বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.2k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

5.9k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
504 বার প্রদর্শিত
মুখ দিয়ে একজন কিছু বললে বা ব্লগে কেউ ইসলাম কে কটাক্ষ করে কিছু লিখলে ইসলাম ধর্মের ক্ষতিটা কি হয়? নবী সাঃ এর যুগেও তো ইসলাম নিয়ে কাফেররা অনেক কটূক্তি করেছিল। তখন কি নবী তাদের সাথে যুদ্ধ বা প্রতিবাদ করেছিল? যুদ্ধ বা প্রতিবাদ কখন করবে যখন নাস্তিকরা মুসলিম দের ধর্মীয় কাজে বাধা দেবে। কিন্তু নাস্তিকরা কি কোন বাধা দিচ্ছে? এভাবে যদি আমরা আজ ইউটিউব কাল ব্লগ এবং পরশু টোটাল ইন্টারনেট সার্ভিসটা বন্ধ করে দেয় তাতে কাদের ক্ষতি হবে? মুসলিম জাতি আবারো পিছিয়ে পড়বে। নাস্তিকদের কটূক্তি কিংবা ইসলাম ধর্ম অবমাননা নিয়ে মুসলমানরা যত বেশি বাড়াবাড়ি করবে নাস্তিকরা তত ইসলাম ধর্মের পিছনে লাগবে। এটা ঠিক কেউ যদি ইসলাম অবমাননা করে তাহলে তার জন্য মৌখিক ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু এভাবে যদি বাড়াবাড়ি চলতে থাকে তাহলে একদিন দেখা যাবে ইন্টারনেট লাইনটাই বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ।
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য

2 উত্তর

+2 টি ভোট
নবী (সা-কে একদিন এক কাফির স্লামালাইকুম (আপনার ধ্বংস বা মৃত্যু হোক) বলে সালাম দিল। তখন নবী (সাঃ)-এর পাশে যিনি ছিলেন (খুব সম্ভবত মা আয়িশা (রাঃ)) তিনি ঐ কাফিরকে বললেন, "ওয়ালাইকুম" (মানে তোমারও তাই হোক)। তখন নবী (সা তাকে ভবিষ্যতে এরকম বলতে নিষেধ করলেন। এ থেকে বোঝা যায় যে তাদের সাথে কিরকম আচরণ করতে হবে।

এছাড়া, এতে আল্লাহ, নবী (সাঃ), এবং ইসলামের কোনই ক্ষতি হয় না। সব মানুষ নাস্তিক হয়ে গেলেও আল্লাহর কোন ক্ষতি নেই। যার যার ক্ষতি সে নিজেই করে থাকে। আমরা আজ আমাদের প্রথম ফরয (পড়া ও জ্ঞানার্জন করা) পালন না করায় আজ আমাদের এই অবস্থা। রাজা রামমোহন রায় বলেছিলেন যে অবিশ্বাসীরা ইসলামের যত ক্ষতি করেছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে গোঁড়াপন্থী মুসলিমরা।

যারা এরকম করছে তাদেরকে সঠিক তথ্য দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে বোঝাতে হবে। এরপরেও তারা না বুঝলে আর কিছু করার থাকে না। তবে তাদেরকে শুধু এই কারণে আঘাত করা অনুচিত। তখন অমুসলিমরা বিশ্বাস করবে যে ইসলাম আসলেই তরবারীর জোরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

খেয়াল করে দেখবেন যে যেসকল ব্যক্তি ইসলাম এবং নবী (সাঃ)-এর ব্যাপারে এরকম নেতিবাচক লেখা লিখেছেন তারা শুধু কোরান-হাদীসের বাংলা অনুবাদের উপর ভিত্তি করে এরকমটি করেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূল আরবীর প্রতিটি শব্দের সকল অর্থ বা যথার্থ অর্থ উল্লেখ করা হয় নি এবং পর্যাপ্ত দলিলাদি উপস্থাপিত হয় নি। এসকল ব্যক্তি যদি নিজেরা এর মূল তথ্য খুঁজতে চেষ্টা করত তবে তারাই তাদের নিজেদের ভুল বুঝতে পারত। এছাড়া, আলেমগণেরও ভুল আছে। তদের উচিৎ ছিল ব্লগে এসে এসব ভুল তথ্যের বিপরীতে আসল তথ্য দলিলাদি সহ যুক্তির সাথে উপস্থাপন করা। আর ব্লগ কর্তৃপক্ষের উচিৎ এরকম স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে লেখা পোস্ট যাচাই করে সেটিতে পর্যাপ্ত দলিল-প্রমাণাদি যোগ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করে লেখা প্রকাশ করা।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.3k পয়েন্ট)
মন্তব্য মুছে ফেলা হয়েছে।
+2 টি ভোট

