বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
8.6k বার প্রদর্শিত

আজকে আমার ছেলেকে কুকুর কামর দিয়েছে,কুকুরটা পাসে বসে ছিল ও পা দিয়ে মাথায় লাথি দিলে ওর দান পায়ে কামর দেয়। কোন রক্তপাত হয়নি একটূ সাদা হয়েছিল ৫ ঘন্টা পরে জায়গাটি কাল হয়ে জায় সে কোন রকম ব্যাথা অনুভব ও করছে না, এ অবস্থায় কি করনীয়।

"ডাক্তার ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

2 উত্তর

+1 টি ভোট

কুকুরটির যদি জলতাংক রোগ থাকে তাহলে অবশ্যই সেই কুকুর কামড়ালে আপনার ছেলেরও জলতাংক রোগ হবে। আর জলতাংক রোগ একবার হলে বাঁচানোর কোন সম্ভাবনা থাকে না তাই আগে থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়া উচিৎ। সাধারণত সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়।
//
আপনার জানার সুবিধার্থে নিচে কিছু তথ্য শেয়ার করলামঃ
কুকুর কামড়ালে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিতে হবে:

  • কুকুর কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান ভালোভাবে সাবান-পানি দ্বারা তারপর আয়োডিন বা অন্যান্য এ্যান্টিসেপটিক লোশন দ্বারা পরিস্কার করতে হবে৷
  • কুকুরটি পরিচিত ও স্বাভাবিক অবস্থায় এলাকায় অবস্থান করছে কিনা তা জানতে হবে৷
  • পালিত কুকুর হলে গৃহকর্তার নিকট কুকুরের বর্তমান আচরণ অস্বাভাবিক কিনা জানতে হবে৷
  • পালিত কুকুরের জলাতন্কের প্রতিষেধক দেয়া আছে কিনা এবং দেওয়া থাকলে প্রতিষেধকের কার্যকরি মেয়াদ কতদিন তা জানতে হবে৷
  • কুকুরটি যদি পরিচিত ও বাড়িতে বা পাড়ায় থাকে তাহলে ১০ দিন কুকুরটিকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে৷ জলাতন্কগ্রস্ত হলে ১০ দিনের মধ্যে কুকুরটি মারা যাবে৷ কুকুরটি বেঁচে থাকলে ভয়ের কোনো কারণ নেই৷
  • কুকুরটি যদি জলাতন্কগ্রস্ত বা অপরিচিত হয় অথবা ১০ দিন পর্যবেক্ষণ করা না যায় বা কামড়ানোর পর যদি কুকুরকে মেরে ফেলা হয় অথবা এর কোনো খেঁাজ পাওয়া না যায় তাহলে চিকিত্‌সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷
  • রোগীকে ধনুষ্টংকারের প্রতিষেধক দিতে হবে৷

জলাতন্ক আক্রান্ত মানুষের লক্ষণ

  • কামড়ের জায়গায় ব্যথা ও চিনিচিন করে
  • জ্বর, ঢোক গিলতে ব্যথা ও খিঁচুনি হয়৷
  • পানি খেতে চায় না, পানি দেখলে ভয় পায়৷
  • খুব ঘন চটচটে লালা ঝরে
  • শান্ত থাকতে থাকতে হঠাত্‌ রেগে যায়
  • পরে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় এবং পক্ষাঘাত দেখা দেয়

কুকুর কামড়ানোর ১০ দিন পর (সাধারণত ৩ থেকে ৭ সপ্তাহের মধ্যে) জলাতন্কের প্রথম লক্ষণগুলো দেখা দেয়৷ লক্ষণ প্রকাশের পূর্বে চিকিত্‌সা শুরু করতে হবে৷

