বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

0 টি ভোট
239 বার প্রদর্শিত

আমরা ফ্রেন্ডস রা বান্দরবন ভ্রমনে যাচ্ছি। ১৪-১৭ তারিখ পযন্ত সেখানে থাকবো। কিন্তু এখন তো অনেক কুয়াশা ভালো ভাবে কি সব কিছু দেখা যাবে। ঘুরে কি মজা পাওয়া যাবে??? বান্দরবন সম্পকে জানা থাকলে বলেন। আর বতমান বান্দরবন এর অবস্থা কি বলেন???

"ভ্রমণ ও স্থান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট

ভ্রমন পরিকল্পনা
ভ্রমন প্রেমিকরা ভ্রমন করারা আগে যে জায়গাটি ভ্রমন করবেন সে সম্পর্কে একটি পুর্ব ধারণা পেলে কেমন হয় ? সেই সাথে যদি জানা যায় যাতায়াত ভাড়া থাকা খাওয়ার ব্যবস্থার কথা তাহলে ত কথাই নেই। প্রথমে দেশের আভ্যন্তরিণ পর্যটক জায়গাগুলো দিয়ে শুরু করা হল। আজকের পর্যটক জায়গাটার নাম বান্দরবান….

বাস সার্ভিস ( ঢাকা থেকে ):
ঢাকা থেকে বান্দরবান পযর্ন্ত ডাইরেক্ট একটি গাড়ী চলে এস.আলম (নন এসি)।
ছাড়ে এস.আলমের কমলাপুর রেল ষ্টেশনের বিপরীত কাউন্টার থেকে।

ট্রেন :

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে =>
ট্রেনে: এসি- ৩৬৫-৪৮০ টাকা। নন এসি-১৫০-১৬৫ টাকা।
বাসে: এসি- ৫৮০-৭৯০ টাকা। নন এসি-২০০-২৫০ টাকা।
@চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান => বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে পূরবী এবং পূর্বাণী নামক দুটি ডাইরেক্ট নন এসি বাস আছে ৩০ মিঃ পর পর বান্দরবানের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি-৭০ টাকা।

কোথায় থাকবেন:
@বান্দরবনে পর্যটন কর্পোরেশনের একটি হোটেল আছে মেঘলাতে। যার ভাড়া রুম প্রতি ৭৫০ হইতে ২০০০টাকা পর্যন্ত। বুকিং ফোন:- 0361-62741এবং 0361-62742।
@হোটেল ফোর স্টার : এটি বান্দরবান বাজারে অবস্থিত। রুম ভাড়া সিঙ্গেল-৩০০ টাকা, ডাবল- ৬০০, এসি-১২০০ টাকা। বুকিং ফোন:-০৩৬১-৬৩৫৬৬, ০১৮১৩২৭৮৭৩১,০১৫৫৩৪২১০৮৯।
@হোটেল থ্রী স্টার : এটি বান্দরবান বাস স্টপের পাশে অবস্থিত। নীলগিরির গাড়ী এই হোটেলের সামনে থেকে ছাড়া হয়। এটি ৮/১০ জন থাকতে পারে ৪ বেডের এমন একটি ফ্ল্যাট। প্রতি নন এসি ফ্ল্যাট-২৫০০ টাকা, এসি-৩০০০ টাকা। বুকিং ফোন:-থ্রী স্টার এবং ফোর ষ্টার হোটেল মালিক একজন মানিক চৌধুরী-০১৫৫৩৪২১০৮৯।
@হোটেল প্লাজা বান্দরবান: এটি বাজারের কাছে অবস্থিত। রুম ভাড়া সিঙ্গেল-৪০০ টাকা, ডাবল- ৮৫০, এসি-১২০০ টাকা। বুকিং ফোন:- ০৩৬১-৬৩২৫২।