ধরুন আপনার প্রেমিকা মাত্র একটি। এবং সেই প্রেমিকাকে আপনি চরম ভালো বাসেন, তাকে নিয়ে রাস্তায় হাটছেন (বউ কে নিয়েও ধরতে পারেন)।

রাস্তার একটী বা কিছু ছেলে আপনার বউকে বা প্রেমিকাকে ব্যাকসাউন্ড দিল, আপনার কি রাগ হবে না বলুন? আপনি কি চাইবেন না যেন আপনারা রাস্তায় বের হলে এমন ইভটিজিং না হোক!

আপনি কেমন কথা বললেন ভাই যে ইসলাম নিয়ে কেউ আজে বাজে লিখলে লিখুক, ক্ষতি কি, এত কিছু করার কি আছে?

আপনি শুধু ইন্টারনেট ব্যবহারের লোভে যারা নাস্তিক লেখা লেখির বিপক্ষে কথা বলছে, তাদের বিপক্ষে কথা বলছেন, আপনার কি আল্লাহ্‌ বা মহানবী (স) কে নিয়ে আজে বাজে উক্তি যদি কেউ লিখে তখন মুখ দিয়ে ছি! শব্দটিও বের হয়না, সেই জাতীয় লেখকদের অপছন্দ হয় না! 

পাছে যদি ইন্টারনেট সুবিধা না পান, তাই আপনার প্রেম ভালবাসাকে কেউ অবজ্ঞা বা ইভটিজিং করলেও চুপ করে থাকবেন!

আপনি ভাববেন না ভাই, ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে। তবু ইসলামের অবমাননা সহ্য করবেন না। অন্তত মুখে অবমাননাকারীদের বিপক্ষে বলুন।

 

 

Signature:

www.shamuk.tk
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.4k পয়েন্ট)
ধর্ম হচ্ছে একটা বিশ্বাস। আপনি যেমন ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেন ঠিক হিন্দুরাও তাদের ধর্মে বিশ্বাস করে। আরো আছে বৈদ্ধ খ্রিস্টান। ঠিক একইভাবে যারা নাস্তিক তারাও একটা বিশ্বাস নিয়ে থাকে। ইসলামে মুর্তিপুজা করা নিষেধ অথচ হিন্দুরা মুর্তিপুজা করছে। শুধু তাই না ঐ মুর্তিকে সৃষ্টি করতা বানাচ্ছে। ব্যাপারটা মুসলিমদের কাছে হাস্যকর। কিন্তু এটা বলতে গেলে কি হিন্দু ধর্ম অবমাননা করা হয়? খ্রিস্টানরা যিশুকে আল্লাহর পুত্র বলে। এটা বলে কি তারা ইসলাম অবমাননা করছে না? আমরা বলবো অবশ্যই না কারন এটা তাদের বিশ্বাস। তাই তারা এটা করতেই পারে। ঠিক একিভাবে নাস্তিকরা একটা বিশ্বাসের মধ্যে আছে। তারা কোন ধর্মে বিশ্বাসী না তবে তাদের বিশ্বাস সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই। তাই তারা অন্য ধর্মের বিশ্বাসী লোক দের বিশ্বাস নিয়ে বিভিন্ন রকম কথা বলতেই পারে। তাই কারো মুখের কথা নিয়ে যদি আমরা এরকম করি তাহলে বিশ্বে এক সময় যুদ্ধ বেধে যাবে। তারা কিন্তু আপনার কানে কানে গিয়ে ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করছে না। তারা তাদের মতন ব্লগে লিখেছে। তাদের মতামত প্রকাশ করেছে। আপনার সমস্যা হলে আপনি এড়িয়ে যেতে পারতেন।

