বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
481 বার প্রদর্শিত


"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন New User (2 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+1 টি ভোট
 
নির্বাচিত

হিজাব বা পর্দা [নারী ও পুরুষ্]

হিজাব সম্পর্কে আল কুরআন ও সহীহ হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে। প্রধানত নিয়ম ৬টি।
[পুরুষ ও মহিলাদের উভয়ের জন্য] 
১।পুরুষদের জন্য নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত ঢেকে রাখতে হবে।মহিলাদের জন্য মুখ ও হাতের কব্জি ছাড়া সমস্ত দেহ ঢাকতে হবে।
 ২।যে সব পোশাক পরিধান করবে তা কোন প্রকার আটসাট হবে না যে,তাদের শরীরের গড়ন বোঝা যাবে। 
৩।পোশাক পরিচ্ছদ সচ্ছ হবে না, যাতে ভেতর থেকে দেখা যায়্।
৪।পোশাক পরিচ্ছদ আকর্ষনীয় হবে না যা বিপরীত ব্যক্তিকে আকর্ষন করে।
 ৫।এ পোশাক পরিচ্ছদ এমন হবে না ,যা অমুসলিম্দের মত ,যেমন খ্রিস্টানদের ক্রস হতে পারবে না। 
 ৬।এমন পোশাক পরিধান করা যাবে না,যা বিপরিত লিংগের পোশাকের মত। হিজাব বলতে শুধু পোশাক বোঝায় না। কোন ব্যক্তির আচরন ,ব্যবহার্,দৃষ্টি, ভংগি এমনকি ইচ্ছাকে বোঝায়্।পোশাক পরিচ্ছদের পাশাপাশি চোখ্, মন্,চিন্তা এমনকি হৃদয়ের হিজাব থাকবে। 
 আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্নিত,নবী করিম (সা) বলেছেন যে, মহিলারা হলো পর্দায় থাকার বস্তূ । সুতরাং তারা যখন পর্দা ছাড়া বাহিরে আসে,তখন শয়তান তাদেরকে (অন্য পুরুষের চোখে সুসজ্জিত করে দেখায়্। [তিরমিযী] 

 নবী করিম (সা) বলেন্, যে ব্যক্তি কোন অপরিচিত নারীর প্রতি যৌন লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে, কিয়ামতের দিনে তার চোখে উত্তপ্ত গলিত লোহা ঢেলে দেয়া হবে।
[ফাতহুল কাদির্]

উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (121 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
0 টি ভোট

ছেলেদের পর্দাঃ


১. জামা পরতে হবে যা হাতের কব্জি পর্যন্ত এবং কোমরের নিচ পর্যন্ত ঢেকে রাখতে পারে, প্যান্ট কমপক্ষে হাটুর নিচ পর্যন্ত ঢাকতে পারে- এরকম হতে হবে,


২. বিনা প্রয়োজনে মেয়েদের দিকে তাকানো যাবে না, অনিচ্ছাকৃতভাবে চোখ পড়ে গেলে তৎক্ষণাৎ দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে হবে,


৩. আঁটসাঁট ও স্বচ্ছ পোশাক পরা যাবে না,


৪. বিয়ে করা যায়- এরকম সম্পর্কের মেয়েদের সাথে হাসিঠাট্টা করা যাবে না, বিনা দরকারে কথা বলা যাবে না।



মেয়েদের পর্দাঃ


১. মুখমণ্ডল (মাথার চুল ঢেকে রাখতে হবে), হাতের আঙুল থেকে কবজি পর্যন্ত, ও টাখনুর নিচ থেকে পায়ের পাতা খোলা রাখা যাবে আর সমস্ত শরীর ঢেকে নিতে হবে,


২. এমন কাপড় পরতে হবে যার দ্বারা শরীরের গঠন বোঝা যাবে না ও ত্বক দেখা যাবে না,


৩. মৃদু প্রকৃতির সুগন্ধী ব্যবহার করা যাবে যার গন্ধ আশেপাশে ছড়ায় না অর্থাৎ যে সুগন্ধী শুধু শরীরের দুর্গন্ধকে দূর করে এরকম,


৪. মুখে লিপিস্টিক বা মেকআপ করা যাবে না,


৫. বিয়ে করা যায়- এরকম সম্পর্কের পুরুষের সাথে হাসিঠাট্টা করা যাবে না ও তাদের দিকে তাকানো যাবে না বিনা প্রয়োজনে,


