বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.2k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

5.9k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
256 বার প্রদর্শিত

ami eka na hoyeo eka. amar ekta chele ke khub valobashi.but amo jani na chele ta kothai thake.....ekhon kemon ache...ami or sathe 2 year age coaching korsilam....ami ok fb te o khuje pacchi na.....ami shudhu jani or naam ar o kothai pore.....ami ekhon eka na hoye o eka....oke ami kotodin dekhi ni....tobu o chele ta amar mone ekhono kolpona hoye ache.....ami ekhono ok valobashi....eta to amar  oddrissho valobasha...ekta manush ke na dekhe o valobasha....i love him...i love him...i love him.....

"সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন diya
সম্পাদিত করেছেন
সেই ছেলের নামটা কি এবং সে কোথায় পড়ে জানান। এমনো তো হতে পারে ঐ ছেলে আপনার এই লেখা পড়ে হয়তো আপনার সাথেই যোগাযোগ করলো।

chele tar naam rouf.  oke ami kokhono  dekhte pabo neki jani na. but amar hridoy theke ami oke dekhbo......i love him.....<3<3<3ami asha kori oke  16 koti manush er moddhe khuje  pabo.....jodi ami oke valobeshe thaki.......please pray for me.........


1 উত্তর

0 টি ভোট

         প্রশ্নে অনেক কিছুই অজানা। আপনি কি একাকিত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় বা পদ্ধতি জানতে চাচ্ছেন? মানুষের আবেগ বিভিন্ন মাত্রার হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিশোর-কিশোরী বয়সে আবেগ বড় রকমের প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়। তারপরে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এর পরিবর্তন ঘটে। যারা বেশি সম্পদশালী তাদের ক্ষেত্রে এরকম সমস্যা বেশি হয়, স্বচ্ছল পরিবারেও এটা হয়। দেখা যায় যে, সম্পদশালী মানুষেরা সম্পদ গরার দিকেই বেশি সময় ব্য্য করার জন্য পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে পারে কম। ফলে শিশুরা সঙ্গ বা নির্ভরতার জন্য পরিবারের বাইরের মানুষের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে যায় অনেক ক্ষেত্রে। তাছাড়া জীবনের বেশিরভাগ প্রথম জিনিস বা বিষয়গুলো এমনিতেই মনে একটা স্থায়ী আসন গেঁড়ে বসে।


        এখন আপনার এই আগ্রহ আপনার স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করলেও করতে পারে। এর সমাধানের জন্য আপনাকে ভাবতে হবে আপনার চেয়েও কম সুখে আছে এরকম মানুষের কথা আর বুঝতে হবে যে আপনি তাদের চেয়ে কত ভাল অবস্থায় আছেন। আপনার বয়সের কোন মেয়ে হয়ত এখন রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিন গুনছে বা জীবনের ব্যস্ততায় আবেগ কী জিনিস তা নিয়ে ভাববার সময়ই পায় না। তাই জীবনকে দরকারি ও ভাল কাজে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করুন, মেডিটেশন করুন। এতে এসব মন থেকে আস্তে আস্তে দূর হয়ে যাবে।


       একজীবনে মানুষকে সব পেতে হবে- এরকম কথার কোন গ্রহণীয়তা নেই আর সবাই সব পায় না। জীবনে ইতিবাচক চিন্তা করুন আর জা পেয়েছেন তার জন্য স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। স্রষ্টা আপনার মনে প্রশান্তি দিতে পারে। সামান্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাটাও স্রষ্টার কাছে কম নয় যেখানে আমরা মানুষেরাই প্রশংসা, তোষামোদ প্রভৃতি পেলে অনেক খুশি হই।


       প্রশ্নে অল্প তথ্য আছে বলে উত্তরটাও অল্প হয়ে গেল। :) :D:D সেই ছেলে হয়ত এখন অন্য কাউকে ভালবাসে। কিন্তু আপনাদের ভাল লাগাটা পারস্পরিক ছিল কিনা তা জানান নি। প্রশ্ন পড়ে মনে হচ্ছে এই ভাল লাগা শুধু আপনার দিক থেকেই ছিল কারণ পারস্পরিক হলে আর সত্যিই ভালবাসলে ছেলেটা আপনার খোঁজ রাখার চেষ্টা করত।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.3k পয়েন্ট)
thank you.ami apner  answer ta pore happy hoyechi.actually  amar mom ar dad business niye busy.and so i am so alone.ami bujhte parchi na ki vabe ami chele take vulbo.ektu help korle khushi hobo.


           আপনি লেখাপড়ায় মনযোগ দিয়ে করার পাশাপাশি বাগান করা বা ফুল গাছ লাগানো ও সেগুলোর পরিচর্যা করা, ছবি আঁকা, পাখি বা বিড়াল পোষা- এইরকম কাজ করতে পারেন সময় কাটাতে ও নিজেকে ব্যস্ত রাখতে। এগুলোতে মগ্ন হয়ে গেলে মনটা সতেজ হয়ে যাবে। মেডিটেশন মানুষের মনকে প্রশান্ত রাখতে সাহায্য করে, সময় ও সুযোগ পেলে মেডিটেশন শিখে মেডিটেশন করতে পারেন (যদি আপনার জন্য সেটা শেখার নিরাপদ ও ভাল সুযোগ থাকে)। নিশ্চয়ই আপনার ধর্ম অনুসারে স্রষ্টার ইবাদত করবেন আর তিনি যা দিয়েছেন তার জন্য খুশি হোন ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।


          কয়েকটা কথা মনে রাখতে পারেন আর সেগুলো হলঃ


১. অলস মস্তিষ্কে এমন চিন্তা আসে যা মানুষকে খারাপ পথে নিয়ে যেতে চায়।

২. মানুষ থেকে সাবধানে থাকবেন মানে দেখেশুনে থাকবেন কারণ পৃথিবীতে মানুষই সবচেয়ে বিষ্ময়কর ও বিপদজনক, আবার এই মানুষই পৃথিবীতে অন্যান্য প্রাণির চেয়ে মহৎ।

৩. দুষ্টু লোকের মিষ্টি কথা ও পটানো মার্কা কথাবার্তায় ভুলবেন না, কারণ বেশিরভাগ মানুষ নিজের প্রশংসা শুনতে ভালবাসে আর এই সুযোগটাই দুষ্ট লোকেরা কাজে লাগায়। কে মন থেকে প্রশংসা করছে আর কে মিছরির ছুরি ব্যবহার করছে সেটা বোঝা বেশ কঠিন। যেকোন কাজ ধৈর্য্য ধরে করবেন।

thank you..............:)


আবেগ সংক্রান্ত বিষয়ে মানুষের মন (মানুষ ভেদে) মোটামুটি ২৩-২৮ বছর পরে স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। তাই এর আগে এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেক ভাবনাচিন্তা করা দরকার। আপনার জন্য যা কল্যাণকর আল্লাহ তাই করুক ( সে ঐ ছেলেটা হএ পারে বা অন্য কেউও হতে পারে)- এই কামনা করছি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
+1 টি ভোট
5 টি উত্তর
06 জানুয়ারি 2013 "সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন sakibulhimel Junior User (41 পয়েন্ট)
+2 টি ভোট
5 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
02 ডিসেম্বর 2016 "সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নিশাত ইয়াসমিন

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...