যারা ধর্ম অবমাননা করছে তাদের শাস্তি হোক। এটা আমিও চাই। তাই জন্য তাদের হত্যা করতে হবে? বা ফাঁসি দেওয়ার আইন করতে হবে? ইসলামে এই ধরনের কোন বক্তব্য আছে নাকি? নাস্তিক হলেই তার ফাঁসি দিতে হবে এটা কোন ধরনের কথা? তাহলে তো কাল বলবেন যারা হিন্দু তাদেরও ফাঁসি চাই। প্রত্যেকের আলাদা আলাদা বিশ্বাস আছে তাই তারা অন্য ধর্মকে নিয়ে নানা রকম মতামত প্রকাশ করতেই পারে। তবে ধরে নিলাম তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। এর জন্য কি বাংলাদেশ সরকারের কাছে একটি স্বারকলিপি দিলেই হতনা? যদিও সরকার দুই-চার জনকে আটক করেছে।

হেফাজত ইসলাম বা আলেমগন কোন শান্তিপুর্ন কর্মসুচি করেনি। তাদের রাগ গণজাগরণ মঞ্চের উপর। আর কেন এই রাগ তা তো বুঝাই যাচ্ছে। জামাতের রাজনৈতিক এজেন্ডা সফল করার জন্য হেফাজত ইসলামকে নাস্তিক বিরোধী আন্দোলনে নামিয়েছে। আর এর সাথে আলেমগন হুজগে যোগ দিয়েছে। আপনি ভুলে জাবেন না এই হেফাজত ইসলাম চট্টগ্রামে সমাবেশ করতে দেয়নি। এই হেফাজত ইসলাম বিএনপি ও জামাতের সুরে কথা বলে ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্টদের নাস্তিক বলেছেন। এমনকি ইমরান এইচ সরকারকেও। আমি স্বীকার করছিয় আন্দোলনকারীদের মধ্যে নাস্তিক দুই একজন থাকতেই পারে কিন্তু তারা ইসলাম বিরোধী কোন দাবী করছে না। মুক্তিযুদ্ধার সময় কিন্তু অনেক চোর ডাকাত এবং অনেক খারাপ লোকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন। তাই বলে কি মুক্তিযুদ্ধ চোরদের যুদ্ধ হয়ে যাবে? হেফাজত ইসলাম কাদের হেফাজত করার জন্য নেমেছে তা বুঝাই যাচ্ছে। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তি হোক এবং তার যতটুকু প্রাপ্য। তবে হেফাজত ইসলামের বিচার হওয়া দরকার তারা নাস্তিক আন্দোলণের নামে জামাত কে হেফাজত করেছে।
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কারণ, আমি একজন সামান্য শিক্ষার্থী। এখন, কোন ব্যক্তির মা, বোন, স্ত্রী বা এরকম কেউ যদি যথার্থ শালীনতার সাথে চলাফেরা করেন, তবে কেউ তাকে উদ্দেশ্য করে কোন বাজে মন্তব্য করবে বলে আমি অবিশ্বাস করি। কিন্তু বোরকাও পরলাম, আবার পায়ের নুপুরের ঝুমুর থেকে শব্দও হল, হাতা পরলাম কিছুটা স্বচ্ছ ধরণের, সাথে তীব্র সুগন্ধী। এখন এতে কি আসল শালীনতা বজায় থাকে? আল্লাহই বলেছেন যারা যথার্থভাবে শালীনতা বজায় রেখে চলাচল করবে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহই মানুষের মন সবচেয়ে ভালভাবে জানেন।

