বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15k টি প্রশ্ন

16.7k টি উত্তর

5.8k টি মন্তব্য

6.4k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
226 বার প্রদর্শিত
"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন New User (18 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 টি ভোট

সময়ের প্রশ্ন করার জন্য স্বাগতম | ঈদ-এ-মিলাদ-উন-নবী এর ঈদ অর্থ আয়োজন বা আনন্দ, মিলাদ অর্থ জন্ম | অর্থাৎ নবীর জন্মদিন পালন আরকি | আর জন্মদিন, ভ্যালেনটাইন ডে, নিউ ইয়ার বা নববর্ষ, মা ডে বাব ডে ইত্যাদি ইসলামে কখনো দুনিয়াবী এসব দিবস পালনে সাপোর্ট করেনা ২ ঈদের দিন, জুম্মা দিন আর আশুরার দিন ছাড়া ||
* মিলাদুন্নবী বা নবীর জন্মদিন নবী পালন করেননি, সাহাবীরা করেন নি, তাবেয়ীনরাও করেন নি | তাই আমরাও করবোনা | এটাতো ধর্মে নতুন আবিস্কার যা একটা বিদআত, হারাম ||
* ২ ঈদ, জুম্মা, আশুরা নবী পালন করেছেন তাই আমরা করবো ||

উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (130 পয়েন্ট)

** দলীলঃ রাসুলুল্লাহ [সঃ] বলেনঃ আমার জন্মদিন মানুষকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে যাতে তারা ইহুদি খৃষ্টানদের মত জন্মদিন পালন না করে ও তাদের অনুকরণ না করে ******(সহীহ হাদীস)

প্রকৃতপক্ষে ১২ রবিউল আউয়ার এটা অনুমানে লেখা | আরো ১০ তারিখ বা ১১ , ১৩ তারিখ এরকম অনেক তারিখ লেখা আছে | কিন্তু হাদীসটি স্পস্ট করে, পরবর্তী মানুষেরা তারিখটি ভুলে যায় |

ভাই আপনাকে অনেক মোবারকবাদ

ভাই আপনি ইসলামিক বিষয়ে কতটুকু জ্ঞানী তা জানি না তবে ইসলামের বিতর্কিত বিষয়ে উত্তর প্রদানের ক্ষেত্রে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা জরুরী । 

আপনার প্রদত্ত সহিহ হাদিস কোন গ্রন্থের কোন বাবের কত নম্বর হাদিস।

হাদিসের বর্ণনাকারী গন যে সকলে সহিহ স্তর ভুক্ত তা পরবর্তী আলেমদের মতামত সহ উল্লেখ করুন প্লিজ ।

0 টি ভোট

এ ব্যাপারে সারা বিশ্বের আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। প্রসিদ্ধ দুটি  মতবাদ রয়েছে । ১) অধিকাংশের মতে বিদআতে হাসানা (উত্তম আমল ) পালন করা বৈধ ।   ২) কারো কারো মতে - বিদআত (নব আবিষ্কৃত ) যার কোন ভাগ নেই । পালন করা বৈধ নয়।  সূত্রঃ--তারিখুল ইহতিফাল বি মাওলিদুন নবী (সাঃ) । বাংলা নামঃ- মিলাদুন নবী (সাঃ) পালনের ইতিহাস । মুকাত্তাম প্রকাশনি - কায়রো, মিশর। 

উত্তর প্রদান করেছেন (-10 পয়েন্ট)
0 টি ভোট

প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই, মিলাদ-কিয়াম বিদআত। কেননা আল্লাহর কিতাব, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত, সাহাবাদের আমল এবং সম্মানিত তিন যুগের কোন যুগে এর কোন অস্তিত্ব ছিলনা। তাই আমরা এটাকে বিদআত বলি। কারণ যে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হবে, কোরআন বা সুন্নাহয় অবশ্যই তার পক্ষে দলীল থাকতে হবে। আর মিলাদ-কিয়ামের পক্ষে এরকম কোন দলীল নেই বলেই এটি একটি বিদআতী ইবাদত। মূলতঃ হিজরী ৬ষ্ঠ শতাব্দী পর্যন্ত এ ধরনের মিলাদ কোথাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৬ষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর পর বাদশা মুজাফফররুদ্দীন আবু সাঈদ কৌকরী বিন আরবাল তিনি আমোদ-প্রমোদের জন্য এ বিদাতের সর্বপ্রথম উদ্ভোধন করেন। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া- ১৩/১৫৯) যার প্রকৃত ইতিহাস এই–