৬. এমন অলঙ্কার পরতে হবে যা থেকে কোনো শব্দ হয় না,


৭. একটা বড় কাপড় বা চাদর দিয়ে মাথা ঢেকে বুকের সামনে ফেলে দিতে হবে।


ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য সাধারণ পর্দাঃ


১. কারোর রুমে প্রবেশ করার সময় অনুমতি নিতে হবে,


২. অমুসলিমদের ধর্মীয় আচারের সাথে সম্পর্কিত এরকম পোশাক বা চিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না


মনে রাখা কর্তব্যঃ


মেয়েদের পর্দা = বোরকা - এটা ভুল ধারণা, সালোয়ার-কামিজ বা শাড়ী যদি উপরের নিয়ম মেনে পরা হয় সেটাও পর্দা হবে। নিজ ঘরে যদি পরপুরুষ বা পরনারী (যার সাথে বিয়ে বৈধ) না থাকে তাহলে পোশাকের পর্দা শিথিলযোগ্য কিন্তু সেক্ষেত্রে সাবধান থাকা জরুরি যেমনঃ বাইরে থেকে যদি ঘরের ভেতরের পরিবেশ দেখা যায়- এমন ক্ষেত্রে।

উত্তর প্রদান করেছেন

ছেলেদের পর্দাঃ


১. জামা পরতে হবে যা হাতের কনুইয়ের নিচ পর্যন্ত এবং কোমরের নিচ পর্যন্ত ঢেকে রাখতে পারে, প্যান্ট কমপক্ষে হাটুর নিচ পর্যন্ত ঢাকতে পারে- এরকম হতে হবে।
0 টি ভোট

জবাব: ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, অশ্লীলতা ও ব্যভিচার নিরসনের লক্ষ্যে নারী-পুরুষ উভয়েরই তাদের নিজ নিজ রূপ-লাবণ্য ও সৌন্দর্যকে একে অপর থেকে আড়ালে রাখার জন্য ইসলামে যে বিশেষ ব্যবস্থা অবলম্বন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, তাকে হিজাব বা পর্দা বলা হয়। (আল মু‘জামুল ওয়াসীত ১/১৫৬) সুতরাং এমন হিজাব ব্যবহার করতে হবে, যা এই উদ্দেশ্য পূরণ করে।

নারীর হিজাবের বৈশিষ্ট্যাবলি হচ্ছে:

এক- চেহারা, বক্ষ ও মাথাসহ সারা দেহ ঢেকে রাখা : নারীদের চেহারা, বক্ষ, চুল ও দেহসৌষ্ঠব দর্শনে পুরুষমাত্রই দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এতে তাদের মধ্যে কুচিন্তার উদ্রেক হওয়া স্বাভাবিক। এই শর্তটি আল্লাহ্‌ তাআলার এ বাণীতে রয়েছে: يُدۡنِينَ عَلَيۡهِنَّ مِن جَلَٰبِيبِهِنَّۚ “তারা যেন তাদের জিলবাবের কিয়দংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়।” (সূরা আল-আহযাব: ৫৯)

এ আয়াতে ‘জালাবীব’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ‘জিলবাব’ শব্দের বহুবচন। আরবী অভিধানের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘লিসানুল আরাব’ (১/২৭৩)– এ লেখা হয়েছে, ‘জিলবাব’ ওই চাদরকে বলা হয় যা মহিলারা নিজেদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকার জন্য ব্যবহার করে।
অভিধান থেকে সরে গিয়ে মুফাসসিরগণের বক্তব্য দেখলেও জানা যায়, ‘জিলবাব’ এমন কাপড়কে বলে যদ্বারা মহিলারা নিজেদের শরীর ঢাকেন। ‘জিলবাব’ অর্থ বড় চাদর, যা দ্বারা মুখমণ্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায়। (কুরতুবী, আল-জামে‘ লিআহকামিল কুরআন :  ১৪/২৪৩)

দুই- পরিধেয় পোশাক ঢিলেঢালা হওয়া, যেন দেহের মূল কাঠামো প্রকাশ না পায়। কেননা, আঁটসাঁট পোশাক যদিও দেহ ঢেকে রাখে, কিন্তু এর দ্বারা নারী-দেহের স্পর্শকাতর অংশ বোঝা যায় এবং পুরুষের চোখে মোহ জাগায়। আর আল্লাহ্‌ বলেছেন, وَلَا يُبۡدِينَ زِينَتَهُنَّ“তারা যেন তাদের সজ্জা প্রকাশ না করে”। (সূরা আন-নূর: ৩১)

অন্যত্র বলেছেন, وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى“আর মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না।” (সূরা আহযাব: ৩৩)