আল্লাহ, ইসলাম বা নবী (সাঃ)-এর সম্বন্ধে কেউ কোন খারাপ কথা বললে আসলেই আল্লাহ, ইসলাম, নবী (সাঃ)-এর কোন ক্ষতি হয় না। বাজে লোকের কথায় সম্মানী লোকের সম্মান যায় না বরং এতে করে তার সম্মান আরো দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, এতে করে নতুন মানুষেরা কৌতূহলী হয় এবং তার সম্বন্ধে জানার চেষ্টা করে। অবশেষে সত্যি জানতে পারে এবং সেই সম্মানী ব্যক্তির পরিচিতি ও সম্মান আরো বেড়ে যায়। এখন আমাদের ভেতর যারা জ্ঞানী তাদের কর্তব্য হল ঐসব ব্লগের বিপরীতে প্রকৃত সত্য তথ্য তুলে ধরা। এখনকার সময়ে মসজিদে খুব কম সংখ্যক ইমামগণ শালীনতার কথা, নারীদের মোহরানা ও সম্পত্তি যথাযথভাবে প্রদান করার কথা, দুর্নীতি না করার কথা, প্রতিবেশীর সাথে খারাপ ব্যবহার না করার কথা, যাকাত দেয়ার কথা কম বলেন। তারাই অনেক ক্ষেত্রে ইসলামের গভীর ও সূক্ষ্ণ বিষয়গুলো সম্বন্ধে পরিস্কারভাবে কিছু জানাতে পারেন না। আর ইন্টারনেট-এর কথা শুনলেই নাক সিটকান। তারা (বেশিরভাগ ইমাম বা ধর্মীয় নেতা) তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ইন্টারনেট-এ এরকম লেখা খুব নতুন বিষয় নয়। এরকম চলছে বেশ আগে থেকে। কিন্তু এখন এসব নিয়ে জামাতের মত দল ফায়দা হাসিল করতে চাচ্ছে। তারা যদি নবী (সাঃ) এতই ভালবাসেন। তবে কেন আগে কখনো এর বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে প্রতিবাদ করলেন না। সব দলের স্বার্থে। মওদূদী সাহেব সাহাবী মুয়াবিয়ার (রাঃ) সমালোচনা করেছেন। মুয়াবিয়া (রাঃ) জীবদ্দশাতে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীগণের একজন। আমরা কম জানি, তাই ঐসব ব্যক্তির লেখা পোস্টের বিপরীতে যথার্থ যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হই। আমাদের আরো লেখাপড়া করা কর্তব্য। আর ধর্মীয় নেতাদের উচিৎ প্রকৃত সত্যকে জানানো।
অজ্ঞাত সদস্য,

