পালন নিয়ে হালাল হারামের প্রসঙ্গে উঠছে তার কিছু কারণ আছে,

পহেলা বৈশাখ পালন করতে যেয়ে আমরা বিভিন্ন রকম প্রাণীর মূর্তি তৈরী করে নাচানাচি করে বেড়াচ্ছি, আমরা যেন মনে করছি বাংলা বা বাঙ্গালীর উৎস বা উৎসবের ক্ষেত্রে হিন্দুদের আনন্দের সাথে নিজেদের মিলিয়ে ফেলছি।

র‍্যালী কে নাম দিচ্ছি "মঙ্গল শোভা যাত্রা",

অনেক টেলিভিশনে দেখলাম ওটাকে বলছে আনন্দ শোভা যাত্রা। আসলে আমরা এখন মুসলিমের বৈশিষ্ট নিয়ে ভাবি না। সন্ধ্যার দিকে দেখলাম মঙ্গল দ্বীপ জালানো হচ্ছে।

কবে যে এরা বিয়ের সময়ের গয়নাকে মঙ্গল সূত্র বলা করবে, আমার চিন্তা হচ্ছে। (অনেক মূর্খ মুসলমান স্টার জলসা দেখতে দেখতে এটা শুরু করে ফেলেছেও হয়তো)

 

 

Signature:

www.shamuk.tk
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.4k পয়েন্ট)
সেদিন শুরু হয়ে গেছে। এখন মানুষ (কিছু ধনী মুসলিম মানুষ) বিয়েতে সাত পাকও ঘুরেছে জানলাম। আর জন্মদিনে বিয়ার পান করে তাল ঠিক রাখতে না পেরে বয়ফ্রেন্ডদের কাধে হেলান দিয়ে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়। কয়দিন পরে বলবে এত গরম, এত বেশি কাপড় পরে থাকা যায় না। ইবাদত, নৈতিকতা, আত্মিক উন্নতি এসব কি জিনিস ভাই? খায় না মাথায় দেয়?

" সেদিন শুরু হয়ে গেছে। এখন মানুষ (কিছু ধনী মুসলিম মানুষ) বিয়েতে সাত পাকও ঘুরেছে জানলাম। আর জন্মদিনে বিয়ার পান করে তাল ঠিক রাখতে না পেরে বয়ফ্রেন্ডদের কাধে হেলান দিয়ে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়। কয়দিন পরে বলবে এত গরম, এত বেশি কাপড় পরে থাকা যায় না। ইবাদত, নৈতিকতা, আত্মিক উন্নতি এসব কি জিনিস ভাই? খায় না মাথায় দেয়? "

super like vai

0 টি ভোট
আমাদের জাতির পিতা ইব্রাহিম আঃ কে এই দিনে আগুনে ফালান হইছিল। আর সেই থেকেই এই অনুষ্ঠানের সুরু। কারো পিতাকে যেদিন মারা বা কোনও কষ্ট দেওয়া হয়, সেতা তার সন্তানের উতসব হতে পারেনা। আর এই দিনে উতসবের নামে যে সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুলু চলে, তা প্রত্যেকটাই ইসলামের বিরধি,  এমনকি  শেরেক। তাই এই উৎসবকে আমরা মুসল্মান হিসেবে সবাই বরজন করি।
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.4k পয়েন্ট)
তথ্যসূত্র দিলে ভাল হত। কারণ, বিষয়টা অনেক পুরাতন দিনের এবং পহেলা বৈশাখ শুরুর ইতিহাস নিয়ে মতভেদ আছে। তবে সার্বিকভাবে এই উৎসবের বেশকিছু দিক ইসলামের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, মঙ্গলযাত্রা প্রভৃতি। এটা পালন করা যায় এসব অংশগুলো বাদ দিয়ে বা পরিবর্তন করে। আজ আমাদেরে কয়জন বাঙ্গালী ইসলামের মৌলিক কাঠামো অনুসরণ করে? শালীনতা দিনে দিনে কমে যাচ্ছে, নারী-পুরুষের অপ্রয়োজনীয় অবাধ মেলামেশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুশাসন কমে যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। ইসলাম মানবো আবার বিয়ের আগে প্রেমও করবো, খারাপ লোককে নেতা হিসেবে নির্বাচিতও করবো, ঘুষও নেব। আশ্চর্য মানসিকতা!
0 টি ভোট

