বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

14.6k টি প্রশ্ন

16.3k টি উত্তর

5.7k টি মন্তব্য

6k জন নিবন্ধিত

+2 টি ভোট
510 বার প্রদর্শিত

আমার বোনের ছবি use করে এক লোক facebook কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফেসবুকে ফেইক একাউন্টের বিরুদ্ধে কি action নিতে পারি?

"কম্পিউটার ও ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য

2 উত্তর

0 টি ভোট

রিপোর্ট করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আপনার বোন এর নামে যে ফেইক অ্যাকাউন্ট খোলা হইছে সেখানে রিপোর্ট করেন। রিপোর্ট করতে সেই ফেইক অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল লিঙ্কে গিয়ে প্রথমে ম্যাসেজের ডান পাশে “Report/Block” অপশন ক্লিক করেন। তারপরে “Report account” অপশনে এ ক্লিক করেন। তারপরে যেই পেইজ আসবে যার নাম “report / block this person” এই পেইজে “submit a report” সেখানে ক্লিক করুন “Report id” তারপরে Continue করেন। এরপরে যেই পেইজ আসবে সেখানে যেই অপশন পাবেন সেখান থেকে সিলেক্ট করেন “This is a fake account” তারপরে CONTINUE করলেই আরো একটি পেইজ পাবেন সেখানে ক্লিক করেন “others” এবং ID টি সঠিকভাবে রিপোর্ট হয়ে যাবে।
কিন্তু একজনের রিপোর্টে তো আর কাজ হবে না তাই আর আপনার আপত্তি না থাকলে আপনি সেই ফেইক একাউন্টের লিঙ্কটা এখানেও দেন। আমরা যারা দেখছি তারা সবাই রিপোর্ট করে দিচ্ছি।
এছাড়া ফেইক আইডি রিপোর্ট ব্লক করার জন্য বেশ কিছু গ্রুপ থাকে যেখানে অনেক সদস্য রয়েছে। সেইসব গ্রুপে জানালে আরো অনেকেই একসাথে রিপোর্ট করবে। আমার জানামতে এরকম একটা গ্রুপ হলঃ https://www.facebook.com/groups/kickoffgroupbd/

উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (696 পয়েন্ট)
0 টি ভোট

কিভাবে বুঝবে তুমি সাইবার হয়রানির শিকারঃ
গালভরা এক নাম আছে, সাইবার হয়রানির। সাইবার বুলিং বলে। কখন তুমি সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছ চোখ বুলিয়ে নাওঃ
১। তোমাকে বাজে মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ।
২। সরাসরি সেক্স করতে চাইছে/
৩। উত্থিত পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠাচ্ছে।
৪। বুকের সাইজ বা তোমার দেহ নিয়ে মন্তব্য করছে।
৫। খানকি, বেশ্যা, মাগি এই টাইপ স্ল্যাং ইউজ করে মেসেজ দিচ্ছে।
৬। তোমার নামে ফেক আইডি খুলছে।
৭। তোমার অনুমতি ছাড়া কোন পেইজে তোমার ছবি ব্যবহার করছে। ( কয়েক বছর আগে, পাত্রপাত্রি পেইজ খুলত বিভিন্ন ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা, সেখানে মেয়েদের অনুমতি ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হত )।
৮। তোমার কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্কের কথা, স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দিতে চাইছে বা দিচ্ছে।
৯। তোমার ছবি ফটোশপ করে অশ্লীল এবং উলঙ্গ করছে।
১০। তোমার নামে বাজে কথা দিয়ে কোন পেইজ বা গ্রুপে হেয় করছে।

করনীয়ঃ
১। সর্বপ্রথম পরিবার কে জানাও। পরিবারে কাউকে না জানাতে পারলে, খুব কাছের কাউকে জানাও।
২। যে এইসব করছে বা যারা করছে, তারা পরিচিত হলে আপোষের ব্যবস্থা নিতে পার ( যদি ভাব আপোষ করে লাভ আছে)।
৩। আপোষ করে যদি না পার, এবং ভাব যদি আপোষ করে কোন লাভ নেই আইনি ব্যবস্থা নিবে অবশ্যই।

আইনি ব্যবস্থা কিভাবে নিব?
সবচেয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে সাধারণ জিডি করবে, লোকাল থানায়।

জিডি করতে ভয় লাগে ?