ইসলাম আসলে কোন ধর্ম না, ইসলাম একটা জীবন-বিধান। জীবনে কিভাবে চলতে হবে তার সকল নিয়মাবলী ইসলামে উল্লেখ করা হয়েছে আর নবী (সাঃ) তা ব্যবহারিকভাবে করে দেখিয়েছেন।
আসল মুসলমান হলে আল্লাহ্‌, কুরআন, মহানবী (স) কে নিয়ে অবমাননা হলে আমাদের গায়ে লাগতো। আমরা তো সাচ্চা মুসলমান না, চলুন আমরা তাহলে সবকিছু এড়িয়ে যাই।
সবকিছু এড়িয়ে যাওয়ার কথা তো অভিমানের কথা। যারা এসব কথা লিখেছে তাদের সেইসব লেখার বিরুদ্ধে লিখতে হবে, আমরা না পারলে কোন পণ্ডিত ব্যক্তির সাহায্য নিতে হবে। কিন্তু এর জন্য মারামারি বা হানাহানি করা অনুচিত। দেশে দুর্নীতি হয়, পর্ণ ওয়েবসাইট চালু থাকে, বিদেশী সংস্কৃতির অশালীন দৃশ্য-সম্বলিত চ্যানেল টিভিতে চলে, সন্ত্রাসীরা সমাজের ক্ষতি করে- এসব কিছুর বিরুদ্ধে কেন এমন আন্দোলন উনারা করেন না? তাদের দায়িত্ব কি শুধু নবী (সাঃ)-এর বিরুদ্ধে লেখলে কেবল তখনই প্রতিবাদ করা? (!) বিষয়টা অনেক ক্ষেত্রে এরকম- নবী (সাঃ)-এর অপমান সহ্য করা যাবে না কিন্তু তার সব কথা মানার ও পালনের ক্ষেত্রে গড়িমসি। আগে থেকে ইসলামের বাণী ও প্রকৃত সত্য প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা করবে না কিন্তু কেউ বিরুদ্ধে কিছু বললে তাকে জ্ঞান দিয়ে না বুঝিয়ে ধরতে হবে আর মারতে হবে।
ধন্যবাদ আপনাদের কে। একজন বললেন যে আসল মুসলিম হলে গায়ে লাগতো। আমি বলতে চাই অবশ্যই আমার গায়ে লেগেছে। কিন্তু গুটি কয়েকজন ইসলাম অবমাননাকারীদের জন্য দেশে অশান্তি শুরু হবে এটা কিন্তু আমরা কেউ চাই না। আন্দোলন কি অন্যভাবে করা যেত না? নোংরা রাজনীতির মধ্যে ইসলাম কে টেনে আনার কি দরকার? সরকারের সাথে আলাপ করলেই তো সমস্যা সমাধান হয়ে যেত। হেফাজত ইসলামের আলেমগন নির্বিচারে যাকে তাকে নাস্তিক বলছেন। এটা কি মিথ্যাচার নয়? একাত্তর টিভিতে হেফাজত ইসলামের কর্মসুচি সরাসরি প্রচার করার সময় একাত্তর টিভির কর্মীদের উপর হামলা করেছে। যেখানে টিভিতে দেখা গেছে সেখানে থাকা পাঞ্জাবী টুপি পড়া লোক হামলা করছে সেখানে কিনা তারা তাদের এক বক্তব্যে বলেন যে এটা ছাত্রলীগের কাজ। এতেই প্রমানিত হয় তারা রাজনীতির সুরে কথা বলছেন। তারা আলেম হয়ে যদি এরকম মিথ্যাচার করেন তাহলে তারা নবী সাঃ এর সম্মান রক্ষার আন্দোলন কিভাবে করবে বুঝতে পারছি না। নবীর আদর্শ তাদের মধ্যে নেই। শাহবাগের নাস্তিকরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে যেভাবে শান্তিপুর্নভাবে সমাবেশ করেছে এই নবীর আদর্শে গঠিত হেবাজত ইসলাম কি তার ধারের কাছেও যেতে পেরেছে? তারা গণজাগরণ মঞ্চ ভাংচুর করেছে। শহীদ মিনার চোখের সামনে ভাংচুর করেছে। মসজিদের মধ্যে আগুন ধরিয়েছে। কক্টেল মেরেছে। এই তাদের আদর্শ? এটা সত্যি এই কাজ গুলো জামাতের লোকজন করেছে। কিন্তু যা জামাত তাই হেফাজত এটা দিবালোকের মতন সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে। এখন যিনি আমার কথার বিরোধিতা করবেন তিনি হয়তো জামাত পন্থী হতে পারেন। কিন্তু জামাত পন্থীদের সাথে তর্কে যাব না। যদি নিরপেক্ষ কেউ থাকেন তাহলে আসেন।
তবে আমি একটা কথা বলতে চাই যখন কোন ব্লগার ইসলাম অবমাননা করে আপত্তিকর কিছু বলে তার বিচার সেখানেই হয়। সেখানে কমেন্ট করে অন্যরা প্রতিবাদ জানায়। অনেকে গালাগালিও করে তবে আমার কথা হচ্ছে ব্লগের আলোচনা ব্লগের মধ্যেই রাখা উচিত। এটাকে বাইরে বের করলে বড় ধরনের সমস্যা ঘটবে। ইন্টারনেট কে কখনো আটকাতে পারবেন না। বাইরের দেশ থেকে যখন এরকম করবে তখন বাংলাদেশের সরকারের তা ধরার কোন ক্ষমতা থাকে না। শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে নিজেকেই ইন্টারনেট বর্জন করতে হবে। সেটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। তবে তারপরেও বলবো নাস্তিকদের বিচার হোক। কিন্তু জামাত ও হেফাজত যে ইসলাম কে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করে ইসলাম অবমাননা করছে তারও বিচার হোক। ইসলামের নামে আন্দোলন করে অইসলামীক কাজ করা আরো খারাপ।
প্রিয় অজ্ঞাত সদস্য, গায়ে লাগলে আপনি হেফাজতে ইসলামী সাথে মাঠে না নামলেও অন্তত মৌন সম্মতি দিতেন, বা তাদের উদ্দেশ্যে বলতেন, আপনারা শান্ত হোন, আল্লাহ্‌ ঐ ব্লগারদের বিচার করবেন ইত্যাদি, ইত্যাদ।

আপনি জামাতকে এর সাথে টানছেন কেন? অবশ্য এর উত্তর জানা আছে বলছি।

আল্লাহ্‌, মহানবী (স), ইসলাম নিয়ে অবমাননা কারীদের বিচারের দাবী তুলছেন যারা তারা কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে আসেনি। আপনার এলাকায় কি কখনও শুনেছেন হেফাজতে ইসলামী থেকে নির্বাচন করছেন "অমুক" বা তারা মোট কয়টি আসনে নির্বাচন করেছেন।

