বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14,418 টি প্রশ্ন

16,046 টি উত্তর

5,637 টি মন্তব্য

5,759 জন নিবন্ধিত

9 Online
0 Member And 9 Guest
Today Visits : 15268
Yesterday Visits : 16714
All Visits : 13738364

ইসলাম ধর্মে ইসলাম বা নবী সাঃ কে নিয়ে যারা কটূক্তি করবে তাদের প্রতি কি করতে বলা হয়েছে?

0 টি ভোট
606 বার প্রদর্শিত
কুরআনে নিশ্চয় এই সম্পর্কে কিছু বলা হয়েছে। দয়া করে মনগড়া উত্তর দেবেন না। যারা ইসলাম সম্পর্কে খুব ভাল জানেন তারা উত্তর দেবেন।
11 মার্চ 2013 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য

3 উত্তর

+1 টি ভোট
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যে এখানে আপনি বিশেষজ্ঞ ইসলামি পণ্ডিত পাবেন (তার সম্ভাবনা ১% বা ০%)। আমি যতটুকু জেনেছি তার বেশিভাগের হুবহু উদ্ধৃতি দিতে অক্ষম এই মূহুর্তে।

আমি একটা হাদীস পড়েছিলাম। সেখানে লেখা আছে যে এক কাফির নবী (সাঃ) কে স্লামালাইকুম ( যার বাংলা অর্থ আসে আপনার ধ্বংস বা মৃত্যু হোক) বলে সালাম দিলেন। মা আয়িশা (রাঃ) তখন ঐ কাফিরের উদ্দেশ্যে বললেন ওয়ালাইকুম (মানে তোমারও তাই হোক)। কিন্তু নবী (সাঃ) তাকে নিষেধ করলেন ভবিষ্যতে এরুপ বলতে। অর্থাৎ নবীজী (সাঃ) পারলে তাকে শাস্তি দিতে পারতেন কিন্তু তিনি তা না করে ধৈর্য্যধারণ করলেন। ইসলাম কখনো তরবারী বা অন্যয় বিপ্লবের দ্বারা ক্ষমতা দখল করে না বরং জ্ঞান দিয়ে সত্য বোঝাতে হবে। আর যেসকল যুদ্ধ হয়েছিল সেগুলো হয়েছিল মুসলমানদেরকে অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য।

তাই যারা খারাপ বলছে তাদেরকে জ্ঞান দিয়ে বোঝাতে হবে। শুধু এই কারণে তাদের মেরে ফেললে বা হত্যা করলে বিধর্মীরা ইসলামকে আরো খারাপ ভাববে। কোরান-হাদীস আরবীতে হওয়ায় এর অনুবাদ পড়ে বুঝতে কোন সমস্যা হলে আরবীতে কি বলা আছে তা জানার ও বোঝার চেষ্টা করা কর্তব্য (এটা না করার জন্য অনেকে আল্লাহ, নবী(সাঃ), ও ইসলাম সম্বন্ধে ভুল বোঝে; নাস্তিক হয় প্রভৃতি)।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
11 মার্চ 2013 উত্তর প্রদান করেছেন ju1111 Expert Senior User (6,284 পয়েন্ট)
ভালো লিখেছেন। সম্মত ভোট পেলেন।
আপনাকে ধন্যবাদ। সূত্র উল্লেখ করার ইচ্ছা ছিল কিন্তু কোন বই থেকে পড়েছিলাম তা খুঁজে পেতে বেশ সময় লাগবে। পরে পেলে উল্লেখ করার ইচ্ছা থাকল।
ভাই ,অন্তত এতটুকু জানেন কি না জানিনা "আবু লাহাব মহানবী(সাঃ) কে একবার অবিসম্পাত করেছিল এই বলে "হে মুহাম্মাদ তোমার ধ্বংশ হোক " তখন আল্লাহ পাক সূরা আবু লাহাব নাযিল করলেন , যার প্রথম আয়াতের অর্থই হচ্ছে ধ্বংশ হোক আবু লাহাবের দুই হাত । সূত্রঃ সকল তাফসিরুল কুরআন ।
সূরা লাহাবের নাযিল হওয়ার ঘটনা হলঃ