খাবার:
বান্দরবান শহরে খাবার হোটলের মান তেমন ভাল নয়। তবে যে হোটেলে আপনি থাকবেন সে গুলোতে রেষ্টুরেন্টের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া আরো দুটি মোটামুটি মানের ভাল হোটেল হচ্ছে জেলা সদর বিল্ডিং এর কাছে"ফিয়েস্তা" হোটেল এবং বান্দরবান বাজারের কাছে "তাজিংডং" হোটেল। বান্দরবানে সব হোটেলে খাবারের মানের চেয়ে দামটা বেশী। রান্নায় মসল্লা ব্যবহার এবং হলুদের আধিক্য বেশী।
ভ্রমনের জন্যে নির্ধারিত ন্যান্ড-ক্লুজার জীপ :

বাদশা ড্রাইভার - (৫ সিটের ল্যান্ড ক্রুজার ড্রাইভার)
(আমার সামুর ব্লগার বন্ধুদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী)

এখান থেকে আমাদের যাত্রা শুরু বান্দরবনের গভীর সৌন্দর্য আবিস্কারের :

নীলগিরি:
বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৭ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বদিকে লামা উপজেলার অংশে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উপরে বাংলাদেশের নতুন পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির অবস্থান। যাকে বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসাবে অবহিত করা যায়। যেখানে পাহাড় আর মেঘের মিতালী চলে দিনরাত। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন ঐ মেঘের দেশে। তবে যারা মেঘ ভালোবাসেন তারা জুন-জুলাইতে অর্থাৎ বর্ষাকালে ভ্রমণে গেলে বেশী মজা পাবেন। কারন মেঘ তখন আপনা হতে এসে আপনাকে ধরা দিয়ে যাবে।

স্বর্ণমন্দির :
বর্তমানে স্বর্ণমন্দির উপাশনালয়টি বান্দরবান জেলার একটি অন্যতম পর্যটন স্পট হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে।স্বর্ন মন্দির বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম এই "বৌদ্ধ ধাতু জাদী" কে স্বর্ণমন্দির নামাকরন করা হয়। এটি বৌদ্ধ ধর্মাম্বলীদের একটি উল্লেখযোগ্য উপাশনালয়। যাহা বান্দরবান শহর থেকে ৪ কি:মি: উত্তরে বালাঘাট নামক এলাকায় পাহাড়ের চূঁড়ায় অবস্থিত। এটির নির্মাণশৈলী মায়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পল গুলোর আদলে তৈরী করা হয়।

মেঘলা :
নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে মেঘলা পর্যটন স্পটের কোন সর্ম্পক নেই। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের ৭ কি:মি: আগে মেঘলা পর্যটন এলাকাটি অবস্থিত। এটি সুন্দর কিছু উঁচু নিচু পাহাড় বেষ্টিত একটি লেককে ঘিরে গড়ে উঠে। ঘন সবুজ গাছ আর লেকের স্বচ্ছ পানি পর্যটককে প্রকৃতির কাছাকাছি টেনে নেয় প্রতিনিয়ত। মেঘলাপানিতে যেমন রয়েছে হাঁসের প্যাডেল বোট, তেমনি ডাঙ্গায় রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা। আর আকাশে ঝুলে আছে রোপওয়ে কার। এখানে সবুজ প্রকৃতি, লেকের স্বচ্ছ পানি আর পাহাড়ের চুঁড়ায় চড়ে দেখতে পাবেন ঢেউ খেলানো পাহাড়ী বান্দরবানের নয়নাভিরাম দৃশ্য। মেঘলা পর্যটন স্পটের পাশেই রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের বান্দরবান পর্যটন হোটেলটি।

শৈল প্রপাত :
শৈল প্রপাত বান্দরবান শহর হতে ৭ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে চিম্বুক বা নীলগিরি যাওয়ার পথে দেখা যাবে।

