বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

+2 টি ভোট
1.3k বার প্রদর্শিত

বিয়ের জন্যে পাত্রী দেখতে গিয়েছিলাম, মেয়ের বাড়ীর সবাই বেশ পছন্দ করেছিল। কিন্তু দুইদিন পর কোনো কারণ ছাড়াই তারা এই প্রস্তাব থেকে সরে গেল। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারলাম যে মেয়েটা নাকি দাঁড়িওয়ালা ছেলেকে বিয়ে করতে চাইছে না। মুখে দাঁড়ি থাকায় বেশীরভাগ পাত্রী আমাকে পছন্দ করছে না, কেউ কেউ বলছে প্রথম দিকে দাঁড়ি থাকলে হবে না, তবে পরে চাইলে রাখতে পারবে। এখন এই পরিস্থিতিতে দাঁড়ি কেটে ফেলা কি উচিৎ হবে? পরে না হয় আবার রাখব?

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

3 উত্তর

+3 টি ভোট

আপনি যেহেতু মুসলিম তাই দাঁড়ি রাখা আপনার জন্য সুন্নত আর অনেক জরুরী। একটা কথা আছে, "নিজেকে কখনো কারো কাছে ব্যাখ্যা করতে যেও না, যে তোমাকে চিনে তাকে সেটা বলার দরকার নেই আর যে তোমাকে চিনে না সে ঐটা বিশ্বাস করবে না"
তাই যে আপনাকে পছন্দ করবে সে তো দাঁড়ি সহই আপনাকে পছন্দ করবে। বিয়ে সারা জীবনের বন্ধন তাই প্রথমেই যদি স্যাক্রিফাইস দিয়ে এই বন্ধন শুরু হয় তাহলে তো বন্ধন সুদৃঢ় হবে না। আর আল্লাহ তো সবার জন্যেই কাউকে না কাউকে তৈরি করেছেন সুতরাং দাঁড়ি কাটার কোনো দরকার নেই।

 

 

Signature:

www.facebook.com/useful199
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (464 পয়েন্ট)
+2 টি ভোট

আপনি দাঁড়ি যখন রেখেছেন তখন আর কাটবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ আপনার জন্য ভালো পাত্রী নির্ধারন করে রেখেছেন। শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন।

উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (120 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সকল ইমাম গণের সর্বসম্মতি ক্রমে দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং সেটা কমপক্ষে এক মুষ্টি পরিমান হতে হবে । ২/ যে বা যারা দাড়ি মুন্ডায় বা এক মুঠের চেয়েও ছোট করে ফেলে, তাদের আমল নামায় যতক্ষন পর্যন্ত দাড়ি এক মুঠ পরিমাণ না হবে তার পূর্ব পর্যন্ত গুনাহ লিখা হতে থাকে। ৩/ দাড়ি না রাখা , মুন্ডিয়ে ফেলা বা এক মুষ্ঠির কম রাখা হারাম ও কবীরা গুনাহ। ৪/ কেউ ইসলামের সকল বিধি-বিধান স্বীকার করে, অথচ অলসতা অথবা শরীয়ত সম্মত নয় এমন সব কারণের জন্য যদি ইসলামের সকল বিধি-বিধান ঠিকমত মেনে না চলে, তবে তাকে ফাসিক বলে। যেহেতু, দাড়ি না রাখা , মুন্ডিয়ে ফেলা বা এক মুষ্ঠির কম রাখা হারাম ও কবীরা গুনাহ। সেহেতু, কেউ নিয়মিত ভাবে এমন গুনা করলে, সে অবশ্যই ফাসিক। আর ফাসিক মানুষ আখেরাতে অবশ্যই বিপদে পারবে। কেউ যদি এই ভাবে ফাসিকের মত চলতে থাকে তবে সে আস্তে আস্তে ইসলামের বিধি-বিধান আরো বেশী করে উপক্ষা করা শিখবে। এভাবে ইসলামের বিধি- বিধান যত বেশী উপেক্ষা করবে তত বেশী ইসলাম থেকে সরে যাবে। ৫/ গুনাহ ও নেকির পাল্লার মাধ্যে কার কোন পাল্ল ভারি হবে সেটাতো আল্লাহ আগে থেকে কাউকে জানিয়ে দেননি। কেউ যদি নিশ্চিত ভাবে বলে, সে বেহেস্তে যেতে পারবে, তবে বুঝতে হবে সে অবশ্যই শয়তানের ধোকায় আছে। আল্লাহর দয়া ছড়া কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না। কিছু কিছু গুনাহ আল্লাহ মাফ করেন না। এই অবস্থায়, কোন মানুষের যদি কোন গুনাহের কাজ করে থাকে, তবে নেকির পাল্লা ভারি হলেও তাকে ওই গুনাহের কাজের জন্য জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করে তবে হয়তো সে জান্নাতের আশা কারতে পারে। এটা হলো শয়তানের ধোকা, মানুষ গুনাহের মধ্যে ঢুকে আর বেরুতে পারে না বরং আরো বেশী গুনাহের কাজ করে জাহন্নাম নিশ্চিত করে। ৬/ দাড়ি মুসলমানদের-কে মুশরিকদের থেকে আলাদা করে। এটা মুসলিমদের মধ্যে একটা আলাদা বৈশিষ্ট এবং চিন্হ এনে দেয়। এর ফলে এক মুসলিম অন্য মুসলিমের কাছাকাছি আসে এবং মুসলমানদের মধ্যে একটা একতা এনে দেয়। দাড়ি রাখলে মুসলমানদের মধ্যে সাহস এবং দৃরতা আরো বেশী বৃদ্ধি পায়। দাড়ি নিয়ে কিছু হাদীস। - (ক) ইবনে উমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, রাসূল ( সাঃ ) ইরশাদ করেনঃ- তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর, আর দাড়ি লম্বা রাখো এবং গোঁফ খাটো কর। (সহীহ মুসলিম হাঃ নং ৬০২ , সহীহুল বুখারী হাঃ নং ৫৮৯২ ) (খ) ইবনে উমর ( রাঃ) সূত্রে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ-তোমরা গোঁফ ছোট কর এবং দাড়ি লম্বা রাখো। (সহীহুল বুখারীঃ হাঃ নং ৫৮৯৩ , সহীহ মুসলিমঃ হাঃ নং ৬০০)
উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (30 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
3 টি উত্তর
28 এপ্রিল 2014 "ডাক্তার ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তন্ময়
0 টি ভোট
1 উত্তর
26 মে 2015 "ডাক্তার ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ রাসেল হোসাইন
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
16 জুলাই 2016 "অন্যান্য ও বিভাগহীন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানভীর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
15 এপ্রিল 2015 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...