কিসের ভয় ? জিডি কোন আইনি প্রক্রিয়া না। ফ্যামিলি চাপ দিচ্ছে এসব না করতে। বুঝাও জিডি প্রত্যেকটা নাগরিকের অধিকার। তোমার ৫০০ টাকা হারালেও তুমি জিডি করতে পার, তোমার ঘড়ি হারালে তুমি জিডি করতে পার। এটা তোমার নাগরিক অধিকার।
তোমাকে দেশে কেউ কখনও হ্যারাজ করার অধিকার রাখে না। তুমি উড়নচণ্ডী, ঘুরে বেরাও, ফেমিনিজম, ধর্ম নিয়ে লিখ। যা ইচ্ছা করো। কেউ তোমাকে হ্যারাজ করার কোন অধিকার রাখবে না।
তাই স্বাধীন নাগরিক হিসেবে, তোমাকে কেউ হ্যারাজ করলে তুমি নিশ্চিন্তে লোকাল থানায় জিডি করবে। কোন প্রব্লেম হবে না। কোন দুশ্চিন্তা নেই। তুমি কেবল তোমার নাগরিক অধিকারকে রক্ষা করছ।

জিডি করতে কী লাগে?
কিচ্ছু না।
১) জাস্ট একটা আবেদন পত্র লিখবে। বাংলায় লেখা আবেদন পত্র থাকবে
বরাবর
অফিসার ইন চার্জ
তোমার লোকাল থানা
বিষয়ঃ
জনাব/ স্যার/ মহোদয় ,
আমি ( তোমার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি )। যদি তুমি ফেসবুকে হ্যারাজের শিকার হও, তোমার ফেবু আইডির লিংক , যে হ্যারাজ করছে তার আইডির লিংক বা সেই পেইজের লিংক যেখান থেকে হ্যারাজ হচ্ছ । অন্য কোন সোশ্যাল সাইটে হলে অন্য লিংক। বিস্তারিত বর্ণনা। একদম খুঁটিনাটি সহ। তুমি কি টাইপ নিরাপত্তা চাচ্ছ তাও উল্লেখ করবে।
এই আবেদন পত্র দুই কপি করবে। একটা তোমার কাছে, একটা থানার কাছে।
২) মেসেজ, পেইজ, ছবির স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে দিবে আবেদন পত্রের সঙ্গে। একদম দ্বিধা ছাড়া। তোমার কথা থাকতেই পারে সেখানে, সেটাও দিবে। যাতে থানার কর্মকর্তারা বুঝে কি ঘটনা ঘটেছে আসলে।
৩) থানায় খুব ভদ্রতা সহকারে, মার্জিত ভাবে , সুন্দর ভাষায়, নিজের বক্তব্য পেশ করবে।
৪) জিডি তে কোন টাকা লাগে না। আমি আদাবর থানায় করেছি কোন টাকা লাগে নি। তাও হাতে ১০০-২০০ রেখ, তোমার থানার কি হয় সেটা তুমি বুঝে ডিল করবে।

জিডি করলাম এখন কি করব ?
এখন ও কাজ শেষ হয় নি। জিডির ইনভেস্টিগেশনে দায়িত্বরত অফিসারের ফোন নং পাবে। তার সঙ্গে কথা বলবে। তিনি তোমাকে হেল্প করবেন কি করতে হয়। খুঁটিনাটি বলবে।
btrc

