বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.3k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

6k জন নিবন্ধিত

+1 টি ভোট
134 বার প্রদর্শিত

Dese Islami Rasto Bebosta chalo hole Somossa kothay?
Akti muslim desh hisabe jodi islami rasto bebosta hole somossa'ta ki? Apnara ki chan'na apnar amar Maa BonRa Porda kore ber houk? Jodi apni nije'k muslim hisabe dabi koren, Quran'A ki Nari Netri'Tter kotha bola ache ki? Apnara ki bojhen na, Amader Rajnoitik neta'ra amader mofiz baniye lute pute khache? Ses kotha, jodi Islami Rasto bebosta chalu hoy,5WAQT namaz pora baddhota mulok hoy, ata ki apnar Ihokal o Pokokar'r jonno bhalo hobe na kharap hobe? Note:My this Question is only for Muslim members of Helpful Hub side.

"রাজনীতি ও প্রশাসন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Expert Senior User (899 পয়েন্ট)

4 উত্তর

+2 টি ভোট
বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই। কিন্তু তখন শাসন ক্ষমতায় ইসলামের প্রকৃত অনুসারী এবং সঠিক লোক থাকা জরুরী। এমন কোন ইসলামী দল নয় যারা শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দলগত স্বার্থ বজায় রাখতে ইসলামের কথা বলে। প্রকৃতভাবে ইসলাম করে এমন কোন দল তাদের আক্বীদা প্রকাশ করে দল গঠন করুক, ভোট-এ অংশ নিক, ভোট দেব ইনশাআল্লাহ। কিন্তু জামাতের মত কোন দল নয় যার প্রতিষ্ঠাতা সাহাবীর সমালোচনা করে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মারামারি-কাটাকাটি জরুরী নয়। মানুষের কল্যান করা (হোক সে মুসলিম বা অমুসলিম), মানুষকে সত্যের পথে আহ্বান করা জরুরী। আর একথাটাও গুরুত্বপূর্ণ যে ইসলাম তরবারীর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় নি। যেসকল যুদ্ধ হয়েছিল তা হয়েছিল মুসলিমদের আত্মরক্ষার জন্য ও প্রকৃত সত্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য। হযরত আলী (রাঃ) বলেছিলেন যে যদি কেউ ক্ষমতা চায় সে যেন গরীবদের মন জয়ের চেষ্টা করে।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.3k পয়েন্ট)
সেই সাথে ইসলামী দলটিকে অবশযই গোঁড়াপন্থী হওয়া চলবে না।
Bhai, apni khub sundor kore answer diyechen,apnake dhonnobad.

Kintu bhai,apnar answer'r upor bhitti kore akta Montobbo korte chai,

Apni'to janen, Bangladese Hijbut Tahrir name akta songgothon chilo, kintu bortomane sorkar tader ke nisiddho ghosona koreche, for ur kind information tara kono mara mari kata kati kore Songgothon'ti porichalito korto na. Sei Songothon'tir member sobai chilo Educated & stablished. Kintu maramari kata kati na korar jonno tara aj tara resticated.

Tader Prodhan dabi chilo dese Khelafat pritistha kora. Tini hoben deser Sobcheye obhiggo dhormio Neta.

130 koti Chatholic Cristian'r akjon Pope'ke follow kore. Ar amader 16 koti'r jonno ki amra akjon Khalifa niyogh korte parina. Apnar motamot asa korchi,ai bepare. Dhonnobad
হিযবুত তাহরীর সম্বন্ধে আমার ধারণা কম। যখন সংবাদপত্রে লেখালেখি হত তখন পড়ে যা জেনেছি সেটুকুই জানি। এখন ইসলাম শাসন করার আগে মানুষের মন জয় করতে চায়। মানুষকে প্রকৃত সত্য জানাতে চায়। জানার পরে মানার ব্যাপারে যার যার ইচ্ছা। কিছু লোক কখনোই না মানতে পারে বা সত্যকে উপলব্ধি করেও তা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে পারে। এখন এই লোকদের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ইসলামে নেই, তবে তারা যদি আপনার ন্যায়সঙ্গত কাজে বাধা দেয় তখন আপনার কর্তব্য তাকে আবার বোঝানো এবং এতেও ব্যর্থ হলে নিজ অস্তিত্বের জন্য প্রতিবাদ করতে হবে।

