বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.2k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.8k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
424 বার প্রদর্শিত

যদি গোসল ফরয হয় তবে নাপাক অবস্থায় রান্নাবান্না করা যাবে কি না।কিংবা এই নাপাক অবস্থায় ওযু করে রান্নাবান্না করা যাবে কিনা।

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

1 উত্তর

+1 টি ভোট

রাসূল স. হাদীসে অপবিত্র/জুনুবী অবস্থায় কেবল চারটি কাজ নিষেধ করেছেন।

১. নামায
২. তাওয়াফ
৩. মসজিদে অবস্থান
৪. কুরআন তেলাওয়াত ও স্পর্শকরণ

এছাড়া অন্য সব কাজ জায়েজ।

হাদীসে আছে, আবু হুরায়রা রা. বলেন, একবার মদীনার এক পথে নবীজীর স. সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। আবু হুরায়রা রা. বলেন, আমি তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যাই। পরে গোসল করে রাসূলের স. কাছে আসলে তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আবু হুরায়রা, তুমি কোথায় ছিলে? আমি উত্তর দিই, আমি অপবিত্র ছিলাম। তাই অপবিত্র অবস্থায় আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে অপছন্দ করলাম। রাসূল স. শুনে বললেন, সুবহানাল্লাহ। মুসলিম তো অপবিত্র হয় না। (বুখারী : ২৭৯, মুসলিম : ৩৭১)

عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم لقيه في بعض طريق المدينة وهو جنُب ، قال فانخنستُ منه ، فذهبت فاغتسلت ، ثم جئت فقال : أين كنت يا أبا هريرة ؟ قلت : كنت جنُباً فكرهتُ أن أجالسك وأنا على غير طهارة ، فقال : سبحان الله ، إن المسلم لا ينجس . رواه البخاري ( 279 ) ومسلم ( 371 ) .

এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, একজন মুসলিমের শরীর কখনো অপবিত্র হয় না। কাজেই সে অপবিত্র অবস্থায় রাঁধতে পারে, কথাবার্তা বলতে পারে, বাচ্চাদের লালন-পালন সহ সবকিছুই করতে পারে।

তবে উত্তম হলো, যতদ্রুত সম্ভব গোসল করে পবিত্র হয়ে নেয়া। যদি কোনো কারণে গোসল করতে দেরি হয়, তাহলে অন্তত অযু করে নেয়া উত্তম।

হাদীসে আছে, আয়েশা রা. বলেন, রাসূল স. যখন অপবিত্র থাকতেন, এরপর পানাহার বা ঘুমানোর প্রয়োজন হত, তখন তিনি নামাযের অযুর ন্যায় অযু করে নিতেন। (মুসলিম : ৩০৫)

عن عائشة قالت : كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان جنباً فأراد أن يأكل أو ينام توضأ وضوءه للصلاة . رواه مسلم (305 ) .

অনুরূপভাবে ইবনে ওমর রা. বর্ণনা করেন যে, একবার ওমর রা. রাসূল স. কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা কি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে যাব? রাসূল স. বললেন, হ্যাঁ, অযু করে নিলে অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে পারবে। (বুখারী : ২৮৩, মুসলিম : ৩০৬)

عن ابن عمر أن عمر بن الخطاب سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أيرقد أحدنا وهو جنب ؟ قال : نعم ، إذا توضأ أحدكم فليرقد وهو جنب . رواه البخاري ( 283 ) ومسلم (306 ) .

এতে বোঝা যায় যে, অপবিত্র অবস্থায় সবকিছুই করা যায়। তবে গোসল করতে দেরি হলে অযু করে নেয়া মুস্তাহাব। বিশেষত: ঘুমানোর পূর্বে। কাজেই স্পষ্ট হলো যে, অপবিত্র/জুনুবী অবস্থায় রান্না-বান্না করতে কোনো সমস্যা নেই।

উত্তর প্রদান করেছেন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
2 টি উত্তর
+1 টি ভোট
3 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...