Cyber Nirapotta ( সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়)
Cybernirapotta https://www.facebook.com/cybernirapotta . আইসিটি , তথ্য প্রযুক্তি বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় কাজ করেছে। এরা বেসরকারি পর্যায়ে তোমার সাইবার হ্যারাজের ঘটনা খতিয়ে দেখবে এবং ব্যবস্থা নিবে। এই কাজ করতেই এখানে অনেক অনেক সাইবার সেবাদানকারি মানুষ কাজ করে।
১) তোমার রাখা জিডি কপি স্ক্যান করাও।
২) পুরা ঘটনা পুনরায় লিখ ( ইংরেজিতে)। জিডির স্ক্যান কপি, স্ক্রিনশটের JPG ফরমেট সহ ইমেইল কর help@cybernirapotta.net
৩) তারাই পরে ইনফরমেশন লাগলে যোগাযোগ করবে।
৪) এরা ফেসবুকে ভীষণ একটিভ। মেসেজ দিলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপ্লাই দেয়। আমার আস্থা যুগিয়েছিল এরাই প্রথম। থ্যাংকস Cybenirapotta

আরও একটি কাজ করতে পারঃ
তোমার জিডি কপি নিয়ে চলে যাও বিটিআরসির ( ) অফিসে। ঠিকানাঃ
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC)
IEB Bhaban (5,6 & 7 floor)
Ramna, Dhaka-1000
Phone (PABX): + 880 2 9611111
Fax: +880 2 9556677
Email: btrc@btrc.gov.bd

ফোন আর ইমেইলে রেস্পন্স পাবা না ।সোজা চলে যাও , অফিসে। মোহাম্মদপুরের বাসের কথা জানি। এটিসিএল বাস ধরে রমনা ওভারব্রিজে নামবে, ঠিক বিপরীতেই এই আইইবি ভবন ।

যদি ঘটনা আরও ভয়াবহ হয়, মামলা করবঃ
অবশ্যই মামলা করবে। কিছু সোর্স দিচ্ছি
১) ঢাকা মেট্রোপলিটন ওমেন সাপোর্ট ডিভিশন
Duty Officer : 01745774487, 02-9110885
Helpline : 01755556644, 01755556645, 01733219005, 01733219030
২) Justice for woman এর administrator.। তোমাকে লিগ্যাল হেল্প নিতে সাহায্য করবে। কুঞ্জ আপু, জাস্ট আপিকে একটা মেসেজ দাও। https://www.facebook.com/aishwarikazahin
৩) নিকট RAB এর অফিসে যোগাযোগ কর।
৪) ল-ইয়ার হিসেবে মামলা লড়তে পাবে, জাবির ভাইকে, অসাধারণ মানুষ, জাস্ট একটা মেসেজ। https://www.facebook.com/Da.Saint.Iblish

কাহিনী কি শেষ? না , শেষ না! আমি প্রতিটা স্টেপ ফলো করে এগিয়েছি। সবার সহযোগিতা পেয়েছি। আদাবর থানার সহযোগিতা নিয়ে কথা হবে না। এখনও লড়ছি।
সবার আগে তো থাকা চাই সাহস, প্রতিবাদ করার মানসিকতা। সেটা আগে গড়ে তোল নিজের মধ্যে। তারপর আপনাআপনি এই কাজগুলো হবে।
আমি জেগেছি, তুমি জাগবে, তোমার পাশের মেয়েটা জাগবে, একদিন সব মেয়ে জাগবে, তারপরই না বন্ধ হবে এই সাইবার ক্রাইম ! তাই না ?
চলো, নিরাপদ সাইবার জীবনের জন্য না হয় একটু লড়ি। আমাদের সম্মানের জন্য না হয় এই প্রতিবাদ করি।
মেয়েলি জীবন বলে খালি মার-ই খাব , নাকি ? সবাই তো তাই ভাবে? ওদের ভুল প্রমাণ করি। চল জেগে উঠি ।
image
সূত্রঃ bdnews24.com