ইসলামের মূলনীতির একটি হল সৎ কাজে আহ্বান করা ও অসৎ কাজে নিষেধ করা। এখন এমন ব্যক্তিকে শাসক হওয়া উচিৎ যিনি আত্মিক জ্ঞানসম্পন্ন ও ইসলামী রীতিনীতি সম্বন্ধে জ্ঞানী।

অতএব, চাপিয়ে দেয়া ইসলামের নিয়ম নয় বরং জ্ঞান দিয়ে প্রকৃত সত্যকে জানানোই মূলকথা। যখন একজন মানুষ অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে পারবে কোনটি প্রকৃত সত্য তখন সেই তা মানতে শুরু করবে, তার উপরে সেটা আরোপ করা বা চাপানোর প্রয়োজন হবে না। তাই, আগে নিজেকে প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে হবে এবং পরে অন্যকে প্রকৃত সত্য বোঝাতে হবে।

নবী (সাঃ) ১৭ বছর বয়সে একটি সংগঠন তৈরী করেছিলেন "হিলফুল ফুযুল" নামে কিন্তু সেটা টেকেনি। এর পরে নবুয়ত লাভের পর মানুষকে সত্যের পথে আহ্বান করলেন। এবার যেই আসল সে আর ইসলাম ত্যাগ করল না। এই মানুষগুলো কি দেখে এত মুগ্ধ হয়েছিল যে তারা আর ইসলাম পরিত্যাগ করল না শত নির্যাতনের মুখেও। তারা কি নবী (সাঃ)-এর চরিত্র দেখে মুগ্ধ হয়েছিল? না, তারা নবী (সাঃ)-এর চরিত্র সম্বন্ধে আগে থেকেই জানত এবং তারাই নবী (সাঃ)-কে "আল-আমীন" উপাধি দিয়েছিল। তবে কি তারা ইসলামের রীতিনীতি দেখে মুগ্ধ হয়েছিল? না, ইসলামের রীতিনীতি সম্বন্ধে তখন বিশেষ কিছুই নাযিল হয় নি শুধু আল আলাক্বের ৫টি আয়াত ছাড়া যাতে আদেশ বলতে প্রথমেই ছিল পড়ার কথা। তাহলে তারা কি দেখে মুগ্ধ হয়েছিল? সেদিন হেরা গুহায় নবী (সাঃ)-কে এক আত্মিক শক্তি প্রদান করা হয়েছিল যে শক্তি ইসলাম গ্রহণকারীগণের অন্তরে নবীর (সাঃ) অন্তর থেকে সঞ্চারিত হত। ফলে তারা প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করেছিল আর তাই তারা পরবর্তীতে আর ইসলাম ত্যাগ করেন নি।

অতএব, আগে নিজেকে ইসলাম সম্বন্ধে জানতে হবে ও সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং সেই সাথে আত্মিক জ্ঞানও অর্জন করতে হবে। তা নাহলে নামাযও আদায় করবে আবার নাচ-বাজনাও খারাপ লাগে না; এভাবেই চলতে থাকবে।

আমি খুব কম জানা মানুষ। তাই, আমার জানাতে ও বোঝাতে অসম্পূর্ণতা ত্থাকাই স্বাভাবিক। যা জানি তাই জানালাম। আপনাকে ধন্যবাদ।
Apnake onek Dhonnobad, sundor kore bujiye bolar jonno.

Kintu amar akti bisoy kintu apni alochona koren nai, apnar theke oi bepare akta montobbo asa korchi,,

je Dese ba Bisse Musolman'der akjon Khalifa thakle kemon hoy????

