বাংলায় সর্বপ্রথম, সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক ও সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশান না করেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন তবে, সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশান করুন!

> বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তরভিত্তিক এবং সমস্যা সমাধানের উন্মুক্ত কমিউনিটি "হেল্পফুল হাব" এ আপনাকে স্বাগত, এখানে আপনি যে কোনো প্রশ্ন করে উত্তর নিতে পারবেন এবং কোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে তা প্রদান করতে পারবেন।

Welcome to Helpful Hub, where you can ask questions and receive answers from other members of the community.

15.1k টি প্রশ্ন

16.8k টি উত্তর

5.9k টি মন্তব্য

6.6k জন নিবন্ধিত

+1 টি ভোট
636 বার প্রদর্শিত

আমরা অনেকেই ঈদের নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম জানিনা। সামনে সবাই যা করে আমরাও দেখে দেখে তাই করি। এতে ভুল হচ্ছে না ঠিক হচ্ছে তাও জানিনা। তাই দয়া করে কেউ সঠিক নিয়মটা জানান। ধন্যবাদ।

"ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন

2 উত্তর

+1 টি ভোট

নিয়তঃ
শুরুতে নিয়ত করুন যে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে ৬ তাকবিরের সাথে ঈদ উল আযহার এর নাময পড়ছি। নিয়ত আরবিতে করতে হবে এমন কোন নিয়ম নাই। যে যেই ভাষার লোক সেই ভাষাতে নিয়ত করলেই হবে। এমন কি নিয়ত মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে হবে এমন কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নাই। (সব নামায এর ক্ষেত্রে)

উল্লেখ্য ঈদ এর নামাজ ২ রাকাত পড়তে হয় এবং প্রথম রাকাতে অতিরিক্ত ৩ তাকবির (ছানা পড়ার পর) আল্লাহুয়াকবার বলে হাত বেঁধে নামাযে দাঁড়ালেন এখন আপনাকে শুধু ছানা (সুবহানাকা) পড়তে হবে। তখন থেকে আপনাকে আর কিছু পড়তে হবেনা। ইমাম সাহেব ৩ টি তাকবীর বলবেন আপনি ও ইমাম এর সাথে তাকবীর বলবেন (হাত তুলে তাকবীর বলবেন কিন্তু হাত বাধবেন না) ইমাম সুরা পড়বেন, রুকু করবেন সিজদা করবেন আপনি শুধু রুকু সিজদার তাসবিহ পড়বেন

দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত ৩ তাকবির (সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা পড়ার পর)। এখানেও প্রতি তাকবীরের পর হাত ছেড়ে দিবেন অর্থাৎ হাত বাঁধতে হবেনা। এবার ও ইমাম কে অনুসরণ করুন
এইবার ৩য় তাকবীর শেষ হলে চতুর্থবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত না বেঁধে রুকুতে চলে যান রুকুর তাসবিহ পড়ুন সিজদাতে গেলে সিজদার তাসবিহ পড়ুন । সিজদা থেকে উঠার পর আত্তাহিয়াতু/ সাল্লি আলা /বারিক আলা/ দুয়া মাসুরা(আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি পড়ুন এবং অপেক্ষা করুন ইমাম সাহেব সালাম ফিরালে আপনিও সালাম ফিরান। জুম্য়ার খুতবার ন্যায় দু'ঈদের খুতবা শোনাও ওয়াজিব। চুপ করে খুতবা শুনতে হয়।

মাগনা আরও কিছু বিষয়:
ঈদের দিনের সুন্নত পর্যায়ের করণীয় হলো
(১) শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে যথাসাধ্য সুসজ্জিত হওয়া (এবং খুশী প্রকাশ করা)
(২) গোসল করা,
(৩) মিসওয়াক করা,
(৪) যথাসম্ভব উত্তম কাপড় পরা,
(৫) খুশবু লাগানো
(৬) সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠা,
(৭) ফজরের পর সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া,
(৮) ঈদগাহে এক রাস্তায় যাওয়া অন্য রাস্তায় আসা,
(৯) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
(১০) যাবার সময় উচ্চস্বরে ঈদুল আযহার তাকবীর বলতে বলতে যাওয়া। তাকবীর টি হল: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