এটি পড়ুন--

জিজ্ঞাসা-:জনৈক মন্ত্রী বলেছেন,”পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ইমান ও মুসলমানিত্ব যায় না।বরং পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দেশজ সংস্কৃতির চর্চা করবে। আর দেশজ সংস্কৃতিতে আমি লালিত না হলে, পক্ষে ধারণ না করলে আমার ইমান দুর্বল হয়ে যাবে।”এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?— Rahmat Ullah
জবাব : ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে সংস্কৃতি অর্থ সুসভ্য আচরণ, শিষ্টাচার ও উন্নত নৈতিক মূল্যবোধ। ইসলাম সেই সংস্কৃতি গ্রহণের অনুমোদন দিয়ে থাকে যা মুসলিম উম্মাহর জাতিসত্ত্বা ও ধর্মকে কলুষিত করে না। ইসলামী জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে যার এত আগ্রহ তার আগে ভাল করে জানা উচিত আল্লাহর কিতাব আল-কোরআন এবং সেই সঙ্গে রাসূল (সাঃ) এর সুন্নাহ তথা জীবনাদর্শকে। যদি এদু’টি তার জানা না থাকে তাহলে যারা জানে তাদের থেকে জেনে নিবে। অন্যথায় তার জন্য উচিত হল, ইসলামী জীবন ও সংস্কৃতির ব্যাপারে কোনোপ্রকার ‘’মন্তব্য’’ ও ‘’বক্তব্য’’ থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
আলোচ্য ব্যক্তির উক্ত জঘন্য মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, ইসলামী জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে তার আগ্রহ থাকলেও তিনি এ দু’টি বিষয়ে অজ্ঞতার মধ্যে আছেন কিংবা জেনে-বুঝে সত্যকে গোপন করছেন।
প্রকৃত সত্য হল,পহেলা বৈশাখ উদযাপনে মৌলিকভাবে কমপক্ষে পাঁচটি ইসলাম ও ইমান বিরোধী বিষয় রয়েছে–
1. ঈমান-আকিদাবিরোধী প্রথার প্রচলন। যেমন, জীবজন্তুর মূর্তি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা, মুখে উল্কি আঁকা,শাঁখা-সিঁদুরের রংয়ে (সাদা ও লাল) পোশাক পরিধান,রাখি বাঁধা, শাঁখা পরা, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়া। রাসূল (সাঃ)বলেছেন–”আল্লাহর নিকট তিন শ্রেণীর লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃনিত – ১ম শ্রেণী হচ্ছে যারা হারাম শরীফের মধ্যে কুফরী কার্যকলাপ করে। ২য় শ্রেণী হচ্ছে যারা ইসলামে থাকা অবস্থায় (মুসলমান হয়েও) জাহিলিয়্যাতের রীতি–নীতি ও আদর্শ (কাফের মুশরিকদের অনুকরন–অনুসরন) পালন করে। ৩য় শ্রেণী হচ্ছে যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত প্রবাহিত করে।” –বুখারী
2.বিজাতির অনুসরণ। বির্ধমীরা তাদের সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী ইংরেজী নববর্ষ পালন করে আর আমরা বাংলা সংস্কৃতি মতে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ পালন করি। অথচ রাসূল (সাঃ) বলেছেন– ”যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরন করবে সে ব্যক্তি সে জাতির মধ্যে গন্য হবে।” –আবু দাউদ
3.নগ্নতা, অশ্লীলতা, ব্যভিচারপূর্ণ অনুষ্ঠান। এই ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি নবীজী(সা.) বর্ণনা করেছেন–”চোখের যিনা হচ্ছে তাকানো, জিহ্বার যিনা হচ্ছে কথা বলা, অন্তর তা কামনা করে এবং পরিশেষে যৌনাঙ্গ একে বাস্তবায়ন করে অথবা প্রত্যাখ্যান করে।” –বুখারী ও মুসলিম
আল্লাহ পাক বলেছেন–”নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না, চাই তা প্রত্যক্ষ হোক আর পরোক্ষ হোক।”—সূরা আনআম-১২৯
4. গান ও বাদ্য ও মদ্যপানপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাসূলুল্লাহ(সা.) বলেছেন– “আমার উম্মাতের মধ্যে কিছু লোক হবে যারা ব্যভিচার, রেশমী বস্ত্র, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল বলে জ্ঞান করবে।” –বুখারী
5. সময় অপচয়কারী অনর্থক ও বাজে কথা এবং কাজ।আল্লাহ পাক বলেন– ‘‘সেই মুমিনরা সফলকাম হয়েছে, যারা বাজে কাজ থেকে বিরত থেকেছে।”–সূরা মুমিনুন : ১,৩)
”সুতরাং যে সংস্কৃতির মধ্যে এতগুলো ইমান ও ইসলামবিরোধী কর্ম বিদ্যমান;সেই সংস্কৃতি পালনে ইমান ও মুসলমানিত্ব যায় না নয়; বরং ইমান ও মুসলমানিত্ব থাকে না। এ সংস্কৃতিতে লালিত না হলে, পক্ষে ধারণ না করলে আমার ইমান দুর্বল হয়ে যাবে না নয়; বরং এ সংস্কৃতিতে লালিত হলে, পক্ষে ধারণ করলে আমার ইমান চরমভাবে অপমানিত হবে।”
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী

সুত্রঃ http://quranerjyoti.com

পূর্বে উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (87 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
2 টি উত্তর
+1 টি ভোট
5 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
+1 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
03 নভেম্বর 2012 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ak azad New User (3 পয়েন্ট)

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...