বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

+1 টি ভোট
309 বার প্রদর্শিত
গল্পের বই পড়া বা বিক্রয় করা সম্পর্কে ইসলামী শরিয়াহ কি বলে?এটা কি করা যাবে (এখানে শালীন বই, যেমন কিশোর উপন্যাস, ঈষপের গল্প, sci-fi এগুলো পড়া বা বক্রয়ে কি কোন বাধা আছে?

 

 

Signature:

১৩ বছরের বালকের লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (-9 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট

গল্পের বই পড়া জায়েজ হবে কিনা তা নির্ভর করছে এগুলোর বিষয় বস্তুর উপর । এগুলোতে যদি এমন কিছু থাকে যা বাস্তব ও ইসলামের নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক তবে তা দেখা বা পড়া হারাম । অনেকে বলবে আমরা কেবল বিনোদনের জন্য এগুলো দেখি বা পড়ি এবং সময় কাটানোর মাধ্যম । কিন্তু এমন বিনোদনের অনুমতি নেই যেটা হারাম এবং একজন ঈমানদারের জন্য সময় অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস ।  আবু হুরাইরা (রা) বলেন , রাসূল্লাহ ( সা) বলেছেন , একজন ব্যক্তির ইসলামের পরিপূর্ণতার একটি লক্ষণ হল যে, তার জন্য জরুরী নয় এমন কাজ সে ত্যাগ করে । ( জামে তিরমিজী ২২৩৯)। আর আপনি সাইন্স ফিকশানের কথা বললেন এই সাইন্স ফিকশন এর বইতে অনেক কুফরি বিষয় নিয়ে লেখা থাকে যা ইসলামের সাথে সাঙ্গঘর্ষিক নয়।

উত্তর প্রদান করেছেন
0 টি ভোট

জবাব : গল্পের বই পড়া জায়েজ হবে কিনা তা নির্ভর করছে এগুলোর বিষয়বস্তুর উপর । এগুলোতে যদি এমন কিছু থাকে যা বাস্তব ও ইসলামের নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক তবে তা পড়া জায়েয হবেনা।বলতে পারেন আমরা কেবল বিনোদনের জন্য, সময় কাটানোর জন্য এগুলো পড়ি । কিন্তু এমন বিনোদনের অনুমতি নেই যেটা হারাম এবং একজন ঈমানদারের জন্য সময় অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস । আবু হুরাইরা (রা.) বলেন , রাসূল্লাহ ( সা.) বলেছেন , একজন ব্যক্তির ইসলামের পরিপূর্ণতার একটি লক্ষণ হল যে, তার জন্য জরুরী নয় এমন কাজ সে ত্যাগ করে। –জামে তিরমিজী ২২৩৯)। আর আপনি সাইন্স ফিকশান, হিস্টোরিক্যাল, মিথলোজির কথা বললেন এগুলোতে অনেক সময় কুফরি বিষয় নিয়েও লেখা থাকে যা ইসলামের সাথে সাঘর্ষিক ।অনেক ক্ষেত্রে তা ঈমান-আকিদা নষ্টের ‘কারণ’ হয় এবং নাস্তিকতার প্রতি ধাবিত করে।পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,’’মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।”–সূরা লোকমান : ০৬
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
সূত্রঃ http://quranerjyoti.com
উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (92 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
2 টি উত্তর
05 ডিসেম্বর 2015 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ahmad666 Junior User (39 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
19 জুন 2017 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Khan Sunny New User (0 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
06 সেপ্টেম্বর 2016 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন hosnara১২ New User (0 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
+1 টি ভোট
1 উত্তর
25 জুন 2015 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন King khan New User (1 পয়েন্ট )
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
28 ডিসেম্বর 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন এম এ সালাম তালুকদার New User (18 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
2 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...