ঈদুল আযহার নামাযের নিয়ম ঠিক ঈদুল ফিতরের নামাযেরই অনুরূপ এবং যেসব কাজ ওখানে সুন্নত সেসব এখানেও সুন্নত। পার্থক্য শুধু এই যে,
(১) নিয়তের মধ্যে ঈদুল ফিতরের পরিবর্তে ঈদুল আযহা বলবে।
(২) ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেয়ে ঈদগাহে যাওয়া সুন্নত কিন্তু ঈদুল আযহার দিনে খেয়ে যাওয়া সুন্নত নয় (বরং ঈদুল আযহার নামাযের পূর্বে কিছু না খেয়ে যাওয়াই মুস্তাহাব)।
(৩) ঈদুল আযহার দিনে ঈদগাহে যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে তাকবীর পড়া সুন্নত। ঈদুল ফিতরে আস্তে পড়া সুন্নত।
(৪) ঈদুল আযহার নামায ঈদুল ফিতর অপেক্ষা অধিক সকালে পড়া সুন্নত।
(৫) ঈদুল ফিতরে নামাযের পূর্বে সদকায়ে ফিতরা দেয়ার হুকুম, ঈদুল আযহার নামাযের পর সক্ষম ব্যক্তির জন্য কুরবানী করার হুকুম।

আরো জানতে: http://www.shodalap.org/bngsadat/5961/

উত্তর প্রদান করেছেন
0 টি ভোট

অনেকের ধারণা নামাজের নিয়ত
আরবিতে করা জরুরি। এমনটি ঠিক নয়।
যে কোনো ভাষাতেই নামাজের নিয়ত
করা যায়। নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট। ঈদের
দিন ইমামের
পেছনে কিবলামুখী দাঁড়িয়ে মনে এই নিয়ত
করে নেবে—‘আমি অতিরিক্ত ছয় তাকবিরসহ এই
ইমামের পেছনে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত
ওয়াজিব নামাজ আদায় করছি।’ এরপর উভয় হাত
কান বরাবর ওঠিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত
বেেঁধ নেবে। হাত বাঁধার পর ছানা অর্থাত্
‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা’ শেষ পর্যন্ত
পড়ে নেবে। এরপর আল্লাহু আকবার বলে হাত
কান পর্যন্ত ওঠিয়ে ছেড়ে দেবে।
দ্বিতীয়বারও একই নিয়মে তাকবির বলে হাত
ছেড়ে দিতে হবে। ইমাম সাহেব তৃতীয়বার
তাকবির বলে হাত বেঁধে আউজুবিল্লাহ ও
বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য
যে কোনো সূরা তিলাওয়াত করবেন। এ সময়
মুক্তাদিরা নীরবে দাঁড়িয়ে থাকবেন। এরপর
ইমাম সাহেব নিয়মমত রুকু-
সিজদা সেরে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য
দাঁড়াবেন। মুক্তাদিরা ইমাম সাহেবের অনুসরণ
করবেন। দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব
প্রথমে সূরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য সূরা পড়বেন।
এরপর আগের মতো তিন তাকবির বলতে হবে।
প্রতি তাকবিরের সময়ই উভয় হাত কান পর্যন্ত
ওঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। চতুর্থ তাকবির
বলে হাত না ওঠিয়েই রুকুতে চলে যেতে হবে।
এরপর অন্যান্য নামাজের নিয়মেই নামাজ শেষ
করে সালাম ফেরাতে হবে। ঈদের নামাজ
শেষে ইমাম সাহেব খুতবা পাঠ করবেন। জুমার
খুতবার মতো এই খুতবা শোনা মুসল্লিদের জন্য
ওয়াজিব। খুতবার সময় কথাবার্তা বলা,
চলাফেলা করা, নামাজ
পড়া সম্পূর্ণরূপে হারাম। কারও ঈদের নামাজ
ছুটে গেলে কিংবা যে কোনো কারণে নামা
জ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় একাকী তা আদায়
বা কাজা করার কোনো সুযোগ নেই। তবে চার
বা তার অধিক লোকের ঈদের নামাজ
ছুটে গেলে তাদের জন্য ঈদের নামাজ
পড়ে নেয়া ওয়াজিব।

 

 

Signature:

১৩ বছরের বালকের লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
উত্তর প্রদান করেছেন (-9 পয়েন্ট)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
2 টি উত্তর
05 অক্টোবর 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মাহমুদ
0 টি ভোট
1 উত্তর
01 অগাস্ট 2017 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tarikul islam Senior User (241 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
4 টি উত্তর
15 অক্টোবর 2013 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
1 উত্তর
20 ফেব্রুয়ারি 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাত সদস্য
0 টি ভোট
4 টি উত্তর
14 ফেব্রুয়ারি 2014 "ধর্ম ও বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানভীর
0 টি ভোট
3 টি উত্তর
26 জুলাই 2014 "সমাজ ও সম্পর্ক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন nightqueen Senior User (231 পয়েন্ট)

 

(হেল্পফুল হাব এ রয়েছে এক বিশাল প্রশ্নোত্তর ভান্ডার। তাই নতুন প্রশ্ন করার পূর্বে একটু সার্চ করে খুঁজে দেখুন নিচের বক্স থেকে)

(হেল্পফুল হাব সকলের জন্য উন্মুক্ত তাই এখানে প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর)

...