বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.7k টি উত্তর

5.8k টি মন্তব্য

6.4k জন নিবন্ধিত

+1 টি ভোট
309 বার প্রদর্শিত
"সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

5 উত্তর

0 টি ভোট

jara bro tader ktha shuna uchit

উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (79 পয়েন্ট)
0 টি ভোট

আমি মনে করি ছোট হলে সবার আদর একটু বেশিই হয়ে থাকে তাই আব্দারি হওয়াটাই স্বাভাবিক তবে বরদের কথা শোনা উচিত কিন্তু শুধুমাত্র যৌক্তিক কথাই শোনা উচিত।
আর নম্রতা ভদ্রতা ছোটো বড় সবার মাঝে থাকা উচিত।

 

 

Signature:

know to survive
উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (231 পয়েন্ট)
0 টি ভোট

ছোট সন্তানরা সাধারণত বাসার অন্য সদস্যদের বিশেষ মনযোগ ও ভালবাসা পেয়ে থাকে। তাই তাদেরকে এই বাড়তি প্রাপ্তির অসদ্ব্যবহার করা অনুচিত। বড়দের কাজে যথাসাধ্য সাহায্য করা উচিত। এমন কোন আবদার করা অনুচিত যা বড়দের চাপের মুখে ফেলে দেয়। বড়দের সাথে তর্ক করা অনুচিত। মনযোগ দিয়ে লেখাপড়া করা উচিত। বাসার বাইরে গেলে বড়দের জানিয়ে যাওয়া উচিত। বড়রা কোন ভুল করতে গেলে তাদেরকে সতর্ক করে দেয়া উচিত। নিজ ধর্মের নিয়ম-কানুন ভালভাবে মেনে চলার চেষ্টা করা কর্তব্য। কোন খারাপ ব্যাপারে জিদ করা ভুল।

 

 

Signature:

"সৎ কাজ করার চেয়ে সৎ সঙ্গ অধিক উত্তম।"
উত্তর প্রদান করেছেন Expert Senior User (6.4k পয়েন্ট)
0 টি ভোট

সম্ভবত সকল ধর্মেই বিশেষ করে ইসলামে বাবা-মা, বড় এবং ছোট ভাই-বোনদের সাথে কেমন আচরণ করতে হয়, সেটা দেওয়া রয়েছে। সেগুলো জেনে নিয়ে মেনে চলতে হবে।

মহানবী সাঃ বড় এবং ছোটদের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সব সময় বড়দের অগ্রাধীকার দিতে বলেছেন।

সব কিছুর মধ্যে এমন কি পরিবারে চলার মধ্যেও একটা "চেইন অব কম্যান্ড" থাকা উচিত।
মানে বাবা-মা এদের পাশাপাশি বড় ভাই-বোনের কাথাও মেনে চলা উচিত।

ছোটরা সাধারণত এই "চেইন অব কম্যান্ড" মানতে চায় না। তখনই তার পরিবারে যতসব অশান্তি নেমে আসে।

এর কারণ হতে পারে ছোটরা অনেক বেশী আদর, ভালোবাসা ও মনোযোগ পেয়ে অনেক সময় একটু ভোগী, লোভী, স্বার্থপর, অকৃতজ্ঞ, অসংযমী এবং আত্মসমালচনা বিমুখ হয়ে উঠে।
আবার এমনও হতে পারে যে বড়রা সত্যি সত্যি তাদের উপর অযৌক্তিক ভাবে খারাপ এবং বৈশম্যমূলক আচরণ করে থাকে।

তবে কারণটা যাই হোকনা কেনো, ছোটরা অনেক সময় বড়দের সাথে যেই ধরণের খারাপ আচরণ করে থাকে, সেটা আবশ্যই খুবই খারাপ।
নিজের মধ্যে আত্মসমালচনা থাকতে হবে এবং নিজের সভাবে যা কিছু খারাপ সেটা প্রথমেই বর্জন করতে হবে।
ছোটদের উচিত কু-তর্ক না করা এবং অন্যায় বা অযৌক্তিক আবদার ও আচরণ না করা এবং সুযোগের অসদ্ব্যবহার না করা।

অনেক সময় দেখা বড় ভাই-বোন ছোটদেরকে আদর করেছে বা দেখ-ভাল করেছে বা কোলে-পিঠে মানুষ করেছে।
এর ফলে বড় ভাই-বোনদের মনে ছোটদের উপর একটা অধিকারবোধ জন্মে যায় এবং তারা কিছুটা শাসন বা খবরদারি করতে চায়।
কিন্তু ছোটরা হয়তো ভাবে তারাওতো তার ভাই অথবা বোন তবে কেন এই বৈশম্য।

