বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.2k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

5.9k জন নিবন্ধিত

+3 টি ভোট
768 বার প্রদর্শিত

ভালবাসার পর বিয়ে হলে প্রায় দেখা যায় একটা সময় পর ভালবাসা বলে সম্পর্কে আর কিছুই থাকে না অথচ বিয়ের আগে সবাই বলে এত ভালবাসব যে সব ভুলে যাবে অথচ বিয়ের পর আস্তে আস্তে সবাই পাল্টে যায় কিছু মানুষ বলে শুধু একবার ভালবেসেই দেখ আমার সব সুখ তোমাকে দিয়ে দিব অথচ সব সুখ তো দূরের কথা সব দুঃখ ঢেলে দেয় আর জিবনটা বিষাক্ত করে তোকে তাহলে কি ভালবেসে ছ্যাকা দেয়াই ভাল?বিয়ে না করাই ভাল?

 

 

Signature:

know to survive
"সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Senior User (231 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট

১। আপনার প্রশ্নের একদম শেষ থেকে শুরু করি। ভালোবেসে ছ্যাকা দেওয়াটা খুব খারাপ। আর তার থেকে বেশি খারাপ হচ্ছে ভালোবাসাটা।
২। সুখ আবার কেউ কাউকে দিতে পারে নাকি? সুখ হচ্ছে নিজের কাছে। সুখী হওয়ার অনেক উপদান রয়েছে এখন আপনি সেই গুলো পজেটিভভাবে গ্রহণ করলেই সুখী হতে পারবেন।
৩। আর ভালোবাসা মানে কি জানেন তো? যাই হোক সুখ-দুঃখ একসাথে ভাগাভাগি করে নেওয়া। আপনি শুধু তার সুখ নেওয়ার জন্যে ভালোবাসবেন অথচ তার দুঃখ নেবেন না। এটা কেমন কথা? এই ব্যাপারটার মধ্যে কেমন জানি একটা স্বার্থপর স্বার্থপর গন্ধ পাচ্ছি। আর এরকম মানুষের তো ভালোবাসা একেবারেই উচিৎ না!
সবশেষে দাম্পত্য জীবনে সুখী না হতে পেরে যারা হতাশ হয়ে যান কিংবা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন তাদের সহ সকলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, প্রকৃতপক্ষে এই জীবনটা সুখের জন্য না। আর যত ভালোবাসা কিংবা টাকা পয়সা থাকুক না কেন, মানুষ চাইলেই এই জীবনে কখনোই সুখ পাবে না। মানুষ যেটা সুখ বলে মনে করছে সেটা হচ্ছে শুধু ভালো লাগা। এই জীবনে মানুষ যদি সত্যি সত্যি সুখ পেতো তাহলে পৃথিবী আর স্বর্গের(বেহেশ্ত) মধ্যে পার্থক্য থাকতো না বা সৃষ্টিকর্তা আর আলাদা করে সুখের জন্যে স্বর্গ তৈরি করতেন না।

উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (338 পয়েন্ট)

১ এবং ২ নাম্বারের সাথে একমত না হতে পারলেও ৩ নাম্বার পয়েন্ট এর কথাগুলো ভালো লাগলো।

0 টি ভোট

প্রথমেই প্রসঙ্গ আসতে পারে ভালবাসার শুরুর সম্বন্ধে। ভালবাসা প্রধানত ৩ ভাবে জন্ম নিতে পারেঃ