মিলাদের ইতিহাস

বাদশা মুজাফফর ছিলেন একজন অপব্যয়ী শাসক। রাষ্ট্রীয় অর্থ তিনি সীমাহীনভাবে খরচ করতেন। মিলাদ-অনুষ্ঠানের প্রসার ও প্রচলনে অঢেল অর্থ খরচ করতেন। ইতিহাসবেত্তা ইমাম যাহাবী রহ. বলেন, তার মিলাদ মাহফিল-কাহিনী ভাষায় ব্যক্ত করার মত নয়। মিলাদ অনুষ্ঠানে যোগ দেবার জন্য ইরাকের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে এমনকি আলজেরিয়া হতেও মানুষের সমাগম ঘটত । মিলাদের দিন তার ও তার স্ত্রীর জন্য সুরম্য কাঠের গম্বুজাকৃতির তাঁবু তৈরী করা হত। সেখানে গান বাজনা ও খেলাধুলার আসর জমত। মুজাফফর প্রত্যহ আসরের পরে সেখানে আসত এবং অনুষ্ঠান উপভোগ করত। অনুষ্ঠান কয়েক দিন যাবত চলত। অসংখ্য পশু জবাই করে আগত ব্যক্তিদের জন্য ভোজসভার আয়োজন করা হত।  এ উপলক্ষে সে তিন লাখ দিনার বাজেট পেশ করত। ফকির-দরবেশদের জন্য দু’ লাখ এবং অতিথিদের জন্য এক লাখ দিনার। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বর্ণনা করেন, আমি দস্তরখানায় বিশেষ প্রজাতির একশত ঘোড়া, পাঁচ হাজার বকরীর মাথা, দশ হাজার মুরগি, এক লাখ গামলা, এবং তিন হাজার হালুয়ার পাত্র গণনা করেছি। (আল মিনহাজুল ওয়াজিহ ১৬২)

অন্যদিকে যে আলেম প্রচলিত মিলাদ প্রবর্তনে সাহায্য করেন তার নাম মাজদুদ্দিন আবুল খাত্তাব উমার বিন হাসান বিন আলী বিন জমায়েল। তিনি নিজেকে সাহাবী দাহেয়াতুল কালবি রাযি. এর বংশধর বলে দাবি করেন। অথচ তা ছিল মিথ্যা দাবি। কারণ দাহেয়াতুল কালবি রাযি. কোনো উত্তরসূরী ছিল না। তাছাড়া তার বংশধারায় মধ্যস্তন পূর্বপুরুষরা ধ্বংসের মধ্যে নিপতিত হয়েছিল। উপরন্তু উক্ত আলেমের পেশকৃত বংশধারায় অনেক পুরুষের উল্লেখ নাই। (মিজানুল ইতিদাল ১/১৮৬) উক্ত সরকারি দরবারী আলেম একটি পুস্তকও রচনা করেছিলেন। যে পুস্তকে মিলাদের রূপরেখা বর্ণনা করা হয়েছিল। ৬০৪ হিজরীতে শাসক মুজাফ্ফারকে পুস্তকটি উপহার দেন। এতে সে খুশি হয়ে তাকে দশ হাজার দিনার বখশিশ দেয়। এভাবে এখান থেকেই মিলাদুন্নবী উদযাপনের সূচনা হয়। (টিকা সিয়ারু আলামিন্নুবালা ১৫/২৭৪)

মিলাদপ্রথা আবিস্কারের পরে সে সময়ের মানুষ বছরে একটি দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) তা উদযাপন করত এবং কয়েকদিন ধরে চলত। পরবর্তীতে কিছু মানুষ এটাকে সওয়াবের কাজ মনে করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপলক্ষে উদযাপন করতে শুরু করে। আগে বড় ধরনের মাহফিলের আয়জন করা হত। বর্তমানে মনগড়া কিছু দুরুদ ও গজল গেয়ে শেষ করা হয়।

সূত্রঃ http://quranerjyoti.com
উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (92 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
3 টি উত্তর
25 জানুয়ারি 2013 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
19 জুন 2017 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Khan Sunny New User (0 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
1 উত্তর
25 জুন 2015 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন King khan New User (1 পয়েন্ট )
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
06 সেপ্টেম্বর 2016 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন hosnara১২ New User (0 পয়েন্ট)

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...