আসলে এই আন্দোলনে আমি মনে করি আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টি সকল রাজনৈতিক দলের লোক কম পরিমাণে হলেও শরীক হয়েছে। আর জামাতের লোক বেশি শরীক হতে পারে, কারণ তারা নামাজ বেশি পরে। আমরা যারা অন্যান্য দল করি তারা তাদের সাথে সবাই আন্দোলনে যাচ্ছি না, অনেকেই মনে করছি আমি অমুক দল করি গেলে লোকে কি ভাববে। কিন্তু জামাত তা ভাবছে না।

আসলে আমাদের দেশের অনেক লোক ব্লগ বা ব্লগার শব্দটি প্রথম শুনছেন। অনেকে মনে করছেন, ব্লগারের নাস্তিক হয়, ব্লগার মানেই নাস্তিক। আসলে এরা ইন্টারনেট জগতের সংগে অত পরিচিত না। তাই অল্প জেনেই মনে করছে ব্লগার মানেই নাস্তিক।

আর আপনি এই আন্দোলনে প্রায় সবার মাথায় টুপি ও মুখে দাড়ি দেখে অন্য বোকা লোকদের মত ভাবছেন এরা জামাত।
হেফাজত ইসলামের সমাবেশে কয়েক লক্ষ্য লোক ছিল। এর মধ্যে কিছু সংখ্যক জামাতের লোক থাকতেই পারে। সমস্যা তো এটা নিয়ে নয়। জামাত ইসলাম খারাপ হতে পারে কিন্তু তারাও নাস্তিকদের বিচার দাবী করার অধিকার রাখে। আমি বলতে চেয়েছি জামাত ইসলাম হেফাজত ইসলাম কে নিয়ন্ত্রন করছে। আর যদি বিশ্বাস না করেন তাহলে বেশি না আপনাকে শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই। শাহবাগের আন্দোলন থেকে আপনি কখনো ইসলাম বিরোধী কোন বক্তব্য দিতে শুনেছেন? আমি শুধু বক্তব্যের কথা বলছি কারন বক্তব্যে অনেকেই মুখ ফসকে বলেও ফেলতে পারে তাই। আজ পর্যন্ত কেউ ইসলাম বিরোধী কোন শব্দ উচ্চারনও করেনি আর ইসলাম অবমাননা তো দুরের কথা। তাদের ৬ দফা দাবীর মধ্যেও কোথাও উল্লেখ নেই। তাদের সব বক্তব্য জামাত কে ঘিরে। এরকম অবস্থায় হেফাজত ইসলাম শাহবাগের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান করলো কেন? কেন ঐ দিন চট্টগ্রামে সমাবেশ করতে দিল না? এই প্রশ্নের উত্তর আপনি দিতে পারবেন না। এমনকি হেফাজত ইসলামের নেতারাও এই প্রশ্নের যৌক্তিক কোন উত্তর দিতে পারবেন না। এটা যে জামতের হুকুমে বা জামাত কে বাচানোর জন্যে অথবা জামাতের প্রয়োচনায় করেছে তা কিভাবে বলবে বলেন? ঐ দাড়ি টুপি পরা হুজুররা ছাড়া দেশে কি আর কোন মুসলমান নেই? তারা সকল মুসলমানদের সমর্থন পেত কিন্তু তারা তো গোড়ায় ভুল করেছে শাহবাগের বিরোধিতা করে। আমি বলছিনা তাদের শাহবাগ কে সমর্থন করতে। কিন্তু তারা বিরোধিতা না করে যদি তাদের মতন তারা আন্দোলন করতো তাহলে সব ঠিক ছিল। এক কথায় বলবো শাহবাগ নিয়ে হুজুররা মিথ্যাচার করেছেন। তাই তাদের পক্ষে যেতে পারছি না কিন্তু ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তি হোক একজন মুসলিম হিসাবে আমি এটা চাই।

প্রতিবাদ করতে হবে, তবে কৌশলে । তর্ক করে কখনও কাওকে বিশ্বাস দেওয়া যায় না

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...