নীলাচল :
নীলাচল বান্দরবান শহর হতে ১০ কি:মি: দক্ষিণে ১৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত একটি পর্বত শীর্ষ। যেখান থেকে নীলআকাশ যেন তার নীল আচল বিছিয়ে দিয়েছে ভূমির সবুজ জমিনে। যে দিকে দুচোখ যায় অবারিত সবুজ ও নীল আকাশের হাতছানি। মুগ্ধতায় ভরে উঠে মন প্রাণ।

মিলনছড়ি :
মিলনছড়ি বান্দরবান শহর হতে ৩ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে শৈল প্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ ফাড়িঁ আছে। পাহাড়ের অতি উচ্চতায় রাস্তার ধারে দাড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুক ছিড়ে সর্পিল গতিতে বয়ে সাঙ্গু নামক মোহনীয় নদীটি।

চিম্বুক :
চিম্বুক বান্দরবনের অনেক পুরনো পর্যটন স্পট। বান্দরবান শহর হতে ২১ কি:মি: দক্ষিণ পূর্বে মিলনছড়ি এবং শৈলচিম্বুকপ্রপাত ফেলে চিম্বুক যেতে হয়। এখানে পাহাড়ের চুঁড়ায় রেষ্টুরেন্ট এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার আছে।পাহাড়ের চুঁড়া থেকে চারদিকের সবুজ প্রকৃতির সৌন্দয্য অবগাহন এখানে প্রকৃতি প্রেমীদের টেনে আনে।

সাঙ্গু নদী :
পূর্বের অতিউচ্চ পর্বত শীর্ষ থেকে সাঙ্গু নদী নেমে এসে বান্দরবন শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশে গেছে। বান্দরবান শহরের পূর্বে পাশে পাহাড়ী ঢালে বয়ে চলা সাঙ্গু নীদ দেখতে দারুন দৃষ্টি নন্দন।

প্রথম দিন আমরা এগুলো দেখেই শেষ করে হোটেলে এসে বিশ্রাম নেব। ২য় দিন ঘুম থেকে উঠেই আমরা যাব বগালেক হয়ে কেওক্রাডাং ।

বগালেক হয়ে কেওক্রাডাং :

বগালেক যেতে হলে অবশ্যই টুরিষ্ট গাইড নিয়ে যেতে হয়, না হয় আর্মি যেতে দেয়না ।আমরা রাতেই রুমা বাজারে গিয়ে টুরিষ্ট গাইড ঠিক করে ফেলব যার নাম বেলাল। এবং পরেরদিন সকাল ৭ টার মধ্যেই আসার জন্য অনুরোধ করব ।টুরিষ্ট গাইডকে প্রতিদিনের জন্য ৩০০ টাকা করে দিতে হয় যদিও মাঝে মাঝে এরা বেশী চায়। সেক্ষেত্রে আমারা রুমা বাজারের সাথেই লাগানো আর্মি ক্যাম্প এ গিয়ে সাহায্য চাইতে পারি। উল্লেখ্য যে সকল ট্যুরিস্ট গাইড এর লিস্ট আছে আর্মি ক্যাম্প এ। আমরা লিস্টেট গাইড বেলাল কে নেব। রুমা বাজার থেকে বের হওয়ার আগেই আর্মি ক্যাম্প এ গিয়ে নাম, ঠিকানা নিবন্ধন করতে হয়।

বগালেক দুই ভাবে যাওয়া যায় চান্দের গাড়িতে ১১ কিমি তারপর ২ ঘন্টা হাটতে হয় অথবা ঝিরিপথ [বনের মধ্য দিয়ে ঝরনার ফলে যে রাস্তা তৈরী হয়েছে] দিয়ে সাড়ে পাচ ঘন্টা হাটতে হয় ।আমরা ঠিক করে নেব কিভাবে যাব । গাড়ীতে গেলে ১১ কিমি যাবার পর হাটা শুরু করতে হবে ২ ঘন্টা পাহাড় পাড়ি দিয়ে পৌছাব বগালেক এ [সমুদ্রপৃস্ট হতে ১২৫০ ফুট উপরে লেক যদিও অনেক বইয়ে ২৭০০ ফুট লেখা আছে কিন্তু ২৭০০ ফুট তথ্যটা ভুল] এখানেও সেনাবাহিনীর কাছে নাম ধাম বন্ধক রেখে একটা কটেজে উঠতে হবে পার মাথা ১০০ করে আর খাওয়া খরচ ।