জলাতন্ক আক্রান্ত কুকুরের লক্ষণ

  • জলাতন্ক রোগে কোনো কুকুর আক্রান্ত হলে পাগলের মতো আচরণ করা শুরু করে৷
  • সামনে মানুষ বা পশু যাকেই পায় তাকেই কামড়াতে চেষ্টা করে৷
  • সর্বক্ষণ ঘেউ ঘেউ করে
  • মুখ দিয়ে লালা পড়ে (লালার সাথে জীবাণু নির্গত হয়)
  • কুকুরটি খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং কয়েক দিনের মধ্যে মারা যায়৷
  • কুকুর বা অন্য কোনো পশু কামড়ালে দিশেহারা না হয়ে কুকুরটিকে ঘেরাও করে পর্যবেক্ষণ করা উচিত৷

প্রতিরোধ

  • পোষা কুকুর-বিড়ালকে জলাতন্কের টিকা দেওয়া উচিত
  • যাদের (পশুডাক্তার, পশুব্যবসায়ী, পশুপালক) পশু কামড়ানোর সম্ভাবনা বেশি তাদের আগেই টিকা নেওয়া উচিত৷
  • জলাতন্ক রোগাক্রান্ত প্রাণী কামড় দিলে বা সন্দেহ হলে টিকা নিতে হবে এবং কামড়ানোর স্থানটি দ্রুত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং দ্রুত চিকিত্‌সকের পরামর্শ নিতে হবে৷
উত্তর প্রদান করেছেন
+1 টি ভোট

কুকুরে কামড়ালে করণীয়

কুকুরে কামড়ালে জরুরি ভিত্তিতে করণীয়ঃ
১. আক্রান্ত ব্যক্তির ভীতি দূর করতে হবে।
২. কুকুর যাতে পর পর অনেককে কামড়াতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৩. ভাল করে ক্ষতস্থান সাবান ও প্রচুর পানি দিয়ে ধুতে হবে এবং শুকানোর পর শুকনা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে যেন ইনফেকসন না হয়।
৪. কোন ভাঙ্গা দাঁত বা অন্য কোন অংশ ভিতরে আছে কি না পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
৫. নিরাপদ থেকে যদি সম্ভব হয়, তবে পরে বর্ণনা করা যায় এমন ভাবে কুকুরটিকে দেখতে হবে এবং সম্ভব হলে পরবর্তী ১০-১৫ দিন ঐ কুকুরের গতিবিধি লক্ষ্য রাখতে হবে। দেখতে হবে ঐ কুকুরের অসুস্থতা আছে কি না।
৬. কুকুরের প্রতি লক্ষ্য রাখা সম্ভব হলে, যদি দেখা যায় কুকুরটি অসুস্থ তাহলে অনেকটা নিশ্চিত যে যাকে কামড়িয়েছে তার শরীরেও জীবাণু প্রবেশ করেছে। যদি দেখা যায় কুকুরটি সুস্থ্ তাহলে যাকে কামড়িয়েছে তার শরীরে জীবাণু প্রবেশের সম্ভাবনা খুবই কম। মনে রাখা দরকার যে কুকুর এই জীবাণুর ক্যারিয়র নয়, কুকুরের শরীরে এই জীবাণু থাকা মানে কুকুরটি নিজেও আক্রান্ত এবং সেও মারা যাবে।

কুকুরে কামড়ালে যে বিষয়গুলির ব্যাপারে সাবধান থাকা জরুরিঃ
১. কখনোই ক্ষতস্থান কাটবে না বা শুষবে না, এতে ইনফেকসন হতে পারে।
২. কখনোই ক্ষতস্থানে বরফ লাগাবে না, এতে ফ্রস্ট বাইট হতে পারে।
৩. কখনোই ক্ষতস্থানে ইলেক্ট্রিক সক দেবে না।
৪. কখনোই ক্ষতস্থানে তাগা বা ডোরা (টরনিকুয়েট) বাঁধবে না, যেটি সাপে কামড়ালে বাঁধতে হয়।