130 koti Cristian'r jonno tara jodi akjon POPE nirbachito korte pare, amra ki pari na,,250 koti Mosolman'r jonno akjon Khalifa niyog korte??
হ্যাঁ, এরকম হওয়াটা বেশ ভাল। তবে তার আগে মানুষের মানসিকতাকে উন্নতি করিয়ে তার উপযোগী করতে হবে। যেমনঃ কিছু মানুষ আছে যারা নামায-কালাম করে আবার বিয়ের আগে প্রেম করাটা অপছন্দ করে না; পুরুষ-মহিলার অবাধ মেলামেশা নিষিদ্ধ বা অনুচিত এরকম কথা শুনলে তাকে বলে মধ্যযুগীয় নিয়ম, তাদেরকে তো আগে এর মূল সত্য বোঝাতে হবে। নতুবা আপনি যে খেলাফতের কথা বলছেন তা ফলপ্রসু হবে না বরং তার পতন অনিবার্য। কারণ এখন এইরকম মানুষের সংখ্যা বেশি। এইতো সেদিন শুনলাম এক ছেলে ও মেয়ে বিয়ে করেছে আবার সাত পাকও ঘুরেছে মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও। এসব অপসংস্কৃতির প্রভাব। দেওরের পক্ষে ভাবীর গা স্পর্শ করা নিষিদ্ধ (বিশেষ জরুরী দরকারে ভিন্ন কথা) কিন্তু আমাদের দেশের বিয়েতে গায়ে হলুদে কি হয়; হবু দেওর বা মেয়ের চাচাতো ভাই কনের মুখে হলুদ লাগিয়ে দেয়; একইভাবে হবু শ্যালিকা বা ছেলের চাচাতো-মামাতো বোনেরা বরের গায়ে-মুখে হলুদ লাগিয়ে দেয়। এখন এর বিরুদ্ধে বলতে গেলে আমাদের কি বলা হবে? জানি না। গায়ে হলুদ করা যাবে কিন্তু উপরোক্ত কাজগুলো বাদ দিতে হবে যদি কেউ ইসলামকে অনুসরণ করতে চায়। অতএব আগে দরকার মানসিকতার উন্নতি, তারপরে শাসন। এখন আপনি যে একজনকে সঠিক পথে ডাকবেন তার জন্য নিজেকে আগে সঠিক পথ জানতে হবে, সঠিক পথ যাচাই করার জ্ঞান অর্জন করতে হবে; তারপরেই না আপনি আরেকজনকে সঠিক পথের দিশা দিতে পারবেন। আত্মিক উন্নতি বাদে আমার আপনার কারোর পক্ষেই ইসলামের সব সত্যকে উপলব্ধি করা অসম্ভব। এত ইসলামিক দল, কারা সেই সিরতাল মুস্তাকিম মানে সরল পথে আছেন? কাদেরকে অনুসরণ করবেন? ৭৩ টা দল হবে এবং তার মধ্যে শুধু একটি দল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবে। এর জন্যই পড়তে হবে, জানতে হবে আর সেইসাথে নিজ নফসকে সংশোধন করতে হবে। এভাবেই পাওয়া যাবে সেই সরল পথ। নিজের চেষ্টাতে কোন ত্রুটি রাখা যাবে না। সার্বিক বিবেচনায় ইমাম মাহদীর (রহঃ) আগে এরকম (যেরকম খেলাফত আপনি বলছেন) সম্ভব বলে মনে হয় না।
+2 টি ভোট
