বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.2k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

6k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
284 বার প্রদর্শিত
আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ঈশ্বরকে বিশ্বাস করি এবং আমরা শ্রদ্ধার সাথে পূর্জা করি। কিন্তু ঈশ্বরকে দেখতে পাইনা। ঈশ্বর আছেন না নাই তা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। তাই জানতে চাই আদৌ কি ঈশ্বর আছেন না নাই। প্লিজ স্যার আমাকে জানান।

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য

3 উত্তর

+1 টি ভোট

আস্তিক আর নাস্তিকদের মধ্যে এই নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক রয়েছে। সৃষ্টিকর্তা আছে কিনা এটা নিয়ে দুই পক্ষই পর্যাপ্ত যুক্তি তুলে ধরে। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই পৃথিবীতে যা কিছুই হচ্ছে তার পিছনে একটা অদৃশ্য শক্তি অবশ্যই কাজ করছে। এটাই সৃষ্টিকর্তা। প্রায় প্রত্যেক ধর্মেই কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে যা মেনে চললে পরকালে সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে পুরস্কৃত করবেন এবং আমাদের খারাপ কাজের জন্যে শাস্তি দিবেন। মানুষ যদি আঘাত পেলে ব্যাথা বা কষ্ট না পেত, মানুষ যদি মারা না গিয়ে সারা জীবন বেঁচে থাকত, বা মৃত মানুষকে আবার জীবত করার ক্ষমতা যদি মানুষের থাকত তাহলে না হয় সৃষ্টিকর্তাকে ভয় না পেলেও চলতো। এখন আপনি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করলেন না, কিন্তু মৃত্যুর পর দেখলেন সৃষ্টিকর্তা সত্যিই রয়েছে। তখন কি আপনি পারবেন আর ফিরে আসতে?? নিশ্চয় নয়। তাই প্রত্যেক মানুষকেই যেহেতু মরতে হবে তাই তাদের উচিৎ সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে নেওয়া। কিছুক্ষণের জন্য ধরে নিচ্ছি আপনি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন না। এখন আপনি দেখছেন রাস্তা দিয়ে এক লোক টাকার ব্যাগ হাতে করে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে আপনার সংসারে অভাব। আপনি ঐ লোকটাকে মেরে টাকাগুলো নিয়ে নিলেন। কারণ আপনার মনে সৃষ্টিকর্তার ভয় নেই। আপনি তো ঠিক কাজই করেছেন! মানুষের জীবনের তো কোনো উদ্দেশ্য নেই। ঐ লোকটাকে মেরে তো ভালো কাজই করেছেন। মরার পরে তো আর কিছুই নেই। মৃত্যুর সময় হয়তো একটু কষ্ট পেয়েছে তারপর তো মাটির সাথে মিশে যাবে। তার পরিবারও না খেয়ে মরবে। তাতে আপনার কি? আপনি তো আপনার প্রয়োজন মিটিয়ে নিচ্ছেন। ঠিক এরকমই আপনার মতন চিন্তা যখন সবাই করবে তখন পৃথিবীতে হানাহানি আর যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। শুরু হয়ে যাবে ক্ষমতার অপব্যবহার। পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এই সব সমস্যার সমাধান দিয়েছে আমাদের ধর্ম। ধর্ম আমাদেরকে একটা নিয়ম দিয়েছে। যাদের মনে সৃষ্টিকর্তার ভয় নেই তারা যেকোনো কিছুই করতে পারে। দেখবেন যারা ধর্মে বিশ্বাসী তারাও খারাপ কাজ করে। তারা যখন একটা খারাপ কাজ করে ঠিক সেই মুহূর্তে তারা সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে থাকে। মানুষ তো জানে হত্যা করলে ফাঁসি হবে, তবুও হত্যা করে কেন? কারণ তারা সেই মুহূর্তে সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে থাকে অথবা তারা এটা মনে করে যে, তার এই হত্যাকান্ডের কোন বিচার হবে না, হয়তো সে কোনোভাবে রক্ষা পেয়ে যাবে। সুতরাং সৃষ্টিকর্তা থাকলেও মানুষের জন্যে এই ধর্মটা জরুরী আবার সৃষ্টিকর্তা না থাকলেও মানুষের জন্যে এই ধর্মটা জরুরী। শুতরাং সৃষ্টিকর্তা আছে কিনা এটা নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে, আপনার সৃষ্টিকর্তা কোনটা? আল্লাহ্‌, ভগবান নাকি যীশু? এটা নিয়ে বিভ্রান্ত হতেই পারেন। আর এই বিভ্রান্ত কাঁটাতে হলে আপনাকে প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থ বেশি বেশি পড়া লাগবে। আর সর্বপ্রথম আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে। সৃষ্টিকর্তাকে দেখতে পাচ্ছেন না বলে যে বিশ্বাস করবেন না, তাই যদি হয় তাহলে আপনি যে আপনার মায়ের সন্তান সেটাও বিশ্বাস করবেন না। কারণ আপনি তো আর দেখেন নি আপনার জন্ম কিভাবে হয়েছে! তাই দেখা যাচ্ছে না বলে যে বিশ্বাস করা যাবে না, এটা ভেবে নেওয়াটা অযৌক্তিক। ধর্ম একটাই তবে, এটা বিকৃত হতে হতে এখন এর অনেক ডালপালা গজিয়েছে, যার ফলে আসল ধর্ম কোনটা এটা বুঝতে গেলে আপনাকে ধর্ম নিয়ে একটু গবেষণা করতে হবে। 

