বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
34 বার প্রদর্শিত

প্লিজ আমার কথাগুলো পড়ে আমাকে  আপনারা একটু পরামর্শ দিন

   আমার বয়স ২১ বছর। আমি নিয়মিত নামাজ পড়ি ও ইসলামিক চর্চা করি। আমি সকল সময় পাক -পবিত্র থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু এই পবিত্র থাকাটাই আমি যেন একটু অতিরিক্ত করে ফেলি।যেমন -  বাড়িতে বা রাস্তায় থাকাকালীন প্যান্টে বা লুঙ্গিতে যদি কোনো সন্দেহজনক পানির ছিটানি এসে পড়ে তো তখন থেকেই মনে খুঁত খুঁত ভাব হয় এবং যদি অন্য প্যান্ট পরি তাহলে আমাকে ভালো লাগে। আবার আমার ঘরের মেঝে মুছে পরিস্কার করে নামাজ পড়ি, কিন্তু যখন কাউকে দেখি যে সে আমার ঘরে এসেছে অথচ তার পা টা অপরিস্কার আছে তখন যতক্ষণ না আমি সেই মেঝে মুছবো ততক্ষণ আমার মনের এই সন্দেহ ভাব যায় না। আবার রাত্রে যদি স্বপ্নদোষ হয় এবং আমার পূর্ণ বিশ্বাস থাকে যে বিছানার চাদর পবিত্র আছে, কিন্তু পরক্ষনেই আবার মনে হয় বিছানার চাদরটা কেচে দিলেই ভালো হয়,যদি বিছানা না কাচা হয় তো তাতে ঘুমোতে কেমন যেন একটা ভাব হয়।কখনো কখনো বাড়ি থেকেও কমপ্লেন আসে যে -অত খুঁত খুঁত করলে কি হয়, বোনেরা বলে -ভাইয়া র যেন একটু বেশি বেশি!

      আমি কি এই পাক-পবিত্র থাকাটাই একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলছি? যদি করে থাকি তাহলে আমি কি করবো?

      প্লিজ আপনারা কুরআন ও সুন্নাহ এর আলোকে আমাকে একটু পরার্মশ দিন

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট

দলিল-সূত্র উল্লেখ করতে পারছিনা বলে দুঃখিত।


ইসলাম মানবিকতা ও ন্যায়সঙ্গত সীমার মধ্যে থেকে মানুষের সহজাত স্বভাবকে সমর্থন করে। আর ইসলামে বলা হয়েছে আমাদেরকে মধ্যমপন্থা অনুসরণ করতে। ইসলাম এমন কিছু করতে অনুপ্রাণিত করেনা যা মানুষের জীবনকে জটিল করে তোলে (কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে)।


আপনার অভ্যাসগুলো শুচিবায়ু সমস্যার মধ্যে পড়ে যেটা অভ্যাস আর মানসিকতা বদলানোর দ্বারা ঠিক হয়ে যাবে।


সবসময় পবিত্র থাকার চেষ্টা করা ভাল কিন্তু ব্যবহারিক জীবনে আমাদের পরিবেশ সবখানে পবিত্র থাকেনা আর এটার সাথে মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে।


ইবাদত বাদে অন্য সময়ে পোশাক ও দেহ পবিত্র রাখা কখনো আবশ্যিক নয়, রাখলে ভাল; নাপাক অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করা যায়, তাঁর জিকির করা যায়। তাই আমরা কেন অনাবশ্যিক বিষয়কে আবশ্যিক অভ্যাসের মত করে জীবনযাত্রাকে কষ্টকর করে তুলবো? 


আপনি যা করতে পারেন

১ নামাজের জন্য আলাদা পোশাক রাখতে পারেন

২ জায়নামাজে নামাজ আদায় করুন (ক্বাবা ঘর বা মসজিদে নববীর বা ওরকম ছবিযুক্ত জায়নামাজ বাদে)

৩ পূর্ণ বিশ্বাস থাকার পরেও বিছানার কাপড় কেঁচে আপনি অপচয় করছেন পানি, সাবান-ডিটারজেন্টের। তাই অপচয়ের দিকটা খেয়াল করুন। হাদিসে অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই বলা হয়েছে।

পূর্বে উত্তর প্রদান করেছেন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
25 মার্চ 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
25 মে "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রাজু১২ New User (8 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
01 ফেব্রুয়ারি "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
1 উত্তর
22 মার্চ 2017 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Saidur Rahman
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...