ছোটদেরকে এটা বুঝা উচিত যে, এই বড়দের শাসন বা খবরদারি আছে বলেই পরিবারের মধ্যে একটা বন্ধন, পারস্পারিক দ্বায়বদ্ধতা, ভালোবাসা এই সব রয়েছে।
এটা যদি না থাকতো তবে মানুষ আর পশুর পরিবারের মধ্যে পার্থক্য অল্পই থাকতো।

আপনি নিজেই ভেবে দেখুন তাহলে বুঝতে পারবেন, যদি আপনি কোনো ছোট বাচ্চাকে ছোট বেলায় আদর করে কোলে নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন, তাকে খাইয়ে দিয়েছেন, ঘুম পাড়িয়েছেন, ভাল-মন্দ দেখাশুনা করেছেন।

এরপরে সেই বাচ্চাই একটু বয়স বাড়ার পড়ে আপনার মুখে মুখে বেয়াদবের মতো তর্ক করে বা নিজেকে আপনার সমান মনে করে আপনার শাসন মানেনা বা আপনাকে আপনার কাঙক্ষিত সম্মান না করে বা আপনাকে অবজ্ঞা করে বা আপনার সাথে সকল বিষয়ে বিশ্রিভাবে প্রতিদন্দিতা করে বা ইত্যাদি একটু চিন্তা করুন তখন আপনার কতটা খারাপ লাগতে পারে।

বড়রা যদি অযৌক্তিক ভাবে খারাপ এবং বৈশম্যমূলক আচরণ করেও থাকে, তবে তাদেরকে সেটা শান্ত ভাবে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে।
কিন্তু এর পরেও বড়দের সাথে রাগ করা বা ফুসে উঠা বা খারাপ আচরণ করা ইত্যাদি উচিত নয়।
বরং তাদের সাথে কষ্ট সহ্য করে নম্র এবং ভদ্র আচরণ করা উচিত এবং এতেই কল্যাণ রয়েছে।
কষ্ট সহ্য করা এবং নম্রতা এবং ভদ্রতা আপনাকে বিনয়ী করবে, যেটা কেয়ামতে আল্লাহ সামনে ভীষন ভাবে জরুরী।

কেয়ামতের সময় একদল দরবেশ যারা হয়তো কখনোই সাধারণ ভাবে কোনো পাপ করেনি তারাও ভাগ্যদোষে জাহান্নামে যেতে পারে।
কি ভাবে জানেন কি?
কারণ তাদের মধ্যে বিনয় থাকবে না। ফলে তারা যখন দেখবে আল্লাহ তাদেরকে আকাঙক্ষিত পাত্তাই দিচ্ছেনা, তখন তারা আল্লাহকে বলবে, "তোমার জন্য পৃথিবীতে এত ইবাদত করলাম, আর আজ তুমি আমাদেরকে পাত্তাই দিচ্ছনা।"
তাদের এই ধরণের কথার মনে হলো আল্লাহর কাছে কৈফিয়ত দ্বাবী করা যা কিনা চরম ভাবে বেয়াদবী।
বুঝতেই পারছেন তাদের কথার এবং আচরণের ধরণ হবে রুঢ়। তখন আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে।

আল্লাহই সর্বচ্চ ক্ষমতা এবং সম্মানের মালিক।
কোনো সৃষ্টির এমন সম্মান বা ক্ষমতা নেই যে আল্লাহর কাছে কৈফিয়ত দাবী করবে।

কাজেই বুঝতেই পারছেন আল্লাহর সামনে বিনয়ী হওয়া কতটা জরুরী।
হতে পারে আমারা যে পৃথিবীতে বাস করছি, তার কারণ আল্লাহ চান আমরা এখান থেকে বিনয়ী হওয়ার শিক্ষা লাভ করি।
পৃথিবীতে আল্লাহকে কখনোই সাক্ষাত না পাওয়া গেলেও জান্নাতে বহু বছর পর পর আল্লাহর সাক্ষাত পাওয়া যাবে।
আল্লাহ নিশ্চয়ই চান না এই ভাবে সরাসরি সাক্ষাতের সময় কোনো বিনয়বিহীন সৃষ্টি তার সামনে আসুক।
কারণ এটা আল্লাহর অপছন্দনীয়।

সেই জন্য ছোটরা "চেইন অব কম্যান্ড" অনুসারে বড়দের অনুগত থাকবে, আর এটাই বিনয় শিখার একটা বড় উপায়, সেটা কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি?

 

 

Signature:

মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান শরীফ mahfuz08@yahoo.com
উত্তর প্রদান করেছেন Senior User (179 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ।

0 টি ভোট

উত্তর দেয়ার আগে এটা জানা জরুরী আপনার বয়স কত বর্তমানে?আপনারা কেন ধরনের ক্যাটাগরির। ছোট বলত কত ছোট?ভাই-বোন কয়জন? 

উত্তর প্রদান করেছেন Junior User (38 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
+1 টি ভোট
2 টি উত্তর

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...