বিশেষ জ্ঞাতব্যঃ
১. কুকুর বিড়াল বা যে কোন গৃহপালিত পশুর দেহেই জলাতঙ্ক বা র‌্যাবিসের জীবাণু থাকতে পারে। তবে এ প্রাণিগুলির কোনটিই জীবাণুটির ক্যারিয়ার নয় অর্থাৎ এরা লক্ষণ বা উপসর্গবিহীন তাদের শরীরে জীবাণুটি বহন করতে পারে না। এদের শরীরে জীবাণুটি ঢুকলে প্রাণিগুলিও আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়।
২. র‌্যাবিস একটি ভাইরাস। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে র‌্যাবিস বা বাংলায় জলাতঙ্ক বলে।
৩. এ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হলে কোন কিছু গিলতে গেলে গলার মাংশপেশীগুলি সাংঘাতিকভাবে কন্ট্রাক্ট করে বা সঙ্কুচিত হয়ে অসহ্য ব্যথা হয়। পানি গিলতে গেলেও ঘটনাটি ঘটে বলে পানি দেখলে রোগী খুব ভয় পায়। একারণেই রোগটিকে জলাতঙ্ক বলে। জল দেখে আতঙ্ক বলেই জলাতঙ্ক।
৪. প্রচলিত মিথ অনুযায়ি পাগলা কুকুরে কামড়ালে রোগীর পেটে কুকুরের বাচ্চা হতে পারে, এটি একেবারেই ঠিক নয়।
৫. প্রচন্ড অসুস্থতার কারণে রোগী তার স্বাভাবিক বুদ্ধিজ্ঞান প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয় বলে নানান অস্বাভাবিক আচরণ করে। কুকুর যেমন পাগল হয়ে যায় মানুষের ক্ষেত্রেও তেমন হতে পারে।
৬. র‌্যাবিস প্রতিরোধযোগ্য রোগ তবে প্রতিশেধকযোগ্য নয়। অর্থ্যাৎ রোগটির লক্ষণ দেখার পূর্বেই টিকা নিলে আর রোগটি হয় না, তবে একবার হয়ে গেলে আর তা সারানো সম্ভব নয়, নিশ্চিত মৃত্যু।
৭. কুকুরে, বিড়ালে কামড়ালে যদি তাদের শরীরে র‌্যাবিস জীবাণু থাকে তবে তাদের শরীরেও রোগের লক্ষণ দেখা যাবে এবং কামড়ানো প্রাণিটি মারা যাবে। যদি দেখা যায় যে প্রাণিটি সুস্থ্য আছে তবে ধরে নিতে হবে নিজের শরীরেও জীবাণুটি ঢোকেনি। তবে সন্দেহ না রেখে টিকা নিতে কোন অসুবিধা নেই।
৮. কুকুরে, বিড়ালে কামড়ালে যদি তাদের শরীরে র‌্যবিসের জীবাণু না-ও থাকে তবে টিকা নিতে কোন অসুবিধা নাই বরং নেওয়াই শ্রেয়।
৯. দেশে র‌্যাবিসের ঠিকা পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ আছে। যে কোন অসুবিধায় ঢাকার মহাখালিস্থ ইনফেকসাচ ডিজিজ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। এটি একটি সাততলা হাসপাতাল বলে ঐ এলাকার নামও সাততলা।
১০. ব্যবিসের জীবাণু শরীরে ঢুকলেও চিন্তার কোন কারণ নেই। জীবানুটি শরীরে ঢোকার পরে ১৪ দিন পর্যন্ত নিস্ক্রিয় থাকে। ফলে ১৪ দিনের মধ্যে টিকা শুরু করতে পারলেই হয়। ৫টি টিকা নিলে রোগটি হবার কোন নম্ভাবনা থাকে না।
১১. দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলিতে র‌্যবিসের টিকা পাওয়া যায়। এজন্যে বেসরকারী হাসপাতালে না যাওয়াই শ্রেয়। টিকার জন্য অবশ্যই সরকারী হাসপাতালে যাবেন।

উত্তর প্রদান করেছেন
যদি কুকুরে পায়ের চাপে, কোনো ব্যক্তির যদি রক্ত ক্ষরণ হয় অল্প, তাকে কত সময়ের মধ্যে টিকা দিতে হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
15 নভেম্বর 2015 "ডাক্তার ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন emon211 New User (0 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
12 সেপ্টেম্বর 2015 "ডাক্তার ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন zakariaahmed Junior User (27 পয়েন্ট)

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...