রসুলুল্লাহ (সাঃ) একটি আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরে সাফা পর্বতে আরোহণ করে কোরাঈশ গোত্রের উদ্দেশ্যে আবদে মানাফ ও আব্দুল মুত্তালিব ইত্যাদি নাম সহকারে ডাক দিলেন (এভাবে ডাক দেয়া তখন আরবে বিপদাশংকার লক্ষণরূপে বিবেচিত হত)। ডাক শুনে কোরাঈশ গোত্র পর্বতের পাদদেশে একত্রিত হল। রসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ যদি আমি বলি যে, একটি শ্ত্রুদল ক্রমশঃই এগিয়ে আসছে এবং সকাল বিকাল যে কোন সময়ে তোমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, তবে তোমরা কি আমার কথা বিশ্বাস করবে? সবাই একবাক্যে বলে উঠলঃ হ্যাঁ, অবশ্যই বিশ্বাস করবো। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি (শিরক ও কুফরের কারণে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নির্ধারিত) এক ভীষণ আযাব সম্পর্কে তোমাদেরকে সতর্ক করছি। একথা শুনে আবু লাহাব বললঃ ধ্বংস হও তুমি, এজন্যেই কি আমাদের একত্রিত করেছ? অতঃপর সে রসুলুল্লাহ (সাঃ) কে পাথর মারতে উদ্যত হল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সূরা লাহাব অবতীর্ণ হয়।

সূরা লাহাব থেকে এটা স্পষ্ট যে, আল্লাহ তা'আলা আবু লাহাবকে অভিশাপ দিয়েছেন। কিন্তু তাকে হত্যা করতে হবে বা শাস্তি দিতে হবে একথা সূরা লাহাবের কোন আয়াতে নেই। আল্লাহ যদি মনে করতেন যে আবু লাহাবকে হত্যা করা উত্তম, তবে তিনি সুরা লাহাবে বা অন্য কোন সূরায় তা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতেন যে, আবু লাহাবকে আপনি (রসুলুল্লাহ (সাঃ)) বা  আপনারা বা তোমারা হত্যা করুন বা শাস্তি দিন।

আল্লাহ আবু লাহাবকে অভিশাপ দেয়াই সর্বাধিক উত্তম মনে করেছেন। অতএব, আল্লাহর সিদ্ধান্তের চেয়ে একধাপ বেশি বোঝা কি ঠিক বা জ্ঞানীর কাজ হবে? যেমনঃ একধাপ বেশি বোঝা কিছু মুসলিম মেয়েদের মুখমণ্ডল, হাতের কব্জি পর্যন্ত, ও পায়ের পাতা টাখনুর নীচ পর্যন্ত খোলা রাখার স্বাধীনতাকে এড়িয়ে গিয়ে পুরো শরীর পর্দার নামে ঢেকে রাখতে বাধ্য করে বা প্রভাবিত করে। আর এরকম মুসলিমদের জন্যই আজ ইসলামকে অনেকেই ভুল বোঝে।
0 টি ভোট

ইসলাম ধর্মে ইসলাম বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামকে নিয়ে যারা কটূক্তি করবে তাদের প্রতি কী করতে বলা হয়েছে- জানতে হলে নীচের লিংক টিতে ক্লিক করুন।



(১) মৃত্যুর আগের বিধান


আর



(২) মৃত্যুর পরের বিধান

26 এপ্রিল 2013 উত্তর প্রদান করেছেন সাহায্য Junior User (48 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
হত্যা করতে হবে তবে সেই দেশে ইসলামী সরকার এটা বাস্তবায়ন করবে ।
15 মার্চ 2016 উত্তর প্রদান করেছেন এইচ এম আসলাম খান New User (12 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
+1 টি ভোট
2 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...