কিভাবে বুঝবে তুমি সাইবার হয়রানির শিকারঃ
গালভরা এক নাম আছে, সাইবার হয়রানির। সাইবার বুলিং বলে। কখন তুমি সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছ চোখ বুলিয়ে নাওঃ
১। তোমাকে বাজে মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ।
২। সরাসরি সেক্স করতে চাইছে/
৩। উত্থিত পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠাচ্ছে।
৪। বুকের সাইজ বা তোমার দেহ নিয়ে মন্তব্য করছে।
৫। খানকি, বেশ্যা, মাগি এই টাইপ স্ল্যাং ইউজ করে মেসেজ দিচ্ছে।
৬। তোমার নামে ফেক আইডি খুলছে।
৭। তোমার অনুমতি ছাড়া কোন পেইজে তোমার ছবি ব্যবহার করছে। ( কয়েক বছর আগে, পাত্রপাত্রি পেইজ খুলত বিভিন্ন ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা, সেখানে মেয়েদের অনুমতি ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হত )।
৮। তোমার কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্কের কথা, স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দিতে চাইছে বা দিচ্ছে।
৯। তোমার ছবি ফটোশপ করে অশ্লীল এবং উলঙ্গ করছে।
১০। তোমার নামে বাজে কথা দিয়ে কোন পেইজ বা গ্রুপে হেয় করছে।

করনীয়ঃ
১। সর্বপ্রথম পরিবার কে জানাও। পরিবারে কাউকে না জানাতে পারলে, খুব কাছের কাউকে জানাও।
২। যে এইসব করছে বা যারা করছে, তারা পরিচিত হলে আপোষের ব্যবস্থা নিতে পার ( যদি ভাব আপোষ করে লাভ আছে)।
৩। আপোষ করে যদি না পার, এবং ভাব যদি আপোষ করে কোন লাভ নেই আইনি ব্যবস্থা নিবে অবশ্যই।

আইনি ব্যবস্থা কিভাবে নিব?
সবচেয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে সাধারণ জিডি করবে, লোকাল থানায়।

জিডি করতে ভয় লাগে ?

কিসের ভয় ? জিডি কোন আইনি প্রক্রিয়া না। ফ্যামিলি চাপ দিচ্ছে এসব না করতে। বুঝাও জিডি প্রত্যেকটা নাগরিকের অধিকার। তোমার ৫০০ টাকা হারালেও তুমি জিডি করতে পার, তোমার ঘড়ি হারালে তুমি জিডি করতে পার। এটা তোমার নাগরিক অধিকার।
তোমাকে দেশে কেউ কখনও হ্যারাজ করার অধিকার রাখে না। তুমি উড়নচণ্ডী, ঘুরে বেরাও, ফেমিনিজম, ধর্ম নিয়ে লিখ। যা ইচ্ছা করো। কেউ তোমাকে হ্যারাজ করার কোন অধিকার রাখবে না।
তাই স্বাধীন নাগরিক হিসেবে, তোমাকে কেউ হ্যারাজ করলে তুমি নিশ্চিন্তে লোকাল থানায় জিডি করবে। কোন প্রব্লেম হবে না। কোন দুশ্চিন্তা নেই। তুমি কেবল তোমার নাগরিক অধিকারকে রক্ষা করছ।

জিডি করতে কী লাগে?
কিচ্ছু না।
১) জাস্ট একটা আবেদন পত্র লিখবে। বাংলায় লেখা আবেদন পত্র থাকবে
বরাবর
অফিসার ইন চার্জ
তোমার লোকাল থানা
বিষয়ঃ
জনাব/ স্যার/ মহোদয় ,
আমি ( তোমার নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, ভোটার আইডি )। যদি তুমি ফেসবুকে হ্যারাজের শিকার হও, তোমার ফেবু আইডির লিংক , যে হ্যারাজ করছে তার আইডির লিংক বা সেই পেইজের লিংক যেখান থেকে হ্যারাজ হচ্ছ । অন্য কোন সোশ্যাল সাইটে হলে অন্য লিংক। বিস্তারিত বর্ণনা। একদম খুঁটিনাটি সহ। তুমি কি টাইপ নিরাপত্তা চাচ্ছ তাও উল্লেখ করবে।
এই আবেদন পত্র দুই কপি করবে। একটা তোমার কাছে, একটা থানার কাছে।
২) মেসেজ, পেইজ, ছবির স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে দিবে আবেদন পত্রের সঙ্গে। একদম দ্

উত্তর প্রদান করেছেন 5384

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
16 জানুয়ারি 2014 "কম্পিউটার ও ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইব্রাহিম
0 টি ভোট
1 উত্তর
29 সেপ্টেম্বর 2014 "কম্পিউটার ও ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শরিফুল Junior User (62 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...