লগিন না করে উত্তর দেওয়ার জন্য দুঃখিত। তবে আমি মুসলিম। শুরুতে বলবো জোর করে কাউকে ইসলাম ধর্মের অনুসারী বানানো যায় না। ইতিহাসে এমন কোন নজীর নেই সেখানে নবীঃ রসুলরা জোর করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইসলাম অবশ্যই শান্তির ধর্ম। আর এটা উপলব্ধি করেই অন্যরা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবে। ধরেন একটি মেস বাড়িতে আপনারা ২০ বন্ধু ভাড়া থাকেন । তার মধ্যে ১ জন হিন্দু। এখন আপনারা ঠিক করলেন প্রতি শুক্রবার দুপুরে গরুর গোশের খিচুরি রান্না করে খাবেন। কিন্তু হিন্দুরা গরুর গোস খায়না। এখন আপনারা কি এটা বলবেন যে সে খায় খাক না খায় না খাক সেটা আমাদের দেখার বিষয় না। আমরা গরুর গোসত খাবই। দরকার হলে সে না খেয়ে থাকবে। এটাই কি ইসলাম? ইসলাম কিন্তু একথা বলে না। ঐ একজনের জন্য হলেও তাদের গরুর গোসত খাওয়ার প্ল্যান বাদ দেওয়া উচিত। এবং অনেক জায়গায় এটাই হয়ে থাকে। তাই এমন কোন নিয়ম করা ঠিক না যেটা অন্য ধর্মের উপর আঘাত হানে। নামাজ পড়তে বাধ্যতামুলক করা হচ্ছে না কিন্তু নামাজ পড়তেও বাধা দেওয়া হচ্ছে না। নিজের মনের মধ্যে যদি ইসলাম না থাকে থাহলে নামাজ বাধ্যতামুলক করে কোন লাভ হবে না। নামাজ পড়বে আল্লাহর উপর ভয় ও বিশ্বাস রেখে। দেশে আইন করে নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক করাটা যুক্তিহীন। একটু পিছনের দিকে গেলে দেখা যায় এই দেশের জন্য ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ মিলে দেশ স্বাধীন করেছে। সেখানে অন্য ধর্মের লোক ছিল। অন্য ধর্মের মুক্তিযোদ্ধাও অনেক আছে। এটা ঠিক তারা সংখ্যালঘু কিন্তু তারাও অংশগ্রহন করেছে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় কিছু ধার্মীক মুসলমানরাই সেই সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল বর্তমানে যাদের কে রাজাকার বলা হয়। এখন সব ধর্মের মানুষ মিলে দেশ স্বাধীন করেছি তারা নিশ্চয় চাইবে না এটা সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হোক? সবাই চাইবে যার যার ধর্ম সে পালন করবে। আপনি নামাজ পড়া বাধ্যতামুলক করলে ইন্ডিয়াতে যে মুসলিম আছে তাদের পূজা করা বাধ্যতামুলক করে দিলে সেটা কি খুব ভালো হবে? এদেশে মুসলমানের সংখ্যা অনেক বেশি হলেও এই দেশের মানুষ ইসলাম কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে সুতরাং এদের দ্বারা ইসলামী রাষ্ট্রয় প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব না। তাই আমি মনে করি এটার কোন দরকার নেই। তবে ইসলামের উপর সরাসরি কেউ আঘাত করলে তা সকল মুসলিম কে প্রতিবাদ করতে হবে। এটা যে দেশেই হোক না কেন।