আমি একজন মুসলিম। আমি আপনাকে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার জন্য অনুরোধ করছি। আমি শান্তিতে বিশ্বাস করি। তাই একজন মুসলিম হিসাবে আমি আপনাকে ইসলামের দাওয়াত দিতেই পারি। আর অন্য ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে জানা দোষের কিছু নয়, আমি নিজেও অন্য ধর্মগ্রন্থ ও নাস্তিকদের অনেক বই নিয়ে সামান্য পড়াশুনা করেছি। আমার বিবেক ও বুদ্ধি দিয়ে ইসলাম ধর্মকেই সত্য বলে মনে হয়েছে। যদিও আমি জন্মগত ভাবেই মুসলিম কিন্তু ইসলামের সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে চলতাম না। তবে পরবর্তীতে ইসলাম নিয়ে আরেকটু পড়াশুনা করে এখন সবগুলো নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করি। ভাল থাকবেন। 
উত্তর প্রদান করেছেন আস্তিক
0 টি ভোট

   আমরা অনেক কিছুই দেখতে পাইনা কিন্তু সেগুলোর অস্তিত্ব টের পাওয়া যায় যেমন: বাতাস দেখা যায় না, বিদ্যুত তরঙ্গ দেখা যায় না ইত্যাদি, কিন্তু এগুলো আছে। বিদ্যুত আবিষ্কারের আগেও কেউ কখনো বিশ্বাস করতে চেয়েছিল যে সেটা আছে? যারা উপলব্ধ করেছিলেন তারা এর খোঁজে মনোযোগী হয়েছিলেন এবং তা আবিষ্কার করেছেন। আজকের যুগে রক্ত, ডিএনএ পরীক্ষা ও জন্মের সময় থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত ঘটনাগুলো একজন মানুষকে দেখিয়ে সহজেই বিশ্বাস করানো যাবে যে কে তার আসল পিতামাতা কিন্তু এসব পদ্ধতি যখন ছিল না তখন যারা পিতামাতার পরিচয় বিশ্বাস করত শুধু শুনে তারা নিশ্চয় ভুল করেনি। 


     ঠিক তেমনি আপনি উপলব্ধ করার চেষ্টা করলে সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন। ঈশ্বর আছেন এবং তিনি একজনই যিনি সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ করেন, হতে পারে কিছু কিছু কাজের দায়িত্ব তিনি তার অধীনস্থ অন্য কারোর উপর দিয়েছেন, তাই বলে তারা কিন্তু ঈশ্বর নন। নিয়ন্ত্রণ করার অধিকারী একের বেশি হলে বিশৃঙ্খলা হবেই- এতে কোনো সন্দেহ নেই।


     কিছু কিছু বিজ্ঞানী মত দিয়েছেন যে এই মহাবিশ্ব শূণ্য থেকেই তৈরি হয়েছে এবং এর মূলে কোনো বুদ্ধিদীপ্ত কিছু বা কেউ আছেন। এমনকি নাসার তোলা ছবি পর্যবেক্ষণ করে কারো কারোর মাথায় চিন্তা ঢুকেছে যে, ঈশ্বর ১৭০০০ আলোক বর্ষ দূরে আছেন  যদিও এটা শুধু অনুমান।



Recently, Michio Kaku, theoretical physicist at the City College of New York and known as one of the developers of the revolutionary String Theory that describes how all particles are actually vibrating strings, and how these strings propagate through space and interact with each other, found evidence of a Higher Being, which he described as the action of a force “that governs everything”.

“I have concluded that we are in a world made by rules created by an intelligence. Believe me, everything that we call chance today won’t make sense anymore. To me it is clear that we exist in a plan which is governed by rules that were created, shaped by a universal intelligence and not by chance. The final solution resolution could be that God is a mathematician. The mind of God, we believe, is cosmic music, the music of strings resonating through 11-dimensional hyperspace.”



 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.3k পয়েন্ট)
0 টি ভোট

সকল ধর্মেই অদৃশ্য এক বা একাধিক অস্তিত্বে বিশ্বাস করছে। যা বহু বছর ধরে চলমান। একেক ধর্মে একেক নামে, ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে পূজা, অর্চনা, ইবাদত কিংবা আরাধনা করে আসছে। আর একটি মিথ্যা বা বানোয়াট বিষয় কখনোই এভাবে যুগের পর যুগ ধরে টিকে থাকত না। যদি তা মিথ্যা হতো। So you have to Earn it by your own. Please Try.

উত্তর প্রদান করেছেন abc

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
08 মার্চ "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...