তিন- পরিধেয় কাপড় এতটা পাতলা ও স্বচ্ছ না হওয়া, যাতে ভেতরটা দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে নবী বলেন,

يكون في آخر أمتي نساء كاسيات عاريات على رؤوسهن كأسنمة البخت العنوهن فإنهن ملعونات ” زاد في حديث آخر :”لا يدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وإن ريحها لتوجد من مسيرة كذا وكذا

“আমার উম্মতের শেষ যামানায় এমন কিছু নারী আসবে যারা পোশাক পরা সত্ত্বেও উলঙ্গ। তাদের মাথার উপরে থাকবে খোরাসানি উটের কুঁজের মত (অর্থাৎ তারা নিজেদের চুলের সাথে অন্য কাপড় বা পাগড়ী বেঁধে মাথাকে বড় করে ফুটাবে)। তোমরা তাদেরকে লানত কর। কেননা তারা লানতের উপযুক্ত।” অন্য এক রেওয়ায়েতে বর্ধিত অংশ হচ্ছে: “তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। জান্নাতের সুবাসও পাবে না; যদিও জান্নাতের সুবাস এত এত দূর থেকে পাওয়া যাবে।” [সহিহ মুসলিমে আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত হাদিস]

ইবনে আব্দুল বার্‌র বলেন, নবী বুঝাতে চাচ্ছেন, যে সকল নারী এমন হালকা কিছু পরিধান করে যা শরীরকে আচ্ছাদিত না করে ফুটিয়ে তোলে; এমন নারীরা নামেমাত্র পোশাক পরিহিতা, প্রকৃতপক্ষে এরা উলঙ্গ। (সুয়ুতি ‘তানওয়িরুল হাওয়ালিক’ গ্রন্থে (৩/১০৩) ইবনে আব্দুল বার্‌র থেকে উদ্ধৃত করেছেন)

চার- পোশাক এতটা আকর্ষণীয় ও জাঁকজমকপূর্ণ এবং সুগন্ধি মাখানো না হওয়া, যাতে পুরুষ আকর্ষিত হয়।  কেননা, এজাতীয় পোশাক দ্বারা হিজাবের উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। আবু মুসা আল-আশআরী রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,

قال رسول الله ﷺ :أيما امرأة استعطرت فمرت على قوم ليجدوا من ريحها فهي زانية

রাসূলুল্লাহ্‌ বলেছেন, “যে নারী সুগন্ধি মেখে (পুরুষ) জনসমষ্টির পাশ দিয়ে গমন করে যাতে করে তার সুগন্ধি তাদের নাকে লাগে সে নারী ব্যভিচারী।” (মুসনাদে আহমাদ: ৪/৪১৮)

আসকালনী রহ. বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার কারণ সুস্পষ্ট। যেহেতু সুগন্ধি যৌন কামনাকে চাঙ্গা করে তোলে। আলেমগণ সুন্দর পোশাক, চোখে পড়ে এমন অলংকার, উৎকট সাজগোজ এবং পুরুষদের সাথে অবাধ-মেলামেশাকেও এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন। (ফাতহুল বারী: ২/২৭৯)

পাঁচ- পুরুষের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হওয়া: যেহেতু বেশ কিছু সহিহ হাদিসে পোশাক-আশাকে কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে পুরুষের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণকারী নারীকে লানত করা হয়েছে। যেমন, একটি হাদিস এরকম–

لعن رسول الله الرجل يلبس لبسة المرأة والمرأة تلبس لبسة الرجل

আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ মহিলার পোশাক পরিধানকারী পুরুষকে এবং পুরুষের পোশাক পরিধানকারী নারীকে লানত করেছেন। (আবু দাউদ: ৪০৯৮)

ছয়- কাফের নারীদের পোশাকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হওয়া:

আমর ইবন শুয়াইব তার বাবা থেকে, আর তার বাবা তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, বলেছেন,

لَيْسَ مِنَّا مَنْ [ص:تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا، لَا تَشَبَّهُوا بِاليَهُودِ وَلَا بِالنَّصَارَى

“যে অন্য সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য বা মিল রেখে চলে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়, তোমরা ইয়াহূদী ও নাসারাদের সাথে সাদৃশ্য রেখো না।” (চাল-চলন, বেশ-ভূষায় তাদের অনুকরণ করো না)। (তিরমিযী: ২৬৯৫)

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
সুত্রঃ http://quranerjyoti.com
উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (92 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
21 অগাস্ট 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানভীর
0 টি ভোট
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2013 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
+3 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
5 টি উত্তর
29 মার্চ 2013 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
1 উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...