১. সৌন্দর্য,
২. গুণ ও স্বভাব, ও
৩. সৌন্দর্য ও গুণ উভয়ই।


এর সাথে মানুষ আরো কিছু বিচার করতে পারে। তবে শুধু সৌন্দর্য থেকে যে ভালবাসা জন্ম নেয় তাকে মূলত বিভিন্ন পশুর সম্পর্কের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। কারণ সৌন্দর্যের কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই এবং একটা দিক দেখে বা হঠাৎ করে এক দেখাতেও এরকম ভাললাগাজনিত ভালবাসা জন্মাতে পারে। এরকম ভালবাসা কম স্থায়ী হয় যেহেতু কিছুদিন পরে অন্য কাউকে ভাল লাগতে পারে বা বর্তমান সৌন্দর্য থেকে তৃপ্তি মিটে গিয়ে থাকতে পারে, ফলে নতুনত্ব না থাকায় আগ্রহ কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক। এরকম বৈশিষ্ট্যের ছেলে-মেয়ে উভয়ই আছে। এছাড়াও যে সম্পর্ক দ্রুত গড়ে ওঠে তার ভিত্তি কম মজবুত হয় কারণ সেক্ষেত্রে অনেক কিছু বোঝা মিসিং হয়ে যায়। পরে যখন অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো খেয়াল করা হয় ও নেতিবাচক দিকগুলো গুরুত্ব পায় তখন সম্পর্ক খারাপের দিকে যেতে শুরু করে। তার উপর সব মানুষের ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকে না। মানবসৌন্দর্য একসময় মলিন হয়ে যায় কিন্তু গুণ সবসময় চিরযৌবন থাকে। তাই সম্পর্ক করার সময় সৌন্দর্যকে কম গুরুত্ব দিয়ে গুণকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যারা শুধু সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দেয় তাদের সাথে সম্পর্ক ভাল রাখতে হলে নিজেকে সবসময় সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতে হবে- হোক সে ছেলে কিংবা মেয়ে। এটা একটা কারণ।


এছাড়াও অন্যান্য কারণগুলোর মধ্যে আছেঃ চাওয়া-পাওয়ার হিসাব, পারিবারিক পরিবেশ ইত্যাদি। আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে পিতা-মাতা আগে থেকেই ধরে নেন যে, বয়সকালে সন্তানদের উপর নির্ভর করতে হবে। এক্ষেত্রে অনেক শ্বাশুড়ি ছেলের উপর যাতে নিজের প্রভাব বজায় থাকে সেজন্য ছেলের বউয়ের সাথে একপ্রকার অঘোষিত যুদ্ধে লিপ্ত হন- ছেলেকে হাতছাড়া করা যাবে না। ফলে ছেলের বউয়ের সাথে নেতিবাচক আচরণ করা শুরু হয়। অন্যদিকে প্রেমের বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে ছেলের বাবা-মা রাজি হতে চান না, তারা চান এমন একজন বউ যে সবসময় তাদের সেবা করবে কাজের লোকের মত। ফলে তারা যদি দেখে যে, বউ সেরকম না, তখন বিভিন্ন খারাপ কৌশলের আশ্রয়ও নেয় যেমনঃ জাদু করা। এর ফলে ছেলে তার বউয়ের সাথে খারাপ আচরণ করে বা বিমুখ হয়। আবার লোভী কিছু লোক মেয়ের অবস্থা ভাল হলে সেখান থেকে সম্পত্তি আদায় করতেও এরকম কাজ করে থাকে বা ছেলেকে উৎসাহিত করে।


এজন্য সম্পর্ক করার আগে ফ্যামিলি স্ট্যাটাস ও ব্যাকগ্রাউন্ড খেয়াল করা উচিত। বিপরীত মানুষটা কী চায় ও কেমনভাবে আমাকে বোঝে সেটা খেয়াল করা দরকার। সময় নিয়ে সম্পর্ক করা উচিত। তাড়াহুড়ো করতে গেলে তার ফলাফল ভাল হয় না। মনের সাথে মনের মিল হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়গুলোও খেয়াল করা কর্তব্য। মাত্রাতিরিক্ত আবেগ জীবনকে ভুল পথে চালায়।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.3k পয়েন্ট)

মাত্রাতিরিক্ত আবেগে জিবনকে ভুল পথে পরিচালিত করে।কথাটা ঠিকই বলেছেন ধন্যবাদ জু১১১।তবে আমি শুধু আবেগের কারনেই ধংস হয়েছি আমার শশুর বাড়ির সবাই কল্পনার থেকেও বেশি ভাল।যা হয়েছে তার জন্যে আমি নিজেই দায়ী।হয়ত আমি তাকে বুঝতে পারি না অথবা সে আমাকে বুঝতে পারে না সমস্যা শুধু এইটুকু।সুখি মানুষ আপনাকেও ধন্যবাদ ভালই বলেছেন আমি আসলেই সারথপর।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
02 ডিসেম্বর 2016 "সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নিশাত ইয়াসমিন
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
+1 টি ভোট
4 টি উত্তর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
25 ডিসেম্বর 2015 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নাহিদ
0 টি ভোট
1 উত্তর
09 ফেব্রুয়ারি "সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অধরা

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...