নারী নেতৃত্বের ব্যাপারে কিছুটা বিতর্কিত আছে। জামাত এর বিপক্ষে কিন্তু আবার ঠিকই খালেদা জিয়ার সাথে সমাবেশ করেছে। তবে ঐ এক নারীর কথায় কিন্তু পুরা দেশ চলে না। অনেক মন্ত্রী থাকে। রাষ্ট্রপতি থাকে। সবার সাথে পরামর্শ করেই এই দুই নারী দেশ চালান। তবে এই ব্যাপারে আমার একটু কম জানা আছে তাই আমি আর কিছু বলছি না। তবে অনেক জায়গায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে মেয়েদের কে ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ এই ধরনের নিয়ম চালুর করতেও দেখা গেছে।

তবে আরো একবার বলতে চাই জোর করে কাউকে নামাজ পড়ানো বাব হিজাব পড়ানো যায় না। আপনি জানেন কিনা জানি না বাংলাদেশের বাইরে ইহুদী রাষ্ট্রে থেকে অনেক বাংলাদেশী প্রবাসি  আছেন যারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহ ইসলামের সকল নিয়ম কানুন মেনে চলেন। যার ধারের কাছে মুসলিম দেশে থেকে আপনি বা আমিও এত নিয়ম মেনে চলতে পারি না। এটা কি রাষ্ট্রের দোষ? উদাহরন হিসাবেঃ সাউথ আফ্রিকার খেলোয়ার হাসিম আমলার কথা বলতে পারি। যিনি লম্বা দাড়ি রেখে ক্রিকেট খেলেন। তার জার্সিতে মদের কোম্পানীর বিজ্ঞাপন ব্যবহার না করার জন্য তাকে হাজার হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয় প্রতি মাসে। কিন্তু তারপরেও তিনি ইসলাম থেকে পিছু হটেননি। তার স্ত্রীকেও দেখা যায় হিজাব পরে খেলা দেখতে আসেন। তাই আমি বলবো নিজে চাইলে সব কিছুই হয়।
উত্তর প্রদান করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
ভাই, পুরোটুকু পড়লাম না। আপনি যেখানে বললে ১৯ জন প্রতি শুক্রবারে গরুর গোশত খাবে এই ব্যাপারটা নিয়ে বলি।

যেখানে ২০ জনের ১৯ জনই মুসলমান কাজেই গরুর গোশতে খাওয়াটাই স্বাভাবিক অন্তত সপ্তাহে একদিন। এখন গরু গোশত যে শুধু হিন্দু সেই ১ জনই খায় না এমনটা নাও হতে পারে, সেই ১৯ জনের যদি কারো এলার্জি থাকে তার জন্য নিশ্চই ডিমের ব্যবস্থা থাকে। সেক্ষেত্রে কারো এলার্জি না থাকলে শুধু সেই হিন্দু ছেলেটির জন্য ডিম রান্না হবে।

আমরা তো মেসের জীবনে এমনই করেছি।

"আর যেটা বললেন ১ জন খাইলে খাবে না খাইলে খাবেনা" এমন নীতি মনে হয় মুসলমান, হিন্দু, খ্রীষ্টান কেউই দেখাবে না।

তবে ভাই ফানলি একটা কথা বলি, যদি কোন মেসে অমন হয়েই থাকে তাহলে ঐ ১জন হিন্দুর থাকার দরকার কি ঐ ১৯ জনের সাথে!
আপনি পুরো লেখাটুকু পড়ে মন্তব্য করলে ভাল হত। তবে যে অংশটুকু নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছেন তা পরিস্কার করে দিতে চাই। আমি বলছি না ১ জন হিন্দুর জন্য ১৯ জন মুসলিম গরুর গোস খাবে না। কিন্তু একটা মেস এর নিয়ম আছে তারা এক সাথে টাকা তুলে বাজার করে এবং তা রান্না করে একসাথে খায় তাই সেখানে সবাইকে গরুর গোস খাওয়ার নিয়ম না করে যে যার ইচ্ছে মতন আলাদা করে অথবা বাইরে থেকে খেতে পারবে। ঠিক একই ভাবে বলতে চাই যার যার ধর্মের নিয়ম সে পালন করবে এর জন্য কোন প্রকার নিয়ম করার প্রয়োজন নেই।

তবে আপনার শেষ কথা টুকু শুনে খুব কষ্ট পেলাম। যা বুঝায় ৯০% মুসলিমের দেশে হিন্দু বা অন্য ধর্মের লোকের থাকার কি দরকার? একটু ভেবে দেখবেন এরকম অনেক অসাম্প্রদায়িক দেশ আছে সেখানেও মুসলিরা সংখ্যা লঘু। আপনি কি এটাই চান মুসলিমরা মুসলমান দেশে থাকবে আর হিন্দুরা হিন্দুদের দেশে থাকবে যা সম্পুর্ন আলাদা। যদি এরকম আলাদা থাকতো তাহলে তো একজন আরেকজন সম্পর্কে কিছুই জানতে পারতো না। আপনি ইসলাম ধর্ম প্রচার করবেন কিভাবে?