কেওক্রাডাও এর উদ্দেশ্য রওয়ানা দিলে হাটতে হবে সাড়ে সাত ঘন্টা কেওক্রাডাং এ যাওয়া এবং আসা। ঘুরে আসতে রাস্তায় কিছু ঝরনা পাওয়া যাবে যা অসাধারণ ।

খরচ :

আমাদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রতিটি ভ্রমনকারীর জন্য ৬০০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।

কেওক্রাডাং হতে আরো ২ থেকে ৩ ঘন্টার পথ হেটে আমরা পৌছুতে পারি ২টি ঝরনার কাছে যা একসাথে একই জায়গায় পড়েছে। আমরা এখানে ক্যাম্প করতে পারি যদি সবাই রাজি থাকে। তবে এখানে আমাদের ক্যাম্প করার ইচ্ছা আছে প্রাকিতিক সৌন্দর্যকে আরো কাছ থেকে দেখার জন্য।

ক্যাম্প করার জন্য যাবতীয় সকল জিনিস নেয়া হবে।

যাত্রার তারিখ :
১০ই নভেম্বর নির্ধারিত করা হয়েছে। তাই যথা সম্ভব ৬ই নভেম্বরের মধ্যে আমাদের জানিয়ে দিতে হবে।

দর্শনীয় স্থান সমুহ

বান্দরবান

১. মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র
২.নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স,
৩.চিম্বুক
৪.শৈলপ্রপাত
৫.বগালেক
৬.স্বর্ণমন্দির
৭.কেওক্রাডং
৮. নীলগিরি
৯. প্রান্তিক লেক
১০.ঋজুক জলপ্রপাত
১১.মিরিঞ্জা কমপ্লেক্স।

সাথে যা নিতে হবে :

১.বাতাস নিরোধক জ্যাকেট বা রেইনকোট বা ছাতা
২. পাহাড়ে চলা-চলের জন্য স্নিকার জুতা
৩. হ্যাট বা ক্যাপ ( সানবার্ন হতে রক্ষার জন্য )
৪. সানবার্ন লোশন ও ইনসেক্ট স্প্রে ও মশার জন্য ক্রিম ‘অডোমস’ ( অবশ্যক )
৫. টুথপেস্ট ও টুথব্রাশ
৬. সাবান, টাওয়াল
৭. প্রয়োজনীয় ঔষধসমুহ যেমন পেইনকিলার, স্যাভলন, স্যালাইন, ব্যান্ডেজ, পভিসিপ মলম, ইত্যাদি
৮. ফ্লাশ বা টর্চ লাইট
৯.নিজের জন্য বিছানার চাদর নিতে হবে। ( ক্যাম্প করার সময় কাজে দেবে )
১০. সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে সবাই ট্রাভেল ব্যাগ নেয়ার জন্য যেটা কাধে নেয়া যায় ( স্কুল ব্যাগের মত কিন্তু বড় )
১১.ছোট ছুরি নিয়ে নেবেন।

বি: দ্র: যারা এই জিনিসগুলো নিবেন তারা অনেক অনাকাংখিত বিষয় থেকে রক্ষা পাবেন। তাই আপনাদের সুবিদার্থে আপনারাই চেক করে নিন আপনার সুরক্ষার সামগ্রীগুলোকে। মনে রাখবেন আমরা বান্দরবনে পাহাড়ে ঘুরতে যাচ্ছি তাই নিজেকে সুরক্ষা রাখার সকল সামগ্রীকে নিজের কাছে রাখবেন।

Copied from this link

 

 

Signature:

www.shamuk.tk
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (1.4k পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...