আপনি কি জানেন একজন লোক সৌদি আরবের মতন ইসলামিক দেশে থেকে ইসলামের ৯৯% নিয়ম মানে তাহলে সে জান্নাতে যেতে পারবে। আবার যে ইসলামিক পরিবেশে না থেকেও শত বাধার মধ্য দিয়ে ইসলামের ৯৯% নিয়ম মানে তাহলে সেও জান্নাতে যেতে পারবে কিন্তু প্রথম ব্যাক্তির তুলনায় দ্বিতীয় ব্যাক্তি জান্নাতের বেশি সম্মানজনক স্থানে যাবে। কারন সে অনেক প্রতিকুলতার মধ্যেও ইমান থেকে সরে যায়নি।
+1 টি ভোট
dhore nilam sompurno rupe sothik vabe islami shashon protistha holo. kintu desher sobai to r muslim nah. tai deshe islami shashon protistha hok sobai to chabe nah. apni proshno muslim der krte pare kintu bpr ta somogro bangladesher. ami muslim hisebe amr kno somossa nai, kintu bangladeshi hisebe amr somossa ase.
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (747 পয়েন্ট)
সঠিকভাবে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে অমুসলিমরা বরং এখনকার চেয়ে আরো ভাল অবস্থাতে থাকবে। কিন্তু সঠিকভাবে ইসলাম কয়জন মানে? মূল সমস্যাটা এখানেই। একজন মুসলিমের কর্তব্য ইসলামিক বিধি-নিষেধ মেনে চলার সাথে সাথে আত্মিক উন্নতি বা নফস-এর উন্নতিসাধন করা। দুটো কাজই সাবালক-সাবালিকা হওয়ার পর একসাথে শুরু করা উচিৎ। কিন্তু আজ কয়জন মুসলিমের ক্ষেত্রে এরকম হয়? এই উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারিত ও প্রসারিত হয়েছে অলী-আউলিয়াদের প্রচেষ্টাতে। তারা মানুষকে এই উভয় শিক্ষাতে শিক্ষিত করে তুলতেন। ফলে মানুষ প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করতে পারতেন সহজে এবং এভাবেই অনেক মানুষ ইসলামের সত্যকে গ্রহণ করেছিলেন। আর আজ বেশিরভাগ ইসলামী দল এই আত্মিক উন্নতির ব্যাপারে পরিস্কারভাবে কিছু বলেন না বা মোটেই বলেন না বা বলে থাকলেও এর সঠিক সমাধান দিতে ব্যর্থ হন। কিন্তু তাদের বেশিরভাগই তাদের এই ব্যর্থতা চেপে যান। সেইজন্যই পত্রিকাতে কিছু সংবাদ পাওয়া গিয়েছিল যেখান থেকে জানা গিয়েছিল যে আরবি শিক্ষক ছাত্রীকে ধর্ষন করেছিল। আমাদের অনেকেই মুসলিম কিন্তু রাস্তায় মেয়েরা গেলে তাকিয়ে থাকে দৃষ্টিকে সংযত না করে; মেয়েরা মাথায় বড় ওড়না ব্যবহার করে না বরং একপাশে দেয় আরেক পাশে দেয় না; নাচ-বাজনা পছন্দ করি, সন্তান এত রাতে বাইরে কি করে তার খেয়াল রাখি না; ঠিকমত যাকাত দিই না; অপরাধীকে প্রাপ্য শাস্তি দিই না; অন্যকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করি; অসম্ভব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় যাই এবং পরে ভলে যাই বা ব্যর্থ হই ইত্যাদি ইত্যাদি।

আসলে আমারা কেমন মুসলিম?
+1 টি ভোট
ভাই আমার  মন এ হয় আপনার আমার কোনও অসুবিধা হবে না। হবে সুধু নাস্তিকদের ।
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.3k পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
2 টি উত্তর
07 সেপ্টেম্বর "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
+1 টি ভোট
4 টি উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
12 ডিসেম্বর 2013 "রাজনীতি ও প্রশাসন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অচেনা পথিক Senior User (111 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
4 টি উত্তর
11 ডিসেম্বর 2012 "রাজনীতি ও প্রশাসন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rupak Khan Expert Senior User (899 পয়েন্ট)
+3 টি ভোট
7 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...